উত্তর : উক্ত কারণ ওযূ ভেঙ্গে যাবে মর্মে স্পষ্ট কোন দলীল পাওয়া যায় না। সেকারণ ইমাম মালেক (রহঃ) এর দ্বারা ওযূ ভঙ্গ হবে না বলেছেন। আর ‘দুই রাস্তা দিয়ে কিছু বের হ’লে ওযূ নষ্ট হবে’ মর্মে বর্ণিত মূলনীতি দ্বারা কেবল পায়খানা ও পেশাবকে বুঝানো হয়েছে। বায়ু নিঃসরণ এবং মনী, মযী ও অদী বের হওয়ার কারণে ওযূ বিনষ্ট হওয়ার বিষয়ে স্পষ্ট হাদীছ রয়েছে (উছায়মীন, আল লিক্বাউশ শাহরী ৪৫/১৩; আলবানী, সিলসিলাতুল হুদা টেপ নং ২৪০)






প্রশ্ন (১৯/৯৯) : মৃত ব্যক্তির নামে কুরবানী করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৭/১২৭) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, কোন ব্যক্তি ওয়ায মাহফিলে যাওয়ার ইচ্ছা করে সামনের পা বাড়িয়ে পিছনের পা তোলার আগেই সকল গোনাহ মাফ হয়ে যায়। একথার কোন সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (৩০/৪৩০) : আমাদের মসজিদের ইমাম ছাহেব ছালাতে একটি সিজদা ছুটে গেলে পরবর্তীতে পুরো রাক‘আত পড়ার ব্যাপারে বলা হ’লেও কেবল সাহো সিজদা দিয়ে শেষ করেছেন। এক্ষণে মুছল্লীদের জন্য করণীয় কি? - -সজীব আলী, শ্যামপুর, মেহেরপুর।
প্রশ্ন (১৩/২১৩) : স্বামী স্ত্রীকে দু’বার তালাক প্রদানের পর তাকে বারবার খোলা করার প্রস্তাব দিলে স্ত্রীর জন্য করণীয় কি?
প্রশ্ন (১৯/১৭৯) : কোন হালাল প্রাণী সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেলে তার গোশত খাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৮/১৫৮) : সম্প্রতি আমার স্বামী মারা গেছেন। কিন্তু কয়েকটি সন্তানের মা ও পরিবারের সকল কাজের দায়িত্বশীল হওয়ায় এবং স্বামী মৃত্যুর পর পরিবারের সার্বিক ব্যবস্থাপনা করতে বাধ্য হওয়ায় ইদ্দত পালন করার সুযোগ হয়নি। এক্ষণে তার মৃত্যুর চারমাস পর ইদ্দত শুরু করা যাবে কি? - -ফাতেমা, মোহনপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৮/৩১৮) : বর্তমানে বিজ্ঞানের উন্নতির ফলে একজনের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অন্য জনের শরীরে প্রতিস্থাপন করা যায়। কারো কিডনী নষ্ট হলে অন্যের দুটি কিডনীর একটি প্রতিস্থাপন করা হচ্ছে। এক্ষণে জীবদ্দশায় বা মৃত্যুর পর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দান করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৫/২৪৫) : শুনেছি কফিতে ক্যাফেইন নামক ক্ষতিকর মাদক থাকে। এটি খাওয়া যাবে কি? - -বদরুল মীম, ঢাকা।
প্রশ্ন (৮/২০৮) : আমাদের মসজিদের ইমাম ছাহেব রজব মাসের বিশেষ ছালাত-ছিয়ামসহ বিভিন্ন ইবাদতের গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তর আলোচনা পেশ করেছেন। এসব ইবাদত পালন করা যাবে কি? - -ফরীদ হাসান, মুর্শিদাবাদ, ভারত।
প্রশ্ন (১/২০১) : আমরা শুনেছি যে, পবিত্র কুরআনে নাকি নারী-পুরুষ আল্লাহর নিকট সমান এ কথা বলা হয়েছে। অপরদিকে হাদীছে পিতার চেয়ে মাতার অধিকার বেশী বলা হয়েছে। কিন্তু আক্বীক্বার ক্ষেত্রে দেখা যায় তার উল্টো। অর্থাৎ ছেলের জন্য ২টি আক্বীক্বা, আর মেয়ের জন্য ১টি। এখানে কার অধিকারকে অগ্রাধিকার দেওয়া হ’ল?
প্রশ্ন (১১/৪৫১) : চুল পড়ে যাওয়ার কারণে নতুন চুল গজানোর জন্য যে চিকিৎসা গ্রহণ করা হয় তা কি শরী‘আত সম্মত?
প্রশ্ন (৩৯/৭৯) : ইবনু তায়মিয়াহ (রহ.) কি যুক্তি ও অহি একে অপরের উপর নির্ভরশীল বলে মত দিয়েছেন? কথাটি কি সঠিক?
আরও
আরও
.