উত্তর : খাদ্যদ্রব্য দিয়ে ফিৎরা দেওয়াই সুন্নাত। রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরাম এক ছা‘ খাদ্যদ্রব্য দিয়ে ফিৎরা আদায় করেছেন (বুখারী হা/১৫০৬; মিশকাত হা/১৮১৬)। যদি কোন স্থানে ফিৎরা বণ্টন সম্ভব না হয়, সেক্ষেত্রে কোন ব্যক্তি, সংস্থা বা সংগঠনের মাধ্যমে অন্যত্র ফিৎরা বিতরণ করবে (উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৮/২০৭)






প্রশ্ন (২/৪৪২) : মোবাইলে ব্যালান্স না থাকলে ইমারজেন্সী ব্যালান্স নিতে হয়। কিন্তু সেক্ষেত্রে কোম্পানী অল্প কিছু টাকা অতিরিক্ত কেটে নেয়। এটা সূদের অন্তর্ভুক্ত হবে কি? - -মাহফূয, পাবনা।
প্রশ্ন (৩৭/১৯৭) : ইদ্দতকালে নারীরা ছালাত আদায়ের জন্য বেরিয়ে মসজিদে যেতে পারবে কি? - -মুমিনুল ইসলাম, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (৫/২৮৫) : ‘বিশ্বনবীর কথা’ নামক বইয়ে আছে, মুহাম্মাদ (ছাঃ) ভূমিষ্ট হওয়া মাত্রই সিজদায় পড়ে ‘ইয়া উম্মাতী’ ‘ইয়া উম্মাতী’ বলেছিলেন। একথা কি সত্য?
প্রশ্ন (১৭/৩৩৭) : মাসিকের সমস্যা থাকার কারণে মাঝে মাঝেই হালকা রক্ত প্রবাহিত হয়। বহু চিকিৎসাতেও ভালো হচ্ছে না। এমতাবস্থায় ছিয়াম পালন করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৮/৩৪৮) : বিভিন্ন ইতিহাস গ্রন্থে দেখা যায়, আবুবকর (রাঃ) ফাতিমা (রাঃ)-কে মারার জন্য কুনফুয নামক এক ব্যক্তিকে পাঠিয়েছিলেন। তার ছড়ির আঘাতে ফাতেমার গর্ভপাত হয়ে যায় এবং এর প্রভাবেই তিনি মারা যান। এই ঘটনার কোন সত্যতা আছে কি? - -আলতাফ হোসাইন, তেরখাদিয়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১৮/২৯৮) : মোহরানার সম্পদের হকদার স্ত্রী না তার পিতা? পিতা সে টাকা ব্যবহার করলে পরে তা ফেরত দিতে হবে কি? - মাজেদুল ইসলাম, বীরগঞ্জ, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (১৮/২৯৮) : ঘর হতে বের হওয়ার সময় দরজা বা চৌকাঠে আঘাত লাগলে বলা হয় এ যাত্রা শুভ হবে না। উক্ত ধারণা কি সঠিক?
প্রশ্ন (৩৭/৩৭) : নাপিত হিসাবে আমি মূলত চুল কাটলেও মাঝে মাঝে ভোক্তার চাহিদা মোতাবেক দাড়িও কাটতে হয়। এটা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২৪/৩৮৪) : জনৈক ব্যক্তি সবসময় মায়ের সেবা করে এসেছে এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত মা তার প্রতি সন্তুষ্ট ছিলেন। কিন্তু শেষ সময়ে মায়ের সাথে উচ্চবাক্য বিনিময় করায় তিনি কষ্ট পান এবং দু’দিন পরেই মারা যান। কিন্তু সন্তান তার নিকট থেকে মাফ নিতে পারেনি। এক্ষণে তার জন্য ক্ষমা পাওয়ার কোন সুযোগ আছে কি?
প্রশ্ন (২৬/৪৬৬) : জুম‘আতুল বিদা‘ কাকে বলে? এর ফযীলত কি? দলীল ভিত্তিক জানিয়ে বাধিত করবেন?
প্রশ্ন (৩৬/২৭৬) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর ব্যক্তিগত রুচি বা অভ্যাসগত সুন্নাত যেমন প্রিয় খাবার হিসাবে লাউ খাওয়া, পোষাক হিসাবে সাদা রঙের কাপড় পরিধান করা, চোখের যত্নে সুরমা দেওয়া কিংবা ত্বকের পরিচর্যায় যয়তুনের তেল ব্যবহার করা এসব কাজ যদি কেউ শরী‘আতে কোন বাধ্যবাধকতা ছাড়াই শুধুমাত্র তাঁর প্রতি নিবিড় ভালবাসার জায়গা থেকে অনুসরণ করে, তবে কি সে ছওয়াব লাভ করবে? নাকি ইবাদতের সংজ্ঞার বাইরে এসব অভ্যাসগত বিষয়কে দ্বীনী অনুসরণের অন্তর্ভুক্ত করা বিদ‘আত হিসাবে গণ্য হ’তে পারে?
প্রশ্ন (১৫/৫৫) : অসুস্থ মানুষকে দেখতে যাওয়ার বিশেষ কোন ফযীলত আছে কি?
আরও
আরও
.