উত্তর : মাসবূক্বের ইক্বতিদা করায় দোষ নেই। তবে একা ছালাত আদায় করা উত্তম (ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ্দারব ১২/১৮৩; শায়েখ বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১২/১৫২)। শায়েখ ওছায়মীন (রহঃ) বলেন, মাসবূকের সাথে জামা‘আতে অংশ গ্রহণ করায় কোন দোষ নেই। তবে মাসবূক্বের ইক্বতিদা না করাই উত্তম। কেননা ছাহাবায়ে কেরাম থেকে এমন আমল পাওয়া যায় না (ফাতাওয়া নূরুন ‘আলাদ্দারব ৮/২)।

প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ বিন আব্দুল হান্নান, ভদ্রা, রাজশাহী।








বিষয়সমূহ: ছালাত
প্রশ্ন (৭/৪০৭) : ৫ বছরের দাম্পত্য জীবনে আমরা স্বামী-স্ত্রী অনেকবার তালাক চেয়েছি। স্বামীও কয়েকবার জবাবে বলেছে তুমি একেবারে চলে যাও। আর এসো না। জনৈক আলেম বলেছেন, নিয়ত না থাকলে এগুলো ধর্তব্য হবে না। এক্ষণে এর সঠিক সমাধান কি?
প্রশ্ন (৩৫/৩৯৫) : ছহীহ হাদীছ জানার পর যারা বিদ‘আতী আমলে লিপ্ত হন তাদের পরিণতি কি হবে?
প্রশ্ন (৬/৪৪৬) : বিদেশে কর্মরত অবস্থায় সবসময় ছালাত ক্বছর করা যাবে কি? - -মাসঊদ শেখ, মুর্শিদাবাদ, ভারত।
প্রশ্ন (৭/২৮৭) : হজ্জ করার ক্ষমতা থাকা সত্বেও কারো যদি এমন ঋণ থাকে যে তা পরিশোধ করতে তার আজীবন লেগে যাতে। এই ব্যক্তির উপর হজ্জ ফরয কি?
প্রশ্ন (২/৪০২) : ছালাত চলা অবস্থায় ইমামের পিছনে জায়গা না থাকলে ইমামের সাথে দাঁড়িয়ে ছালাত আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১১/২১১) : মুহুরীর পেশা গ্রহণ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১১/২৯১) : আমাদের মেডিকেল কলেজে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত ক্লাস থাকায় প্রতিদিন যোহরের ছালাত দেরী করে পড়তে হয়। এক্ষণে আমার করণীয় কি? - -নূরুল ইসলাম, উত্তরা, ঢাকা।
প্রশ্ন (৬/২৪৬) : আল্লাহর প্রশংসা এবং রাসূল (ছাঃ)-এর উপর দরূদ পাঠ করা দো‘আ কবুলের অন্যতম শর্ত কি? এর জন্য কি কি দো‘আ পাঠ করা যাবে? দরূদ বলতে দরূদে ইব্রাহীমী পড়তে হবে না অন্য কিছু?
প্রশ্ন (১৩/২১৩) : কুরআনের ভাস্কর্য নির্মাণ জায়েয হবে কি? ছওয়াবের উদ্দেশ্য হোক বা সৌন্দর্যের উদ্দেশ্যে হোক উভয়টিই কি নাজায়েয?
প্রশ্ন (২/২৮২) : জনৈক আলেম বলেন, সফরকালীন এমন পরিমাণ স্বর্ণের আংটি ব্যবহার করা যাবে, যা কাফনের কাপড় কেনার জন্য যথেষ্ট হয়। উক্ত বক্তব্যের সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩০/১৯০) : আমি মানত করেছিলাম, আল্লাহ আমাকে সন্তান দান করলে প্রচলিত তাবলীগ জামা‘আতে এক চিল্লা দেব। আল্লাহ আমাকে সন্তান দান করেছেন। কিন্তু আমি জানতে পারলাম, তাবলীগ জামা‘আতের কার্যক্রম ভুলে ভরা। এক্ষণে আমার জন্য করণীয় কি? - -নাঈম আশরাফ, মাস্টারপাড়া, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (২৪/৪৬৪) : প্রথম আলো ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ইং সংখ্যায় দারুল এহসান বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা-এর অধ্যাপক আবুল মনিম খান এক নিবন্ধে বলেন, যে ব্যক্তির কাছে ঈদের দিন সুবহে সাদিকের সময় জীবিকা নির্বাহের অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ ব্যতীত সাড়ে সাত তোলা সোনা অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা অথবা সমমূল্যের অন্য কোন সম্পদ থাকে তার উপর ছাদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। এই পরিমাণ সম্পদকে শরীয়তের পরিভাষায় নিছাব বলা হয়। প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের উপর ছাদাকাতুল ফিৎর আদায় করা ওয়াজিব। উক্ত দাবী কি সঠিক?
আরও
আরও
.