উত্তর : ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি যাকাত আদায়ের পূর্বে তার ঋণ পরিশোধ করবে। যেমন ওছমান (রাঃ) বলেন, এটি (রামাযান) যাকাতের মাস। অতএব যদি কারো উপর ঋণ থাকে তাহ’লে সে যেন প্রথমে ঋণ পরিশোধ করে। এরপর অবশিষ্ট সম্পদ নিছাব পরিমাণ হ’লে সে তার যাকাত আদায় করবে (মুওয়াত্ত্বা মালেক হা/৮৭৩; ইরওয়া ৩/৩৪১, সনদ ছহীহ)। যদি ঋণ পরিশোধ না করে, তাহ’লে নিছাব পরিমাণ সমস্ত সম্পদের উপরে যাকাত আদায় করতে হবে। আল্লাহ বলেন, ‘তুমি তাদের সম্পদ হ’তে ছাদাক্বা (যাকাত) গ্রহণ কর। যার দ্বারা তুমি তাদেরকে পবিত্র করবে ও পরিশুদ্ধ করবে’ (তওবা ৯/১০৩)। এখানে ঐ ধনী ব্যক্তিরা ঋণগ্রস্ত কি-না, সেটা শর্ত করা হয়নি। অতএব ঋণগ্রস্ত মুমিনদের সর্বাগ্রে ঋণ পরিশোধ করা কর্তব্য। কারণ ঋণ রেখে মৃত্যুবরণ করলে তার ক্ষমা নেই। অনেক ব্যবসায়ী ঋণকৃত টাকা ব্যবসায়ে বিনিয়োগ করেন। কিন্তু ঋণ পরিশোধ করেন না। উল্টা নিজেকে ঋণগ্রস্ত দেখিয়ে যাকাত দেন না। এরূপ কপট আচরণ থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।    

প্রশ্নকারী : মাহফূযুর রহমান, নিউইয়র্ক, আমেরিকা।







বিষয়সমূহ: যাকাত ও ছাদাক্বা
প্রশ্ন (২১/৩৪১) : জনৈক বক্তা বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, আবূবকর ও ওমর (রাঃ) আমার জন্য মূসা ও হারূন (আঃ)-এর ন্যায়। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (২১/১৮১) : সন্তানের নাম রাখার ক্ষেত্রে পিতা না মাতার সিদ্ধান্ত অগ্রাধিকার পাবে?
প্রশ্ন (২৬/৩৮৬) : জনৈক ব্যক্তি তিন বছর আগে যৌতুক নিয়ে বিয়ে করেছে। স্ত্রীর মোহরানা পরিশোধ করেনি। বর্তমানে সে যৌতুক এবং মোহরানা যেকোন একটি পরিশোধ করতে সক্ষম। এখন কোন্টি আগে পরিশোধ করবে?
প্রশ্ন (৩৯/১৯৯) : জনৈক ব্যক্তি লক্ষ টাকা ঘুষ দিয়ে নামকাওয়াস্তে পরীক্ষার মাধ্যমে শিক্ষক হিসাবে নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছে। বর্তমানে সে তওবা করতে চায়। স্থায়ীভাবে হারাম ভক্ষণের গুনাহ থেকে বাঁচতে চায়। এক্ষণে তার করণীয় কি? - -নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, গাইবান্ধা।
প্রশ্ন (২৬/৩৪৬) : কোন রংয়ের পশু দ্বারা কুরবানী করা উত্তম?
প্রশ্ন (১২/৪১২) : মযলূম ব্যক্তি যদি কাফের হয়, তাহ’লে তার বদ দো‘আর কারণে কোন মুসলিম পাপী হবে কি বা তার কোন ক্ষতি হবে কি?
প্রশ্ন (২১/২১): ছিয়াম অবস্থায় দাড়ি শেভ করা, নখ কাটা বা পেষ্ট দ্বারা ব্রাশ করায় ছিয়ামের কোন ক্ষতি হবে কি?
প্রশ্ন (৩৪/২৭৪) : আমি একজন বিধবা অসহায় নারী। আমি ব্যাংকে টাকা রেখে সেখান থেকে লাভ গ্রহণ করতে পারব কি? - -জেবুন্নেসা, হড়গ্রাম, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২১/৪৬১) : নিয়মিত লেখা-পড়া না করার কারণে শৈশবে আমার পিতা আমাকে রাগের মাথায় বলেছিলেন যে, পড়াশুনা না করলে রাখালের সাথে বিয়ে দিয়ে দিব। কিন্তু সেখানে উপস্থিত রাখাল কিছু বলেনি। বরং আমি আমার পিতার কথার প্রতিবাদ করেছিলাম। বর্তমানে শৈশবের ঐ কথাটি মনে করে আমি অত্যন্ত দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছি। এমনকি মানসিক রোগী হয়ে গেছি? উক্ত কথার কারণে বিবাহ কি সম্পন্ন হয়েছিল? যেহেতু হাদীছে বিবাহ, তালাক ও রাজা‘আত নিয়ে হাসি-তামাশা করতে নিষেধ করা হয়েছে। আর হাসি-তামাশা করে বললেও উক্ত তিনটি বিষয় সম্পন্ন হয়ে যায় বলে হাদীছে উল্লেখিত হয়েছে। ঐ বিবাহ সম্পন্ন হয়ে থাকলে এক্ষণে আমার করণীয় কি? - -নাম প্রকাশে অনিচ্ছুকবিশ্বনাথপুর, শিবগঞ্জ, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (১৮/৯৮) : কোন দলীলের ভিত্তিতে ফজর, মাগরিব ও এশার ছালাতে সরবে এবং যোহর ও আছর ছালাতে নীরবে তেলাওয়াত করা হয়? দলীলভিত্তিক জবাব চাই।
প্রশ্ন (১৫/৪১৫) : গোসল করার পর ওযূ করার কোন প্রয়োজনীতা আছে কি?
প্রশ্ন (৩১/২৩১) : স্বপ্নদোষ হ’লে পুরো পোষাক ও বিছানা পরিষ্কার করতে হবে কি? না কেবল নাপাকী লাগা স্থানটি ধুয়ে ফেললেই যথেষ্ট হবে? - সোহেল রাণা, পবা, রাজশাহী।
আরও
আরও
.