উত্তর : উক্ত আলেম বাড়াবাড়ি করেছেন। তবে দো‘আয় কেবল আমীন বলাই যথেষ্ট। কারণ হাদীছে যত জায়গায় দো‘আ শেষে আমীন বলার কথা এসেছে কেবল আমীন শব্দটির ব্যবহার হয়েছে। আর অর্থগতভাবেই আমীন অর্থ ‘হে আল্লাহ তুমি কবুল কর’। সেজন্য আমীনের পূর্বে আল্লাহুম্মা বলা অতিরিক্ত। তবে কেউ আল্লাহুম্মা আমীন বললে সুন্নাতের খেলাফ হবে না বা বিদ‘আতও হবে না। কারণ সালাফদের কেউ কেউ আমীনের সাথে আল্লাহুম্মা শব্দটি যোগ করে দো‘আ করেছেন। তবে ছালাতের ভিতরে এই অতিরিক্ত অংশ তথা ‘আল্লাহুম্মা আমীন’ বলা যাবে না (আহমাদ হা/১৮৯৫৭; ইবনু আব্দিল বার্র, আত-তাহমীদ ৭/৯-১০; ইবনু হাজার, ফাৎহুল বারী ২/২৬২)।

প্রশ্নকারী : আব্দুল মালেক বিন ইদ্রীস, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।








বিষয়সমূহ: বিবিধ
প্রশ্ন (৪/২৮৪) : পবিত্র কুরআনে সিজদা কয়টি? এ সিজদা কিভাবে করতে হবে?
প্রশ্ন (১৪/৯৪) : সামর্থ্যবান হওয়া সত্ত্বেও যারা কুরবানী করেনি, তাদেরকে সমাজের অংশ থেকে গোশত দেওয়া যাবে কি? কুরবানী দাতারা ফক্বীর-মিসকীনদের অংশ থেকে পুনরায় গোশত নিতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৩১/১১১) : মাগরিবের ছালাত ক্বাযা অবস্থায় মসজিদে গিয়ে এশার ছালাত চলতে দেখলে মুছল্লীর জন্য করণীয় কি? সে কি জামা‘আতের সাথে আগে এশা আদায় করবে? না কি এশার জামা‘আতের সাথে মাগরিবের নিয়ত করবে? যদি মাগরিব আদায় করে সেক্ষেত্রে রাক‘আতের সমন্বয় কিভাবে করবে? কেননা মাগরিব হচ্ছে তিন রাক‘আত আর এশা হচ্ছে চার রাক‘আত। জানিয়ে বাধিত করবেন। - -মাওলানা ছফিউল্লাহ, জগৎপুর, বুড়িচং, কুমিল্লা।
প্রশ্ন (১২/৩৭২) : ডাক্তার হিসাবে পরিস্থিতির কারণে অনেকসময় নারীদের অপারেশন করতে বাধ্য হতে হয় এবং তাতে তাদের গোপন স্থানও দৃষ্টিগোচর হয়। এক্ষণে আমার করণীয় কি? - ডা. মতীউর রহমান, সাভার, ঢাকা।
প্রশ্ন (২৬/৩৮৬) : জনৈকা মহিলা বিগত বছরের কিছু ক্বাযা ছিয়াম পালন করেনি। যখন স্মরণ হয়েছে তখন পরবর্তী রামাযান উপস্থিত। এক্ষণে তাকে রামাযানের ছিয়াম না ক্বাযা ছিয়াম সর্বাগ্রে আদায় করতে হবে? - -আব্দুল আলীমখালতিপুর, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
প্রশ্ন (৩২/১১২) : আমার মা নিয়মিতভাবে আমার স্ত্রীর উপর যুলুম করেন। তিনি তাকে কোন প্রকার স্বাধীনতা দিতে নারায। মাকে বুঝাতে গেলেও তিনি ভুল বোঝেন এবং আরো সমস্যা সৃষ্টি করেন। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (১৭/৪৫৭) : গল্পচ্ছলে অনেক সময় অকারণ এমন কিছু মিথ্যা কথা বলে ফেলি বা অতিরঞ্জন করি, যাতে অন্যের কোন ক্ষতি হয় না বা তাতে কোন অসৎ উদ্দেশ্যও থাকে না। এরূপ মিথ্যা কথা বলায় কি গুনাহ হবে? - -নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, মাদারটেক, ঢাকা।
প্রশ্ন (৩৩/৪৭৩) : আমার স্বামী তার বাবা-মা থেকে আলাদা হয়ে আমার ও দুই সন্তানের সাথে ভাড়া বাসায় থাকেন। মাঝে মাঝে শ্বশুর-শাশুড়ি একসাথে থাকার জন্য কান্নাকাটি করেন। আমার স্বামীও তাদের প্রতি দুর্বলতা দেখিয়ে একসাথে থাকার কথা বলেন, যদিও আমার এতে মানসিক অশান্তি হয়। আমি যদি তাদের সাথে না থাকতে চাই, এতে আমার গোনাহ হবে কি?
প্রশ্ন (৩৮/৩১৮) : চৈত্র মাস আসলে বাজারে ১লা বৈশাখ উদযাপন উপলক্ষে বৈশাখ সম্পর্কিত বিভিন্ন উক্তি সম্বলিত কাপড় পাওয়া যায়। এগুলি বেচা-কেনা করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩৯/৭৯) : জনৈক কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের মৃত্যুর পর তার নামে থাকা ইউটিউব ও ফেসবুক পেজ রেখে দেয়া হয়েছে। কেননা সেগুলি থেকে বিশুদ্ধ দ্বীনী ইলম শিক্ষার সুযোগ আছে। মৃত্যুর পরেও এভাবে কোন কিছু রেখে দেয়া জায়েয হবে কি? এটা ছাদাক্বায়ে জারিয়াহ হিসাবে গণ্য হবে কি?
প্রশ্ন (২৬/৬৬) : ছালাতের কাতার ঠিক করে নেওয়ার দায়িত্ব কার? যদি এই দায়িত্ব ইমামের হয়, তাহ’লে তিনি না করলে কতটুকু দায়ী হবেন? কারণ মুক্তাদীরা কাতার সোজা করার প্রতি কোন গুরুত্ব দেয় না।
প্রশ্ন (৩৭/১১৭) : কুরআন বা হাদীছের সাথে শরীফ যুক্ত করা বিদ‘আত কি? এজন্য গুনাহগার হ’তে হবে কি?
আরও
আরও
.