উত্তর : প্রশ্নে বর্ণিত অবস্থায় ‘খোলা’ কার্যকর হয়েছে। ‘খোলা’ তথা বিবাহ বিচ্ছেদ যা নারীর পক্ষ থেকে হয় স্বামীকে মোহর বা মোহরের অংশবিশেষ ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৮/১৮১; শাওকানী, নায়লুল আওতার ৬/২৯৫) কারণ ‘খোলা’ তালাক নয় বরং বিবাহ বিচ্ছেদ। স্ত্রী স্বামী বা তার পরিবারের অনিষ্ট থেকে রক্ষা পেতে ‘খোলা’ করে থাকে (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ৩৩/২১; উছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘১২/৪৬৯)। এক্ষণে স্বামী কোন টালবাহানা করলে আদালতের মাধ্যমে ‘খোলা’ করতে পারবে এবং তা কার্যকর হবে (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২১/২৬০)। ‘খোলা’ কারিণী স্ত্রীর ইদ্দত হ’ল এক ঋতুকাল (আবুদাঊদ হা/২২২৯; হাকেম হা/২৮২৫, সনদ ছহীহ)। আর স্ত্রী গর্ভবতী হ’লে তার ইদ্দত হ’ল সন্তান প্রসব করা পর্যন্ত (তালাক ৬৫/৪)

প্রশ্নকারী : মুহাম্মাদ মুহসিন হক, খুলনা।







বিষয়সমূহ: বিবাহ ও তালাক
প্রশ্ন (১০/৫০) : রামাযান মাসে আমি গর্ভবতী থাকায় ছিয়াম পালন থেকে বিরত ছিলাম। এই সুবাদে আমার স্বামী আমার অনিচ্ছা সত্ত্বেও দিনের বেলা মিলন করে। আমরা এখন অনুতপ্ত আমাদের করণীয় কী?
প্রশ্ন (২৪/৪৬৪): একজন কুরআনের হাফেয কি একজন আলেমের চেয়ে অধিক মর্যাদাবান? উভয়ের উপস্থিতিতে কে ইমামতি করবেন?
প্রশ্ন (২৭/৩৪৭) : খাওয়ার সময় সালাম আদান-প্রদান বা প্রয়োজনীয় কথাবার্তা বলা যাবে কি ? - -মেহেদী হাসানহিরণ, কোটালীপাড়া, গোপালগঞ্জ।
প্রশ্ন (১৩/৩৩৩) : বর্তমানে শরী‘আত বিরোধী বিভিন্ন অনুষ্ঠানের শুরুতে কুরআন তেলাওয়াত করা হচ্ছে। এ সমস্ত স্থানে কুরআন তেলাওয়াত করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৩/২৫৩) : জুম‘আর খুৎবার সময়ে ইমাম কোন প্রশ্ন করলে মুছল্লীরা উত্তর দিতে পারবে কি?
প্রশ্ন (২৭/২৭) : আত্মীয়দের মধ্যে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া থেকে রাসূল (ছাঃ) নিরুৎসাহিত করেছেন কি? করে থাকলে এর তাৎপর্য কি?
প্রশ্ন (৩৭/৩৯৭) : রাফঊল ইয়াদায়েন মানসূখ হওয়ার কোন দলীল আছে কি?
প্রশ্ন (৩৭/১১৭) : অনেক গৃহকর্তা বা কত্রী কাজের মানুষদের সাথে দাস-দাসীর ন্যায় আচরণ করে থাকে এবং তাদের অনেক নীচু পর্যায়ের বলে মনে করে। তাদেরকে নিম্ন মানের পোষাক, খাবার, আবাসস্থল প্রদান করে। এক্ষণে এরূপ আচরণের পরিণাম এবং এদের সাথে আচরণ কেমন হওয়া উচিত সে সম্পর্কে জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৮/৫৮) : যারা ছালাত পড়ে না, তাদের সালাম না দিলে গুনাহগার হ’তে হবে কি? - -মুকাররম হোসাইন, বায়পুরা, নরসিংদী।
প্রশ্ন (২৮/৪২৮) : আমরা জানি, মেঘের উপরে থাকে পজিটিভ চার্জ আর নীচে থাকে নেগেটিভ চার্জ। যেহেতু বিপরীতধর্মী চার্জ পরস্পরকে আকর্ষণ করে। তাই এই পজিটিভ চার্জ ও নেগেটিভ চার্জ পরস্পরের সংস্পর্শে আসলে উপর থেকে নীচের দিকে চার্জের নির্গমন ঘটে। এর ফলে শক্তির নিঃসরণ ঘটে, শব্দ হয় ও আলোর ঝলকানি সৃষ্টি হয়। কিন্তু হাদীছে (তিরমিযী হা/৩১১৭) এই শব্দকে ফেরেশতাদের হাকডাক বলা হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে, এ হাকডাক দিয়েই মেঘমালাকে নির্দিষ্ট দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে চাই।
প্রশ্ন (৬/৬) : সফরে ৩ জনে মিলে কুরবানী করলে গোশত কি ৩ ভাগ না ৭ ভাগ করতে হবে? - -শারাফাত, ঢাকা।
প্রশ্ন (২৮/২৬৮) : আমাদের গ্রামে অনেকেই শুক্রবারে ছিয়াম রাখেন। এ ব্যাপারে শরী‘আতের নির্দেশনা কি?
আরও
আরও
.