উত্তর : উক্ত মর্মের বর্ণনাটি জাল। যা শী‘আ রাফেযীরা আলী (রাঃ)-এর প্রতি অতিভক্তির আতিশয্যে তৈরী করেছে (সিলসিলা যঈফাহ হা/৪৯২১)। ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, কতিপয় মহামিথ্যুক বর্ণনা করেছে যে, আলী (রাঃ) ছালাতরত অবস্থায় হাতের আংটি দান করলে সূরা মায়েদাহ ৫৫ আয়াতটি নাযিল হয় (মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৩/৩৫৯)। এক্ষণে উক্ত আয়াতের অর্থ দাঁড়াবে ‘তোমাদের বন্ধু তো আল্লাহ, তাঁর রাসূল ও মুমিনগণ। যারা ছালাত কায়েম করে, যাকাত আদায় করে এবং তারা হয় বিনয়ী’ (মায়েদাহ ৫/৫৫)। অর্থাৎ যারা কোনরূপ ভীতি, শ্রুতি ও প্রদর্শনী ছাড়াই স্রেফ আল্লাহর রেযামন্দী হাছিলের জন্য বিনীতভাবে ছালাত কায়েম করে ও যাকাত আদায় করে।






প্রশ্ন (২০/১৪০) : শরী‘আতে বার্ধক্যের কোন চিকিৎসা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৬/১১৬) : ছহীহ হাদীছের আলোকে মৃত ব্যক্তিকে গোসল, কাফন-দাফন ও খাটিয়া বহনের ফযীলত সম্পর্কে জানতে চাই। - -আব্দুল্লাহিল কাফী, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৫/২৬৫) : রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন কুরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে শুরু করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৮/২৭৮) : মাওলানা আকরম খাঁ ও সৈয়দ আহমাদ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর সীনা চাক বা বক্ষবিদারণ বিষয়টিকে অযৌক্তিক বলে আখ্যায়িত করেছেন। এর সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৬/৩৫৬) : সালাম ফিরানোর সময় চোখ কোন দিকে থাকবে? কাঁধের দিকে না যেকোন স্থানে? বিস্তারিত জানতে চাই।
প্রশ্ন (২৬/১০৬) : সাত বছর যাবৎ সংসার করার পরও স্বামীর সাথে জনৈক স্ত্রীর বনিবনা হয় না। মাঝে মাঝে ঝগড়া হ’লে স্বামী তালাক দেয়, আবার ক্ষমা চেয়ে নেয়। স্ত্রী ডিভোর্স চায় কিন্তু স্বামী রাযী হয় না। এক্ষণে উক্ত স্ত্রীর করণীয় কি?
প্রশ্ন (২৭/১৪৭) : কুরআন মাজীদ মুখস্থ পড়ায় এক হাযার এবং দেখে পড়ায় দুই হাযার নেকী হয়। এর সত্যতা আছে কি? - -মহীউদ্দীন, তালা, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (৩৯/২৩৯) : আদম (আঃ) পৃথিবীতে কত ধাপে আগমন করেছিলেন? - -আসাদুয্যামান, গাযীপুর, ঢাকা।
প্রশ্ন (৫/৮৫) : আমি পেশায় একজন দর্জি। প্রবাস থেকে আমার পরিচিত একজন কিছু জামা বানিয়ে দিতে বলল। প্রশ্ন হচ্ছে আমি অল্প দামে বাজার থেকে কাপড় কিনে তার কাছ থেকে বেশী দাম নিতে পারব কি?
প্রশ্ন (২/১২২) : রজব মাসের বিশেষ ছালাত-ছিয়ামসহ বিভিন্ন ইবাদতের গুরুত্ব সম্পর্কে জানা যায়। এসব ইবাদত পালন করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৯/৯৯) : মসজিদের বারান্দায় মাইকে আযান না দিয়ে ইমামের পাশে মাইকে আযান দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (২২/২২২) : বর্ণিত আছে যে, খলীফা থাকাকালীন সময়ে ওমর (রাঃ) সন্তানদের জন্য ঈদের কাপড় ক্রয় করতে না পেরে বায়তুল মাল-এর প্রধান আবু ওবায়দা (রাঃ)-কে তার এক মাসের অগ্রিম বেতন দেয়ার জন্য চিঠি পাঠান। পত্র পেয়ে তিনি অশ্রুসিক্ত হ’লেও উত্তর লিখলেন যে, অগ্রিম বেতন বরাদ্দের জন্য দু’টি বিষয় বিবেচনা করতে হবে। প্রথমতঃ আগামী মাস পর্যন্ত আপনি বেঁচে থাকবেন কি-না? দ্বিতীয়তঃ বেঁচে থাকলেও মুসলমানেরা আপনাকে খিলাফতের দায়িত্বে বহাল রাখবে কি-না? উত্তর পাঠ করে ওমর (রাঃ) এত বেশী ক্রন্দন করেন যে তাঁর দাড়ি ভিজে গেল। তিনি আবু ওবায়দার জন্য আল্লাহর নিকটে রহমত ও হায়াত বৃদ্ধির জন্য দো‘আ করলেন। ফলে আর ঈদের কাপড়ও কেনা হ’ল না। এ ঘটনার সত্যতা আছে কি? - নাছিরুদ্দীন, মিরপুর, ঢাকা।
আরও
আরও
.