উত্তর : এগুলো কুসংস্কার মাত্র। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ছোঁয়াচে রোগ বলতে কিছু নেই, কোন কিছুতে অশুভ নেই, পেঁচার মধ্যে কুলক্ষণ নেই এবং ছফর মাসেও কোন অশুভ নেই। তবে কুষ্ঠরোগী হতে পলায়ন কর যেমন বাঘ হতে পলায়ন কর’। একথা শুনে জনৈক বেদুঈন বলল, হে আল্লাহর রাসূল (ছাঃ) তাহ’লে পালের মধ্যে একটা চর্মরোগী উট আসলে বাকীগুলি চর্মরোগী হয় কেন? জবাবে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, তাহ’লে প্রথম উটটিকে চর্মরোগী বানালো কে? (বুখারী, মিশকাত হা/৪৫৭৭-৭৮ ‘চিকিৎসা ও মন্ত্র’ অধ্যায় ‘শুভ ও অশুভ লক্ষণ’ অনুচ্ছেদ-১)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, অশুভ লক্ষণ গ্রহণ করা শিরকী কাজ। তিনি বাক্যটি তিনবার বলেন। আর আমাদের মধ্যে এমন কেউ নেই যার মনে অশুভ লক্ষণের ধারণার উদ্রেক হয় না। কিন্তু আল্লাহর উপর দৃঢ় আস্থা থাকলে আল্লাহ তা দূরীভূত করে দেন’ (আবু দাঊদ, তিরমিযী, মিশকাত হা/৪৫৮৪)। অতএব শুভ-অশুভ লক্ষণের উপর নয়, বরং সর্বাবস্থায় আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করতে হবে।






বিষয়সমূহ: বিবিধ
প্রশ্ন (২৪/৬৪) : ১০০ বছর পূর্বে নির্মিত মসজিদের জমি ওয়াকফকৃত ছিল না। উক্ত জমির ৭ জন উত্তরাধিকারীর মধ্যে ৩ জন জমি ফেরৎ চায়। তাদের এ দাবী শরী‘আতসম্মত কি? মসজিদ কমিটি উক্ত জমি ফেরৎ দিতে বাধ্য কি?
প্রশ্ন (৬/১২৬) : চুরি, মদ্যপান, জুয়া খেলা ও মিথ্যা কথা বলায় অভ্যস্ত জনৈক ব্যক্তি রাসূল (ছাঃ)-এর নিকটে এসে তওবা করতে চাইলে তিনি তাকে কেবল মিথ্যা বলা থেকে নিষেধ করেন। লোকটি তা মেনে নিয়ে বাকী তিনটি কাজ করতে চায়। কিন্তু সত্য কথা বলতে গিয়ে পর্যায়ক্রমে সে বাকী কাজগুলি থেকে তওবা করতে বাধ্য হয়। এ কাহিনীটির কোন সত্যতা আছে কি? - -মোবারক, পীরগঞ্জ, রংপুর।
প্রশ্ন (১৬/৪৫৬) : কবরের কোন পদ্ধতিটি অধিক শুদ্ধ?
প্রশ্ন (৫/২৮৫) : সন্তানের প্রতি পিতা-মাতার অবশ্য পালনীয় দায়িত্ব কি কি?
প্রশ্ন (৩৮/১৯৮) : ইহূদী-খ্রিষ্টানদের বিরুদ্ধে জিহাদ করতে গিয়ে অনেক মুসলিম আত্মঘাতি হয়ে মারা যাচ্ছেন। আখেরাতে এদের পরিণাম কি হবে? - -রাকীবুল হাসান, সিঙ্গাপুর।
প্রশ্ন (১১/২১১) : পিতা-মাতার অবাধ্য হয়ে বিবাহ করলে বৈধ হবে কি? - -আযীযুল হক, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা।
প্রশ্ন (১৫/৫৫) : জনৈক ব্যক্তি এক স্ত্রী, এক কন্যা, দুই ভাতিজা ও এক ভাতিজি রেখে মারা যান। এক্ষণে মাইয়েতের সম্পদ কিভাবে বণ্টিত হবে?
প্রশ্ন (১৮/১৭৮) : জুম‘আর খুৎবা চলাকালীন সময়ে দো‘আ কবুলের আশায় মনে মনে ইচ্ছানুযায়ী দো‘আ করা যাবে কি? - -আবু তালেব, চালা, সিরাজগঞ্জ।
প্রশ্ন (৭/২৪৭) : আমাদের মসজিদের খত্বীব বলেছেন, ফজরের আযানের পর ২ রাক‘আত দুখূলুল মসজিদ ও ২ রাক‘আত সুন্নাত ছালাত ছাড়া অন্য কোন ছালাত পড়া যাবে না। এ বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (১০/৪৫০) : পেশাব পরিপূর্ণভাবে শেষ হ’তে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী দেরী হ’লে করণীয় কি? ডাক্তারের বক্তব্য অনুযায়ী কোন অসুখ নেই। কিন্তু এ কারণে প্রায়ই ছালাত ছুটে যায়।
প্রশ্ন (৬/৪০৬) : আকীকার সময় নবজাতকের ২টি নাম রাখা যায় কি?
প্রশ্ন (৩৬/৪৭৬) : তারাবীহ ও তাহাজ্জুদ ছালাত ৮+৩=১১ রাক‘আতের বেশী নয়। কিন্তু কোন কোন হাদীছে বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কখনো কখনো ৯ রাক‘আত বিতর পড়তেন। তাহ’লে এর সংখ্যা ১৭ হচ্ছে। এর সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।
আরও
আরও
.