উত্তর : মুসলিম পিতার মৃত শিশুসন্তান জান্নাতী হবে ইনশাআল্লাহ। রাসূল (ছাঃ) বলেন, প্রত্যেক মানব সন্তান ফিৎরাতের উপর জন্মগ্রহণ করে (বুখারী ও মুসলিম, মিশকাত হা/৯০; রূম ৩০)। এছাড়া বালেগ হওয়ার পূর্বে শরী‘আতের কোন বিধান তার উপর প্রযোজ্য হয় না (আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৩২৮৭)।  ছহীহ হাদীছের ভাষ্য অনুযায়ী উক্ত সন্তান তার পিতা-মাতার জামা ধরে টানতে থাকবে। অতঃপর আল্লাহ তার পিতা-মাতাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন (মুসলিম হা/২৬৩৫)। তবে সেজন্য পিতা-মাতাকেও ফিৎরাত তথা ইসলামের উপর মৃত্যুবরণ করতে হবে। কেননা জান্নাতে প্রবেশের প্রথম শর্তই হ’ল ঈমান (মুসলিম হা/২৬, মিশকাত হা/৩৭)। মূলতঃ আল্লাহর রহমতেই পিতা-মাতা জান্নাতে যাবে। সন্তানের জামা ধরে টানাটাও আল্লাহর নির্দেশমতে হবে। কারণ আল্লাহকে বাধ্য করার কেউ নেই।






প্রশ্ন (১৬/১৬) : রামাযান মাসে সফর অবস্থায় ছিয়াম পালন থেকে বিরত থাকা যরূরী কি? - -রুস্তম আলী, পুঠিয়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৮/১৯৮) : দ্বীনে হানীফ কাকে বলে? ইবরাহীম (আঃ)-এর দ্বীনের নাম কী ছিল? উম্মী বলে কাদেরকে বুঝানো হয়েছে?
প্রশ্ন (১/২০১) : নারী-পুরুষ মাথায় মেহেদী দেওয়া অবস্থায় ছালাত আদায় করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৩২/৩১২) : আমার মা বর্তমানে সূদের ওপর নেওয়া একটি ঋণের মধ্যে আছেন। যদি তিনি এই ঋণ পরিশোধ না করেই মৃত্যুবরণ করেন, তাহ’লে এর পরিণতি কী হবে? আর তিনি পরিশোধ না করে মারা গেলে ওই ঋণ পরিশোধ করা পরিবারের জন্য আবশ্যক হবে কি?
প্রশ্ন (৩১/৪৭১) : প্রতিদিন সূরা ইখলাছ ২০০ বার পড়লে ৫০ বছরের পাপ ক্ষমা হয়ে যায়। শুধু ঋণ মাফ হয় না হাদীছটি কি ছহীহ? - - আব্দুল করীম, মান্দা, নওগাঁ।
প্রশ্ন (৩১/৩১১) : পুরুষদের জন্য হাতে বা নখে মেহেদী মাখা শরী‘আতসম্মত হবে কি?
প্রশ্ন (২৭/২৭) : ঔষধ দিয়ে পোকা-মাকড়, পিঁপড়া, মাছি, তেলাপোকা মারা যাবে কি? অনেকে এগুলোকে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে মারে। এটা কি শরী‘আত সম্মত?
প্রশ্ন (৩৫/৭৫) : অনেক মসজিদে লেখা দেখা যায়, লাল বাতি জ্বললে কেউ সুন্নাতের নিয়ত করবেন না। এভাবে লেখা কি শরী‘আত সম্মত? - -আব্দুস সাত্তার, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ।
প্রশ্ন (৪/৮৪) : আমার সৎমা আমার সহোদর ভাইয়ের ছেলেকে দুধ পান করিয়েছেন। তিনি কত ঢোক পান করিয়েছেন এ নিয়ে তার সন্দেহ আছে। একারণে কি তিনি মাহরাম সাব্যস্ত হবেন? কারণ আমার এই ভাইপো আমার মেয়েকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছে। এ বিষয়ে সঠিক সমাধান জানতে চাই। - -আব্দুল মজীদ, ঝিকরগাছা, যশোর।
প্রশ্ন (৩৭/৭৭) : আমি এক লাখ টাকা দিয়ে এক বিঘা জমি বন্ধক নিয়ে ১ বছর জমিতে ফসল ফলিয়ে ফসল ভোগ করলাম। জমির মালিক ১ বছর পর টাকা ফেরত দিলে আমি তার জমি ফেরত দিলাম। উক্ত টাকা ফেরত দেবার সময় জমির মালিক জমি ব্যবহার বাবদ আমাকে এক বা দুই হাযার টাকা কম দেন (বন্ধক নেওয়ার সময় চুক্তি অনুযায়ী)। এই প্রকারের জমি বন্ধক সূদ হবে কি-না? দ্বিতীয়তঃ আমি উক্ত বন্ধক নেওয়া জমি যদি নিজে চাষ না করি বরং জমির মালিককে বা অন্যকে লিজ দেই এবং তার পরিবর্তে বছরে ১২,০০০/- টাকা নেই সেটা সূদ হবে কি-না? (উল্লেখ্য, বর্তমান আমাদের এলাকায় বিষয়টি এমনভাবে প্রচলিত আছে যে, উক্ত বন্ধক নেওয়া জমি মূল মালিককেই চাষ করতে দেওয়া হয়। সেক্ষেত্রে তাকে বন্ধক বাবদ প্রাপ্য টাকা থেকে ১২,০০০/- টাকা কম দেওয়া হয়। অর্থাৎ মালিককে এক লাখ টাকার বদলে ৮৮,০০০/- টাকা প্রদান করা হয় এবং জমি চাষাবাদ করতে দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে হুকুম কি? বিস্তারিত জানতে চাই।)
প্রশ্ন (৮/২৮৮) : ইমাম রুকূতে যাওয়া অবস্থায় জামা‘আতে শরীক হ’লে সূরা ফাতিহা পড়ে শরীক হ’তে হবে, না ইমাম যে অবস্থায় আছেন সে অবস্থায় শরীক হ’তে হবে?
প্রশ্ন (১৮/১৩৮) : অতীতের গোনাহের জন্যে ক্ষমা চেয়ে তওবা করে ফিরে আসার পর ঐ গোনাহ নিয়ে কেউ জিজ্ঞাসা করলে তাকে সত্য বলা উচিত কি? নাকি এড়িয়ে গিয়ে নিজের গোনাহ লুকানো উচিত?
আরও
আরও
.