উত্তর : রাসূল (ছাঃ)-এর সম্মতি লাভ করা কথাটি সঠিক নয়। অনুরূপ ‘রাসূল (ছাঃ)-এর পবিত্র রওযা’ একথা বলা মারাত্মক অন্যায়। কারণ রাসূল (ছাঃ)-এর মিম্বার এবং তাঁর বাড়ির মাঝের স্থানকে ‘জান্নাতের রওযা’ বলা হয়েছে (বুখারী হা/১১৯৫; মিশকাত হা/৬৯৪)

প্রশ্নে উল্লেখিত বিষয়ে উত্তর এই যে, ইমান বুখারী বলেন, আমি আমার এই কিতাব মসজিদুল হারামে বসে রচনা করেছি এবং আমি সেখানে কোন হাদীছ প্রবেশ করাইনি যতক্ষণ না আমি ইস্তিখারাহর দু’রাক‘আত নফল ছালাত আদায় করেছি এবং হাদীছটি বিশুদ্ধ হওয়ার ব্যাপারে নিশ্চয়তা লাভ করেছি। ভাষ্যকার ইবনু হাজার আসক্বালানী বলেন, এর অর্থ এই হ’তে পারে যে, তিনি প্রথমে দেশে বসে এটি সংকলন করেন। অতঃপর এটির রচনা ও অনুচ্ছেদ সমূহ বিন্যস্ত করেন মাসজিদুল হারামে বসে। এরপরে তিনি হাদীছ সমূহের তাখরীজ বা বিশুদ্ধতা যাচাই করেছেন নিজের দেশে বা অন্যত্র গিয়ে। যেটা তাঁর কথায় বুঝা যায় যে, তিনি সেখানে ১৬ বছর অবস্থান করেছিলেন। কেননা তিনি এই দীর্ঘ সময়ের পুরাটা মক্কায় কাটাননি’। ইবনু ‘আদী একদল বিদ্বান থেকে বর্ণনা করেন যে, ইমাম বুখারী তাঁর কিতাবের ‘শিরোনাম সমূহ’ (تراجم) নির্ধারণ করেছিলেন রাসূল (ছাঃ)-এর কবর ও মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থানে বসে। এ সময় তিনি প্রতিটি শিরোনামের জন্য দু’রাক‘আত করে ছালাত আদায় করেন। ভাষ্যকার ইবনু হাজার বলেন, পূর্বের সাথে এটির কোন বৈপরীত্য নেই। কেননা হ’তে পারে তিনি প্রথমে এগুলির খসড়া প্রস্ত্তত করেছিলেন। অতঃপর এখানে বসে চূড়ান্ত করেন (ফাৎহুল বারীর ‘ভূমিকা’ খন্ড (কায়রো : দারুর রাইয়ান ২য় সংস্করণ ১৪০৭/১৯৮৭) ৫১৩-১৪ পৃঃ)






প্রশ্ন (১০/৪১০) : রাসূল (ছাঃ) মি‘রাজের রাত্রিতে জাহান্নামীদের বিভিন্ন ধরনের শাস্তি প্রত্যক্ষ করেছেন। প্রশ্ন হ’ল- এখনও তো ক্বিয়ামত শুরু হয়নি। তাহ’লে রাসূল (ছাঃ)-কে এসব দৃশ্য কিভাবে দেখানো হ’ল?
প্রশ্ন (৩৭/৩৭) : ইজতিহাদী মাসআলার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোন বিশুদ্ধ আক্বীদা ও আমল সম্পন্ন আলেমের সিদ্ধান্তকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় শারঈ কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৬/১১৬) : একজন হিন্দু মেয়ে আমার সাথে বিয়ে করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে চায়। সে এখন বাংলাদেশের একটি প্রথম সারির বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করছে। রাষ্ট্রীয়ভাবে ধর্ম পরিবর্তন করতে হ’লে অনেক নিয়ম-পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে যা এখন কষ্টসাধ্য এবং প্রায় অসম্ভব। তবে আমরা দু’জনে আল্লাহর রহমতে নিজেদের ব্যয়ভার মেটানোর মত সামর্থ্য অর্জন করলেই বিষয়টা সবাইকে জানিয়ে দিব। এমতাস্থায় যদি কোন আলেমের কাছে গিয়ে ধর্মপরিবর্তন করে স্বাক্ষীসহ বিয়ে করি তাহ’লে জায়েয হবে কি? অথবা ইসলামিক নিয়মানুযায়ী কিভাবে বিয়ে করতে পারি বা কোন উপায় আছে কি যেখানে তার আত্মীয়-স্বজনকে না জানিয়ে বিয়ে করা যাবে?
