উত্তর : জুমআর দিন দো‘আ কবুল হওয়ার দু’টি সময়ের প্রমাণ পাওয়া যায়। (১) ইমাম ছাহেবের মিম্বারে বসা থেকে নিয়ে ছালাত শেষ হওয়া পর্যন্ত (মুসলিম, মিশকাত হা/১৩৫৭-৫৮)। (২) আছরের পর থেকে নিয়ে সূর্য ডোবা পর্যন্ত (তিরমিযী, মিশকাত হা/১৩৬০)। তবে প্রথমটিই অগ্রগণ্য (বিস্তারিত দ্রঃ ছালাতুর রাসূল (ছাঃ), পৃঃ ১০৯-১০)




বিষয়সমূহ: জুম‘আ ও ঈদ
প্রশ্ন (৩০/৩১০) : তিনি সর্বদা কোন না কোন কাজে রত আছেন (রহমান ২৯)। হে মানুষ ও জিন! আমি শীঘ্রই তোমাদের জন্য কর্ম মুক্ত হব (রহমান ৩১)। উক্ত আয়াতদ্বয়ের ব্যাখ্যা জানতে চাই।
প্রশ্ন (২৪/৩৪৪) : স্বামীর দুধপিতা কি মাহরামদের অন্তর্ভুক্ত?
প্রশ্ন (৩৪/৪৩৪) : ঋণ করে ফিৎরা দেওয়া ও কুরবানী করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১১/১৩১) : যে উদ্দেশ্য পূরণের জন্য মানত করা হয়েছিল, তা পূরণ হয়নি। এক্ষণে মানত আদায় করতে হবে কি? আর যে বস্ত্ত দান করার মানত করা হয়েছিল তার পরিবর্তে সমমানের বস্ত্ত দান করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩২/১৯২) : পীরদের মুরীদ হয়ে কত মানুষ নামাযী হচ্ছে, পাপ কাজ ছেড়ে দিচ্ছে। অথচ এইসব পীরদের সমালোচনা করায় বহু মানুষ এদের থেকে বিমুখ হয়ে পড়ছে। অতএব পীর থেকে সাধারণ মানুষকে বিমুখ করা শরী‘আতসম্মত হবে কি?
প্রশ্ন (২৯/৪২৯) : যুবতী নারীরা পূর্ণ পর্দার সাথে সুন্দর ও মার্জিত কালারের বোরক্বা ও নেকাব পরিধান করে বাইরে চলাফেরা করতে পারবে কি? এছাড়া পর্দায় থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজেদের ছবি বা ভিডিও শেয়ার করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (১৮/৩৭৮) : মাস বয়সী ছেলে রাতে আমার পোষাকে পেশাব করেছিল। সকালে ফজরের ছালাত আদায়ের পর বিষয়টি মনে এসেছে। এক্ষণে উক্ত ছালাত পুনরায় আদায় করতে হবে কি?
প্রশ্ন (৩৮/১৯৮) : ইমাম দ্বিতীয় সিজদা থেকে দাঁড়ানোর সময় কখন আল্লাহু আকবার বলবে, দাঁড়ানোর পরে নাকি উঠার সময়?
প্রশ্ন (৩৬/৪৭৬) : আমার মায়ের দুধ আমার চাচা পান করেছেন। আমি তার মেয়েকে বিবাহ করতে চাই এবং তারাও আমার কাছে বিয়ে দিতে চান। এক্ষণে এটা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২৬/১৮৬) : নানাবিধ জৈবিক পাপের ফলে বিবাহ করে স্ত্রীর হক আদায় করতে নিজেকে অক্ষম বলে মনে করি। এমতাবস্থায় বিবাহ থেকে বিরত আবশ্যক কি? বিবাহ করলে গুনাহগার হব কি?
প্রশ্ন (২১/১০১) : দেশীয় নিয়মানুযায়ী ৪০ কেজিতে এক মণ হয়। কিন্তু আমের সময় বাজারে আম বিক্রি করলে ব্যবসায়ীরা ৫০ কেজিতে এক মণ হিসাব করে। এটা কি শরী‘আত সম্মত?
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : জনৈক আলেম বলেন, সাত প্রকারের ঘুম আছে। যেমন ১. নাওমুল গাফেলীন, ওয়ায মাহফিলে ঘুমানো। ২. নাওমুল আশক্বিয়া, ছালাতের সময় ঘুমানো। ৩. নাওমুল মালঊনীন, ফজরের ছালাতের সময় ঘুমানো। ৪. নাওমুল মু‘আয্যিবীন, ফজরের আযান থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ঘুমানো। ৫. নাওমুর রাহাহ অর্থ প্রশান্তির ঘুম। এসময়ের স্বপ্ন সত্য হয়। ৬. নাওমুল মারখূছ, মাগরিব ও এশার ছালাতদ্বয়ের পরে ঘুমানো। এসময় ঘুমানোয় কোন দোষ নেই। ৭. নাওমুল হাসরাহ অর্থ ক্ষতির ঘুম। এটি হ’ল জুম‘আর রাতের ঘুম। এমন ভাগাভাগির কোন শারঈ ভিত্তি আছে কি? - -আনছারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও।
আরও
আরও
.