উত্তর : বক্তব্যটি সত্য নয়। ঈদের ছালাতে ১২ তাকবীরের হাদীছকে ইমাম বুখারী, তিরমিযী, আবুদাউদ, নববী, হাফেয ইরাকী, ইবনু তায়মিয়াহ, ইবনু হাজার আসক্বালানী, আহমাদ শাকের ও হানাফী মুহাক্কিক শু‘আইব আরনাউত্বসহ অসংখ্য মুহাদ্দিছ ছহীহ বলেছেন। ইমাম তিরমিযী ‘রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ঈদায়নের প্রথম রাক‘আতে ক্বিরাআতের পূর্বে সাত ও দ্বিতীয় রাক‘আতে ক্বিরাআতের পূর্বে পাঁচ তাকবীর দিতেন’ মর্মে বর্ণিত হাদীছটি উল্লেখ করে ‘হাসান’ বলার পর বলেন, নবী করীম (ছাঃ) থেকে এ ব্যাপারে যা বর্ণিত হয়েছে তার মধ্যে এটিই সর্বাধিক সুন্দর (তিরমিযী হা/৫৩৬-এর আলোচনা)। তিনি আরো বলেন, আমি এ সম্পর্কে আমার উস্তায ইমাম বুখারীকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, ঈদায়নের ছালাতের অতিরিক্ত তাকবীর সম্পর্কে এর চাইতে অধিক আর কোন ছহীহ রেওয়ায়াত নেই’ (ইলালুত তিরমিযী ১/২৮৭)।  ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, অধিকাংশ ছাহাবী ও ইমাম প্রথম রাক‘আতে সাত তাকবীর ও দ্বিতীয় রাক‘আতে পাঁচ তাকবীর দিতেন (মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২৪/২২) । ইমাম নববী (রহঃ) বলেন, আমর ইবনু শু‘আইব বর্ণিত হাদীছটি ‘ছহীহ’। এটি আবুদাউদসহ অন্যান্যরা ‘হাসান’ সনদে বর্ণনা করেছেন (আল-মাজমূ‘ ৫/১৬)। ইরাক্বী বলেন, এর সনদ বিশুদ্ধ (নায়লুল আওতার ৩/৩৫৪)। হাফেয ইবনু হাজার (রহঃ) বলেন, ইমাম আহমাদ ও আলী ইবনুল মাদীনী ও বুখারী একে ছহীহ বলেছেন (আত-তালখীছ ২/২০০)। আহমাদ শাকের বলেন, এর সনদ ‘ছহীহ’ (আহমাদ হা/৬৬৮৮)। হানাফী মুহাক্কিক শু‘আইব আরনাউত্ব মুসনাদে আহমাদ, আবুদাউদ ও ইবনু মাজাহর তাহকীকে এর সনদকে ‘হাসান’ বলেছেন (আহমাদ হা/৬৬৮৮, ২৪৪৫৪)। ছাহেবে মির‘আত ওবায়দুল্লাহ মুবারকপুরী বলেন, সবচেয়ে উত্তম হ’ল প্রথম রাক‘আতে ক্বিরাআতের পূর্বে সাত এবং দ্বিতীয় রাক‘আতে ক্বিরাআতের পূর্বে পাঁচ মোট বার তাকবীর দেওয়া। কারণ এর উপরে এসেছে অনেকগুলি মরফূ হাদীছ, যার কতকগুলি ‘ছহীহ’ ও কতকগুলি ‘হাসান’। ...আর বারো তাকবীরের উপরে আমল করেছেন মহান চার খলীফা হযরত আবুবকর, ওমর, ওছমান ও আলী (রাঃ)’ (মির‘আত ৫/৫৩ পৃঃ)। অতএব ঈদের ছালাতে অতিরিক্ত ১২ তাকবীর প্রতিষ্ঠিত সুন্নাত (বিস্তারিত দ্রঃ ‘মাসায়েলে কুরবানী ও আক্বীক্বা’ ৩৩-৩৭)






প্রশ্ন (১৭/৯৭) : রাসূল (ছাঃ) মি‘রাজে যাওয়ার সময় জিব্রীলের আদেশে তূরে সীনা ও বায়তুল লাহমে ছালাত আদায় করেছেন। এতে কি প্রমাণ হয় যে, সালাফে ছালেহীনদের স্মৃতিবিজড়িত স্থানে বরকত হাছিলের জন্য বিশেষ ছালাত আদায় করা যায়? বিস্তারিত জানতে চাই। - -আলী আছগর, ডাকবাংলা, ঝিনাইদহ।
প্রশ্ন (১/২৪১) : শ্রদ্ধা নিবেদনের উদ্দেশ্যে শহীদ মিনারে ফুল দেওয়া বা সেখানে গিয়ে হাত তুলে দো‘আ করার বিধান কি?
