উত্তর : উক্ত কালেমাগুলো এক সাথে একশবার করে পাঠের কোন ফযীলত বর্ণিত হয়নি। তবে পৃথক পৃথকভাবে পড়ার ফযীলত বর্ণিত হয়েছে। যেমন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি প্রতিদিন ১০০ বার ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি’ বলবে, তার গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে, যদিও তা সাগরের ফেনার মত হয়’ (বুখারী হা/৬৪০৫; মুসলিম হা/২৬৯১)। অন্য বর্ণনায় এসেছে, ‘আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় কথা চারটি- সুবহানাল্লাহ, আলহামদুলিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার’ (মুসলিম হা/২১৩৭)। তিনি আরো বলেন, ‘যে ব্যক্তি দিনে একশ’ বার বলবে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ওয়াহদাহু লা শারীকা লাহু, লাহুল-মুলকু, ওয়া লাহুল-হামদু, ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন ক্বাদীর’ (আল্লাহ ছাড়া কোন উপাস্য নেই, তিনি এক, তাঁর কোন অংশীদার নেই, সমস্ত রাজত্ব তাঁরই, সমস্ত প্রশংসা তাঁর জন্য এবং তিনি সবকিছুর উপর সর্বশক্তিমান) তাহ’লে তার জন্য থাকবে দশজন দাস মুক্ত করার সমান ছওয়াব, তার নামে একশ’ নেকী লেখা হবে, একশ’ গুনাহ মুছে দেওয়া হবে, সেদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত শয়তানের হাত থেকে সুরক্ষিত থাকবে। আর কেউ এর চেয়ে উত্তম কিছু আনতে পারবে না, শুধু সেই ব্যক্তি ছাড়া যে এর চেয়ে বেশী আমল করেছে’ (বুখারী হা/৩২৯৩; মুসলিম হা/২৬৯১; মিশকাত হা/২৩০২)।
প্রশ্নকারী : আ‘রাফ, তংকাশিব পুর, নওগাঁ।