উত্তর : مِلَّةَ أَبِيكُمْ إِبْرَاهِيمَ هُوَ سَمَّاكُمُ الْمُسْلِمينَ مِن قَبْلُ وَفِي هَذَا অনুবাদ : ‘তোমাদের পিতা ইবরাহীমের মিল্লাত (অনুসরণ কর)। (আল্লাহ) তোমাদের নাম রেখেছেন ‘মুসলিম’ পূর্বের কিতাবসমূহে এবং এই কিতাবে (কুরআনে) (হাজ্জ ২২/৭৮)। আব্দুর রহমান ইবনু যায়েদ বিন আসলাম ‘হুয়া’ সর্বনাম দ্বারা ‘ইবরাহীম’ বুঝেছেন। কিন্তু নাহ্হাস বলেন, এই কথা উম্মতের শ্রেষ্ঠ বিদ্বানদের ব্যাখ্যার বিপরীত। কেননা হযরত আব্দুল্লাহ ইবনু আববাস (রাঃ) এর অর্থ ‘আল্লাহ’ বলেছেন। এতদ্ব্যতীত মুজাহিদ, আত্বা, যাহহাক, সুদ্দী, ক্বাতাদাহ, মুক্বাতিল বিন হাইয়ান সকলে একই কথা বলেছেন। ইবনু জারীর বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, এটা জানা কথা যে, ইবরাহীম এই উম্মতকে কুরআনে ‘মুসলিম’ বলেননি। বরং আল্লাহ বলেছেন, পূর্বেকার কেতাব সমূহে এবং এই কিতাবে। ইবনু কাছীর বলেন, এটাই সঠিক। এখানে ‘তোমাদের পিতা’ অর্থ মুমিনদের পিতা। কেননা মুসলমানদের উপর ইবরাহীমের সম্মান সন্তানের উপর পিতার সম্মানের ন্যায় (কুরতুবী, ইবনু কাছীর)। উল্লেখ্য যে, সূরা হাজ্জ মদীনায় নাযিল হয়েছে। সেখানে মুহাজির-আনছার ও আরব-অনারব সব ধরনের মুসলমান ছিলেন। অতএব এখানে ‘কুম’ বলতে সকল মুসলিমকে বুঝানো হয়েছে।






প্রশ্ন (৩৪/৩৪) : পেপার-পত্রিকা বা বইয়ে প্রকাশিত রাশিফলের কোন কার্যকারিতা আছে কি? এসব পড়া যাবে কি? - -শাহরিয়ার ছালেহীন, পবা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৫/৩৫) : দরূদ হিসাবে ‘আল্লাহুম্মা ছাল্লে ‘আলা সাইয়িদিনা মাওলানা মুহাম্মাদ’ পাঠ করা যাবে কি? দরূদ হিসাবে এর উৎস সম্পর্কে জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২০/২০) : কোন প্রাণীর ছবি পিছন থেকে আঁকা কি জায়েয? অর্থাৎ প্রাণীর মাথা যদি বিপরীতমুখী হয় এবং সুস্পষ্ট বোঝা না যায়, তা কি নাজায়েয হবে? - -আব্দুল গাফফারপুরাতন বাজার, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (১৪/২৯৪) : একই ওযূর পানি দিয়ে একাধিক ব্যক্তি ওযূ করতে পারবে কি? - -ডা. সালমান খন্দকার, জুড়ী, মৌলভীবাজার।
প্রশ্ন (২৩/১৮৩) : জনৈক আলেম বলেন, কেউ যখন রোগীর নিকট যাবে তখন সে তার কাছে দো‘আ চাইবে। কারণ তার দো‘আ ফেরেশতাগণের দো‘আর ন্যায়। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (২৩/৩৮৩) : ছালাতে ভুলের কারণে সহো সিজদা দিতে ভুলে গেলে এবং কয়েকদিন পর তা মনে আসলে কেবল সহো সিজদা দিলেই হবে না পুরো ছালাত আদায় করতে হবে? - -মুহাম্মাদ ফাতেহ, মীরপুর, ঢাকা।
প্রশ্ন (৫/১২৫) : মুছাফাহা করার সময় কোন দো‘আ পড়তে হয় কি?
প্রশ্ন (২১/১৮১) : জনৈক ইমাম খুৎবায় বলেছেন যে, হজ্জের সময় হাজীগণ শয়তানের উদ্দেশ্যে যে কংকর নিক্ষেপ করেন, তা জমা হয়ে পাহাড়ের রূপ ধারণ করে। আল্লাহ তা‘আলা পরবর্তী হজ্জের আগে ফেরেশতা দ্বারা সেই কংকর অপসারণ করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যের স্বপক্ষে যুক্তি দেন যে কুরআন শরীফে এর উল্লেখ আছে। এর সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (২৪/২৬৪) : ঘোড়া ও গাধার গোশত খাওয়া কি হালাল?
প্রশ্ন (১০/৩৭০) : একটি কিতাবে লেখা আছে যে, ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) যখন ‘কাশফে’ থাকতেন, তখন তিনি ওযূর পানির সাথে গুনাহ ঝরতে দেখতেন। তাই কাশফে থাকাকালীন ওযূর পানি নাপাক বলে ফৎওয়া দিতেন। প্রশ্ন হ’ল, ‘কাশফ’ কি ? এটা কি শরী‘আতের কোন দলীল? এরূপ কথাবার্তায় যারা বিশ্বাস রাখে তারা কোন আক্বীদার অনুসারী?
প্রশ্ন (১৫/১৫) : হিন্দুদের বাসায় দাওয়াত খাওয়ার ক্ষেত্রে কোন কোন বিষয়ে লক্ষ্য রাখা আবশ্যক? বিশেষতঃ যবেহকৃত প্রাণীর গোশত খাওয়ার ক্ষেত্রে করণীয় কি?
প্রশ্ন (১৫/১৩৫) : অর্থের প্রয়োজনে আমি জমি বন্ধক দিয়ে টাকা নেই। একবছর পর সমপরিমাণ অর্থ তাকে দিয়ে ফিরিয়ে নেই। বন্ধকগ্রহীতা ভোগ করুক বা না করুক সেটা তার ব্যাপার। এভাবে বন্ধক দেওয়া জায়েয হবে কি?
আরও
আরও
.