প্রশ্ন (৩৪/১১৪) : স্যান্ডো গেঞ্জীর সাথে পাতলা জামা পরিধান করলে কাঁধ স্পষ্টভাবে ফুটে উঠে। এতে ছালাতের কোন ক্ষতি হবে কি? - -আব্দুল ওয়াদূদ, বাগমারা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১৫/২৫৫) : আমি ও আমার পরিবার বর্তমানে ইংল্যান্ডে বসবাস করছি। আমার জন্য ফিৎরা কোথায় প্রদান করা বেশী উত্তম হবে? ইংল্যান্ডে না-কি বাংলাদেশে? যদি বাংলাদেশে দিতে হয় তাহ’লে কিভাবে তা আদায় করব?
প্রশ্ন (৮/১২৮): অদ্ভুত আকৃতির ৪ জন ফেরেশতা কাঁধে করে আরশে আযীম বহন করছেন। ১ম জনের আকৃতি শকুনের মত, ৪র্থ জনের আকৃতি গাভীর মত। এ কাহিনী কি সত্য?
প্রশ্ন (৮/৪৮) : আমরা দুই ভাই শেয়ারে একটি ভাটায় কাজ নিয়েছিলাম। এখন সে আমার হিসাবে ৩ লক্ষেরও অধিক টাকার কোন হিসাব দেয়নি। আমি চাইলেও তাকে মন থেকে ক্ষমা করতে পারি না। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (১১/২৫১) : সূদী ব্যাংকে চাকুরীর বেতন ছাড়া অন্য আয় নেই। ঐ বেতনের টাকা দিয়ে হজ্জ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৪/৪৩৪) : আমি শুনেছি ঋণের গুনাহ আল্লাহ ক্ষমা করবেন না। কিন্তু আমি অনেক টাকা ঋণী হয়ে আছি, যা পরিশোধ করার মত কোন সম্পদ আমার নেই। এক্ষণে আমার করণীয় কি? - -যহূরুল ইসলাম, রংপুর।
প্রশ্ন (১৬/২৯৬) : হানাফী মাযহাবের ভাইয়েরা বলেন যে, ফিক্বহ শাস্ত্রের উৎপত্তি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর যুগে হয়েছে। দলীল হিসাবে বলেন, একবার মু‘আয ইবনু জাবালকে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ইয়ামনে গভর্ণর করে পাঠালেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, কিভাবে বিচার করবে? তিনি বললেন, কুরআন দ্বারা। রাসূল (ছাঃ) বললেন, কুরআনে না পেলে? তিনি বললেন, হাদীছ দ্বারা। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, হাদীছে না পেলে? তিনি বললেন, আমি আমার রায় দ্বারা ইজতিহাদ করব। তখন তিনি তার উপর খুশী হ’লেন। এ হাদীছ কি ছহীহ?
প্রশ্ন (৩১/১৫১) : জনৈক আলেম বলেন, ছালাতে ‘হুযূরে ক্বলব’ না থাকলে ছালাত কবুল হবে না। আর এর অর্থ হ’ল, ‘ছালাতের মাঝে পীরের ধ্যান করা’। উক্ত দাবী কি সঠিক?
প্রশ্ন (২/২) : প্রথম স্বামী মারা যাওয়ার পর দ্বিতীয় বিয়ে করে উভয় স্বামী যদি জান্নাতী হয়, তাহ’লে আমি কোন স্বামীকে পাব?
আরও
আরও
.