উত্তর : এটি সম্পূর্ণরূপে শরী‘আত বিরোধী কাজ এবং অমুসলিমদের অনুকরণে সৃষ্ট। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন, ‘যে ব্যক্তি যে সম্প্রদায়ের সাদৃশ্য অবলম্বন করবে, সে ব্যক্তি সেই সম্প্রদায়ের অন্তর্ভুক্ত বলে গণ্য হবে’ (আহমাদ, আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৩৪৭ ‘পোষাক’ অধ্যায়)। ‘কিছু লোক যা করে, যেমন শহীদ বা নেতাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে কিংবা তাদের আত্মার প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান জানাতে এবং শোক প্রকাশের জন্য নীরবে কিছু সময় দাঁড়িয়ে থাকা ইসলামে নিষিদ্ধ কাজ ও বিদ‘আতী রীতি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর যুগে, তাঁর ছাহাবীদের যুগে কিংবা সালাফদের যুগে এর কোন অস্তিত্ব ছিল না।..... আর ইসলামে মৃতদের অধিকার হিসাবে যা পরিচিত তা হ’ল মুসলিম মৃতদের জন্য দো‘আ করা, তাদের পক্ষ থেকে ছাদাক্বা করা, তাদের উত্তম দিকগুলো বর্ণনা করা এবং তাদের মন্দ দিকগুলো থেকে বিরত থাকা। এছাড়া আরও অনেক আদব আছে, যা ইসলাম সুস্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করেছে এবং মুসলমানকে তার জীবিত ও মৃত ভাইদের সাথে তা মেনে চলতে উৎসাহিত করেছে। কিন্তু এর মধ্যে শহীদ বা নেতাদের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে নীরবে দাঁড়িয়ে শোক প্রকাশ করার বিষয়টি নেই। বরং এটি ইসলামের মৌলিক নীতিমালার পরিপন্থী’ (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ২/৪২৭)। সুতরাং এই বিদ‘আতী কুসংস্কারকে আমাদের অবশ্যই বর্জন করতে হবে।
প্রশ্নকারী : ফারূক হোসাইন, মান্দা, নওগাঁ।