উত্তর : অন্তত একজনকে ই‘তেকাফে বসতে হবে নইলে মহল্লার লোকেরা গোনাহগার হবে একথা ঠিক নয়। কারণ ই‘তেকাফ যেমন কোন ফরয ইবাদত নয়, তেমনি মহল্লার মসজিদে একজনকে বসতেই হবে একথাও ঠিক নয়। ই‘তেকাফ একটি সুন্নাত ইবাদত, যা ছিয়াম অবস্থায় জুম‘আ মসজিদে করতে হয় (আবুদাঊদ, মিশকাত হা/২১০৬ তেকাফ অনুচ্ছেদ)




বিষয়সমূহ: মসজিদ
প্রশ্ন (১১/৪১১) : হজ্জ বা ওমরাহ পালনের ক্ষেত্রে মাথা ন্যাড়া করা বা ছাটার ক্ষেত্রে শরী‘আতের বিধান কি?
প্রশ্ন (৪/১৬৪) : তারাবীহ পড়িয়ে হাদিয়া দাবী করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২৬/২২৬) : মুসলমান নারী-পুরষের নামের পূর্বে ‘মুহাম্মাদ’ ও ‘মুসাম্মাৎ’ লেখা হয় কেন? এটি শরী‘আতসম্মত কি?
প্রশ্ন (১৩/১৭৩) : স্ত্রীর ঋতুস্রাব নিয়মিত সময়ের এক সপ্তাহ আগে হওয়ায় ভুলবশত ঋতু অবস্থায় নির্জনবাস হয়। এজন্য কোন কাফফারা দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (৩০/৪৩০) : মাঠে পুরো দিন কাজ করার জন্য একজন লোক নিয়োগ করার পর অর্ধদিবস কাজ করে সে বাড়ি চলে গেল। এক্ষণে অর্ধদিবস কাজ করার জন্য সে কোন মজুরী পাবে কী? বাকী অর্ধদিবস কাজ না করার কারণে যদি মালিকের ক্ষতি হয় তাহ’লে লোকসান বহন করবে কে?
প্রশ্ন (১৭/২৫৭) : জন্মের পর থেকে কোন পিতা যদি সন্তানের প্রতি কোন দায়িত্ব পালন না করে সেই পিতার প্রতি সন্তানের কোন দায়িত্ব আছে কি?
প্রশ্ন (৩৩/১৫৩) : মেয়ে দেখতে যাওয়ার সময় কি মা, বোন এর সাথে ছেলের পিতা দেখতে পারবে? বর্তমান সমাজে শুধু মহিলাদের দিয়ে মেয়ে পসন্দ করাটা অনেক কঠিন। সেক্ষেত্রে ছেলের পিতার জন্য বিষয়টা কি গ্রহণযোগ্য হ’তে পারে?
প্রশ্ন (১৪/১৩৪) : কোন্ কোন্ জায়গায় রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) সম্মিলিত মুনাজাত করেছেন?
প্রশ্ন (১৪/১৭৪) : আমার দাদা আমার ফুফুদের সম্মতি নিয়ে আমার পিতাকে অধিকাংশ জমি লিখে দিয়ে গেছেন। কিন্তু এখন আমার ফুফুরা এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন এবং পরকালে বিচার হবে বলে দীর্ঘশ্বাস ফেলেন। এক্ষণে উক্ত জমি আমার পিতা বা আমাদের জন্য ভোগ করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২৫/৩৪৫) : আমার পিতা আমার মায়ের সাথে আমার সামনে খুবই মন্দ আচরণ করেন। যা সহ্য করা আমার জন্য অনেক কঠিন হয়ে যায়। এক্ষেত্রে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (১/২৮১) : জনৈক লেখক বলেন যে, বাঁশির শব্দে ইবনু ওমর (রাঃ) কানে আঙ্গুল দেয়াতে গান হারাম হয়েছে তা বলা যায় না (সৌভাগ্যের পরশমণি)। আবার রাসূল (ছাঃ) নিজে কানে আঙ্গুল দিয়েছিলেন কিন্তু ইবনু ওমর (রাঃ)-কে তা করতে বলেননি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও খলীফাদের যুগে বাদ্যযন্ত্র ও গান নিষেধ ছিল না; বরং তা উপভোগ করা হত (তাবারী)। তিনি আরো বলেন, কুরআনে এমন কোন আয়াত নেই যা গানকে হারাম করে। তাই ইবনে হাজার, ইবনু খাল্লিকান, জালালুদ্দীন সুয়ূত্বী, গাযালী প্রমুখ বিদ্বানদের মতে বাদ্যযন্ত্রসহ গান শোনা বৈধ। যদি তা সৎ উদ্দেশ্যে এবং কল্যাণকর কথা হয়। উক্ত দাবীগুলো কি সত্য? সৌভাগ্যের পরশমণি’ এবং ‘এহইয়াউ উলূমিদ্দীন’ বইগুলো কি গ্রহণযোগ্য?
প্রশ্ন (২৬/১৮৬) : মোজা পরিহিত অবস্থায় টাখনুর নীচে কাপড় পড়ে ছালাত আদায় করলে ছালাত হবে কি?
আরও
আরও
.