উত্তর : হাই উঠার সময় কোন দো‘আ পড়তে হবে না। বরং এসময় ‘হা’ করে শব্দ না করে মুখে হাত দিয়ে চেপে রাখতে হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যখন তোমাদের কারো হাই আসে তখন সে যেন স্বীয় হাত দ্বারা নিজের মুখ বন্ধ করে রাখে। কেননা শয়তান মুখের ভিতর প্রবেশ করে’ (মুসলিম হা/২৯৯৫; মিশকাত হা/৪৭৩৭)। উল্লেখ্য যে, এসময় ‘লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ বা ‘আসতাগফিরুল্লাহ’ বলার কোন দলীল নেই (দ্রষ্টব্য : ফাৎহুল বারী হা/৬২২৬-এর ব্যাখ্যা; উছায়মীন, লিকাউল বাবিল মাফতূহ)। এছাড়া ছালাত অবস্থায় হাঁচি-কাশির শব্দ চেপে রাখতে হবে। কেননা তা অন্যের মনোযোগে বিঘ্ন ঘটায়।






প্রশ্ন (৭/৪৭) : ঈদের মাঠ পাকা করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২১/৪২১) : সুন্নাত ছালাতে সিজদায় গিয়ে কুরআনের আয়াত দ্বারা দো‘আ করা যাবে কি? ছালাতের মধ্যে আমি মন খুলে কিভাবে দো‘আ করব?
প্রশ্ন (১৮/৪১৮) : ঝড়-তুফানের সময় আযান দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১৮/৫৮) : জনৈক আলেম বলেন, ওযূ শেষে সূরা ক্বদর একবার পড়লে ছিদ্দীকের অন্তর্ভুক্ত হওয়া যাবে, দু’বার পড়লে শহীদের তালিকায় নাম লেখা হবে, আর তিনবার পড়লে নবীদের সাথে হাশর হবে। শরী‘আতে উক্ত বক্তব্যের কোন ভিত্তি আছে কি?
প্রশ্ন (৪/৪৪) : সূরা রহমানের ‘ফাবিআইয়ে আলা-ই রবিবকুমা তুকাযযিবান’ পাঠ করার পর বা শোনার পর প্রতিবার কি ‘লা বি শায়ইন মিন নি‘আমিকা রববানা নুকাযি্যবু ফালাকাল হাম্দ’ বলতে হবে? - -আবুল হোসাইন, লালপুর, নাটোর।
প্রশ্ন (১৯/১৩৯) : প্রতিবেশীর হক কি মুসলিম ও অমুসলিম উভয় প্রতিবেশীর জন্য সমান?
প্রশ্ন (৩৫/৩১৫) : ক্বিয়ামতের দিন হাশরের মাঠে প্রত্যেক মানুষ তার নিজ পাপের সমপরিমাণ ঘামের মধ্যে নিমজ্জিত থাকবে। এ হাদীছটি কি ছহীহ?
প্রশ্ন (৩৩/৩৯৩) : হাদীছে ইতিকাফ অবস্থায় প্রয়োজন ব্যতীত ই’তিকাফস্থল থেকে বের হ’তে নিষেধ করা হয়েছে। এক্ষণে কি কি প্রয়োজন এর অন্তর্ভুক্ত হবে? - -সোহেল, কামারখন্দ, সিরাজগঞ্জ।
প্রশ্ন (৩৯/৩৫৯) জনৈক আলেম বলেন, রাসূল (ছাঃ) কবরে জীবিত থাকার প্রমাণ হল, তিনি সেখানে সকল সালামের জবাব দেন এবং সালাম তাঁর কাছে পৌছানোর জন্য একদল ফেরেশতা নিয়োজিত রয়েছে। উক্ত বক্তব্যের কোন ভিত্তি আছে কি?
প্রশ্ন (২৯/২২৯) : প্রতিবাদের নামে রাস্তার উপর কষ্টদায়ক বস্ত্ত যেমন ময়লা-আবর্জনা ফেলে রাখা, গাছ কেটে ফেলে রাখা, গর্ত করা, প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা ইত্যাদি জায়েয হবে কি? - শফীকুল ইসলাম জামিরা, পুঠিয়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৪/৪৩৪) : জনৈক আলেম বলেন, কোন নারী যদি কাউকে বালেগ হওয়ার পরেও স্বীয় দুগ্ধ পান করায়, সে উক্ত নারীর জন্য হারাম হয়ে যাবে। এর সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (৯/৩৬৯) : ছিয়াম অবস্থায় ভুল করে ঝগড়ায় জড়িয়ে পড়েছিলাম। পরে অনুতপ্ত হয়ে আল্লাহর কাছে তওবা করেছি। এক্ষেত্রে কি আমার ছিয়াম ভঙ্গ হয়ে গেছে? কাফফারা বা কাযা করতে হবে কি?
আরও
আরও
.