উত্তর : প্রথমত নিজের বৈধ অধিকার রক্ষার্থে বাধ্যগত অবস্থায় ঘুষ প্রদান করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে ঘুষ গ্রহণকারী পাপী হবে, দাতা পাপী হবে না ইনশাআল্লাহ। ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, ‘যদি কেউ অন্য একজনকে উপহার দেয় এই উদ্দেশ্যে যে, সে যেন তার উপর যুলুম না করে অথবা তার প্রাপ্য হক তাকে দিয়ে দেয় তাহ’লে এই উপহার গ্রহণ করা গ্রহীতার জন্য হারাম হবে, কিন্তু দাতার জন্য তা দেওয়া বৈধ হবে। রাসূলুল্লাহ বলেন, ‘আমি কখনো কাউকে কিছু দেই, অথচ সে তা নিয়ে বেরিয়ে যায় আর সেটা তার জন্য আগুন হয়ে যায়। জিজ্ঞেস করা হ’ল, হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)! তাহ’লে আপনি তাদেরকে দেন কেন? তিনি বললেন, ‘তারা তো চাওয়া ছাড়া থাকতেই চায় না, আর আল্লাহ তা‘আলা আমাকে কৃপণতা করতে পসন্দ করেন না’ (আহমাদ হা/১১১৩৯; ছহীহুত তারগীব হা/৮৪৪)। শায়খ উছায়মীন (রহঃ) বলেন, আর যে ঘুষের মাধ্যমে মানুষ নিজের হক আদায় করে যেমন এমন পরিস্থিতি যেখানে সে অর্থ না দিলে তার হক আদায় সম্ভব নয় তাহ’লে এই ঘুষ গ্রহীতার জন্য হারাম, কিন্তু দাতার জন্য হারাম নয়। কারণ দাতা কেবল নিজের প্রাপ্য হক আদায়ের জন্যই অর্থ দিয়েছে। তবে যে এই ঘুষ গ্রহণ করেছে সে গোনাহগার হবে, কেননা সে এমন কিছু নিয়েছে যার সে হকদার নয় (ফাতাওয়া ইসলামিয়া ৪/৩০২)। দ্বিতীয়ত বিভিন্ন দিবস পালন ও বিদ‘আতী কর্মে জড়িত হওয়া গোনাহের কাজ এবং পতাকাকে সম্মান প্রদর্শন করা শিরকের অন্তর্ভুক্ত। যা থেকে সাধ্যমত বিরত থাকার চেষ্টা করতে হবে (নাহল ১০৬)। তৃতীয়ত ছালাত সময়মত আদায় করতে হবে। ছালাতের সময় নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত থাকলে যখন সময় পাবে তখনই ছালাত আদায় করে নিবে (মুসলিম হা/৬৮০)। যদি কোনটিই সম্ভব না হয় তবে প্রয়োজনে দ্বীন রক্ষার স্বার্থে চাকুরী পরিত্যাগ করে হালাল রূযীর পথ তালাশ করবে (তালাক ৬৫/২-৩)

প্রশ্নকারী : তাওহীদুল ইসলাম, চারঘাট, রাজশাহী।








বিষয়সমূহ: জায়েয-নাজায়েয
প্রশ্ন (৩১/৩১) : পীর ধরা কি জায়েয? মানুষ কেন পীর ধরে? পীর ধরার ইতিহাস সম্পর্কে জানতে চাই।
প্রশ্ন (১২/৪১২) : আমাদের এলাকায় কোন ধনাঢ্য ব্যক্তি মারা গেলে দাফনের আগে গরু-খাসী যবহ করে জনসাধারণকে খাওয়ানো হয়। অতঃপর দাফন করা হয়। শরী‘আতে এ ধরনের কোন বিধান আছে কি? উক্ত অনুষ্ঠানে যোগদান করা ও সেই খানা খাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১৯/৩৩৯) : জনৈক ব্যক্তির মৃত্যুর সময় পাশের লোকজন কালেমা পাঠ করছিল। এমতাবস্থায় ঐ ব্যক্তি রূহ বের হওয়ার পূর্ব মুহূর্তে একটা হাসি দেয়, কিন্তু তার শরীর অচেতন অবস্থায় ছিল। এখন মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তে এমন হাসি কি কোন ভাল বা মন্দ দিক ইঙ্গিত করে? - -সাইফুল ইসলাম, ময়মনসিংহ।
প্রশ্ন (৮/১৬৮) : মহিলারা আযান ও ইক্বামত দিতে পারে কি?
প্রশ্ন (২৯/২৯) : ‘লা হাওলা ওয়ালা কুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ পাঠ করার উপকারিতা কি কি? এটা পাঠ করলে যাবতীয় বিপদাপদ দূর হয় এবং এর সর্বনিম্ন হ’ল দরিদ্রতা মোচন মর্মে বর্ণিত হাদীছটি ছহীহ কি?
প্রশ্ন (২৮/১৪৮): বর্তমানে স্কুল-কলেজগুলোও অশ্লীলতায় ভরপুর হওয়ার কারণে পিতা ১২-১৩ বছর বয়সেই মেয়েকে বিবাহ দিতে চায়। অতঃপর সে পড়াশুনা করবে। এক্ষেত্রে শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি? দ্বীনদারী বাদ দিয়ে অন্যকিছু দেখে বিবাহ দিলে আল্লাহর কাছে জবাবদিহী করতে হবে কি?
প্রশ্ন (৬/১৬৬) : ঈদুল আযহার ছালাত শেষে খুৎবা না শুনে বাড়িতে এসে কুরবানী করলে উক্ত কুরবানী গ্রহণযোগ্য হবে কি?
প্রশ্ন (১৮/৫৮) : সূর করে বক্তব্য দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৭/৭৭) : আমার স্ত্রী অত্যন্ত দ্বীনদার এবং দ্বীনের একজন একনিষ্ঠ দাঈ। কিন্তু সে যৌন জীবনের প্রতি চরম অনাগ্রহী। সে এ মানবীয় চাহিদাকে অস্বীকার করে এবং একে ইবাদত বন্দেগীর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর হিসাবে গণ্য করে। এক্ষণে এ ব্যাপারে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি কি?
প্রশ্ন (৭/২৮৭) : ছালাতে দাঁড়ানোর সময় মুছল্লীর দুই পায়ের মাঝে কতটুকু ফাঁক থাকবে?
প্রশ্ন (৩২/২৩২) : আমি আহলেহাদীছ হওয়া সত্ত্বেও আমার স্ত্রী মাযহাবী নিয়মে ছালাত আদায় করে। জনৈক আলেমকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে তিনি তালাক দেওয়ার নির্দেশনা দেন। এটা সঠিক কি? - -মাযহারুল ইসলাম শিবগঞ্জ, বগুড়া।
প্রশ্ন (১৪/৪১৪) : আত-তাহরীক পড়ে জানতে পারলাম রাসূল (ছাঃ) নূরের তৈরী নন, মাটির তৈরী। তাহলে ওছমান (রাঃ) ‘যিন নুরাইন’ বলা হয় কেন? রাসূল (ছাঃ)-এর ২ কন্যার সাথে বিবাহ হওয়ার কারণেই যদি তাকে যিন নুরাইন বলা হয় তাহলে রাসূল (ছাঃ) নূরের তৈরী। একথা কি সঠিক?
আরও
আরও
.