উত্তর : পেশাবে সিক্ত বিছানা ভালোভাবে শুকিয়ে যাওয়ার পর তাতে শয়ন করলে কাপড় বা দেহ নাপাক হবে না (ছালেহ ফাওযান, আল-মুনতাক্বা ৪৮/১৮; ফাতাওয়াল মারআতিল মুসলিমাহ ১/১৯৪)। কিন্তু নাপাক বিছানায় শুয়ে ঘেমে গেলে এবং পেশাবযুক্ত বিছানাকে সিক্ত করলে দেহ নাপাক হবে (হায়তামী, তোহফাতুল মুহতাজ ৩/৩০)। ছালাতের জন্য স্থান পবিত্র হওয়া শর্ত। অতএব পেশাবযুক্ত বিছানার উপর আলাদা কাপড় বা মুছাল্লা বিছিয়ে তাতে ছালাত আদায় করা যাবে (বিন বায, ফাতাওয়া ওয়াদ দুরূস ৮/২)। তবে সর্বাবস্থায় অধিকতর পবিত্র স্থানে ছালাত আদায়ের চেষ্টা করবে (নববী, আল-মাজমূ৩/১৫৮)

প্রশ্নকারী : আসাদুযযামানমোহনপুররাজশাহী।







বিষয়সমূহ: তাহারাত-পবিত্রতা
প্রশ্ন (৩৫/৩৫৫) : এমন কোন আমল আছে কি যার দ্বারা কবরের চাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়? জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২৫/৪২৫) : শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অমুসলিম শিক্ষার্থীরা তাদের উপাসনালয় নির্মাণের আবেদন করে মিছিল-মিটিং করছে। এমতাবস্থায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩১/৪৩১) : আমাদের মসজিদের নিচে তিনটি কবর (২টি ৩৫ বছর ও ১টি ১৮ বছর পূর্বের) রয়েছে। মসজিদ পাকা করার সময় এগুলির উপর ৪ ফুট বালি ভরাট দিয়ে তার উপর মসজিদ করা হয়। এক্ষণে উক্ত মসজিদে ছালাত হবে কি? - রাজীব হাওলাদার কবিরাজপুর, মাদারীপুর।
প্রশ্ন (২৪/৪২৪) : আমাদের সমাজে নারী-পুরুষ সম্পর্ক করে অশ্লীল কাজে জড়িয়ে পড়ছে। পরে অনেকের বিবাহ হচ্ছে, অনেকের হয় না। এর পরিণতি কি?
প্রশ্ন (৯/২৪৯) : হজ্জের সফরে আরাফার দিনে গোসল করা কি সুন্নাত? - -মুশতাক আহমাদ, মোহনপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৩/২২৩) : রাবে‘আ বছরী সম্পর্কে জানতে চাই। - -ফাহীমা, কলারোয়া, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (৩০/৩১০) : আমাদের দেশে তৃতীয় পক্ষ থেকে উকীল নিয়োগ করে উক্ত ‘উকীল বাবা’র মাধ্যমে বিবাহ পড়ানো হয়। এটা কতটুকু শরী‘আত সম্মত?
প্রশ্ন (১৫/৯৫) : অসুখের জন্য দো‘আ চাইতে গেলে জনৈক আলেম সূরা ফাতিহা, আয়াতুল কুরসী, সূরা নাস, ফালাক্ব, বাক্বারা, আলে-ইমরান, হাশর, মুমিনূন, জীন প্রভৃতি সূরার কিছু কিছু আয়াত পড়ে বুকে ফুঁ দেন। এটি কি শরী‘আত সম্মত?
প্রশ্ন (২৪/১৮৪) : ওমর (রাঃ) কি মসজিদকে সাধারণ কবিতা আবৃত্তি, গল্প-গুজব করার জন্য মসজিদের পার্শ্বে একটি বারান্দা তৈরী করেছিলেন? - -আব্দুল মান্নান, মোহনপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৭/১৬৭) : ওযূ করার পর কাপড় বা লুঙ্গি হাঁটুর উপর উঠে গেলে ওযূর কোন ক্ষতি হবে কি?
প্রশ্ন (৭/৩২৭) : আমাদের গ্রামে কারো কোন জিনিস হারিয়ে গেলে বা চুরি হ’লে হারানো বস্ত্ত খুঁজে পাওয়ার জন্যে অথবা চোর ধরার জন্য কয়েকজন ওযূ করে একটি পিতলের বদনা নিয়ে বসে তাতে পানি দিয়ে কাঁঠালের পাতায় বিভিন্ন জনের নাম লিখে বদনাতে দিয়ে দেয়। আর পাশে বসে একজন সূরা ইয়াসীন পড়তে থাকে। আর বদনা দু’জনের দুই আঙ্গুলের উপর ধরে রাখে। এভাবে সূরা ইয়াসীন পড়তে পড়তে যখন বদনাতে চোরের নাম আসে তখন বদনা এমনিতেই ঘুরতে শুরু করে দেয়। তাদের ভাষ্যমতে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নাকি আসল চোরের নাম উঠে আসে। প্রশ্ন হ’ল এভাবে সূরা ইয়াসীন পড়ে পিতলের বদনা নিয়ে চোর ধরার পদ্ধতি অথবা এগুলোর উপর বিশ্বাস করা কিসের মধ্যে পড়ে? - -সামিয়া আখতার, আম্বরখানা, সিলেট।
প্রশ্ন (১৯/১৩৯): আমাদের আশেপাশে অনেক পীর-ফকীর আছে, যারা মানুষকে ঝাড়-ফুঁক করে থাকে এবং তাতে অনেক মানুষই আরোগ্য লাভ করে। ফলে মানুষ তাদের ক্ষমতার উপর আস্থা রাখে। যদি তাদের কোন ক্ষমতা না থাকে তাহলে কিভাবে আরোগ্য লাভ করছে? এদের থেকে মানুষকে বাঁচানোর পথ কি?
আরও
আরও
.