প্রশ্ন (৫/৮৫) : আমার ভাই-ভাতিজা পুরোপুরি কবরপূজারী মুশরিক। তাই তারা আমার সম্পত্তিতে অংশীদার হবে ভেবে আমি আমার তিন মেয়ের নামে সকল সম্পদ লিখে দিয়েছি। এটা জায়েয হয়েছে কি? কবরপূজারীরা সম্পদের অংশীদার হবে কি? - -আব্দুল্লাহ আল-মামূন, নিজখামার, খুলনা।
প্রশ্ন (২২/১৮২) : কুরআন পাঠরত অবস্থায় কিছুক্ষণ বিরতি নেওয়ার পর পুনরায় কোন আয়াত থেকে পাঠ শুরু করলে ‘আ‘ঊযুবিল্লাহ’ না ‘বিসমিল্লাহ’ দিয়ে শুরু করতে হবে? এছাড়া বক্তব্যের মাঝে বা কোন কুরআনী দো‘আ পাঠের শুরুতে কিছু পাঠ করতে হবে কি?
প্রশ্ন (১৮/৩৭৮) : সন্তানের ক্ষতি হওয়ার আশংকায় গর্ভবতী বা দুগ্ধদায়িনী মহিলা ছিয়াম পালন না করলে সেক্ষেত্রে ক্বাযা ছিয়াম আদায় করতে হবে, না ফিদইয়া প্রদান করতে হবে? - -আব্দুল্লাহ লাবীব, বর্ষাপাড়া, কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ।
প্রশ্ন (১৮/৪৫৮) : বিশেষ কারণবশত সপ্তম দিনের পূর্বে সন্তানের আক্বীক্বা দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৪/২৮৪) : রাসূল (ছাঃ) তিনটি খেজুর দ্বারা ইফতার করতেন। তিনি আগুনে পোড়ানো কোন খাবার দ্বারা ইফতার করতেন না। কথাটির সত্যতা আছে কি? - -শামসুদ্দীন, ইসলামপুর, নিয়ামতপুর, নওগাঁ।
প্রশ্ন (২৫/৩৬৫) : আমার ১৪ বছর বয়সী বোনের নিকটে একটি জিন রয়েছে, যে তার গলায় তাবীয না থাকলে নানা উৎপাত করে। ইতিপূর্বে জিনটি আমার মায়ের কাছে ছিল, তখনও মাঝে মাঝে ভয় দেখাত। এক্ষণে তাবীয দেহে রাখবো না খুলে ফেলব? - -আব্দুর রাকীব, রাণীনগর, নওগাঁ।
প্রশ্ন (৩১/৩১) : লাশ দাফনের সময় কবরের ভিতরে যে বাঁশ দেওয়া হয়, সে বাঁশ গজিয়ে বাঁশঝাড়ে পরিণত হ’লে সেই বাঁশ কাটা যাবে কি? এছাড়া কবরস্থানের গাছ কেটে বিক্রি করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৬/২৬) : অন্য ধর্ম সম্পর্কে জানার জন্য তাদের বইপত্র পড়া যাবে কি? যেমন বাইবেল, গীতা, রামায়ণ, মহাভারত ইত্যাদি?
প্রশ্ন (৯/৯) : টয়লেট সহ বাথরুমে ওযু করার পর ওযুর দো‘আ পাঠ করা যাবে কি? না বাইরে এসে দো‘আ পড়তে হবে? - -মা‘ছূমজঙ্গীপুর, মুর্শিদাবাদ, ভারত।
প্রশ্ন (৩৪/১১৪) : ঈদের জামা‘আতে একবার শরীক হয়ে পরে কারণবশতঃ অন্য স্থানে এসে জামা‘আত হ’তে দেখলে তাতে অংশগ্রহণ করা যাবে কি? - -ফেরদাউস মিয়া, চেংমারী, রংপুর।
আরও
আরও
.