উত্তর : হিন্দুদের মন্দিরে যাওয়া জায়েয নয়, কাফেরদের ইবাদত অনুষ্ঠান পরিদর্শন করা বৈধ নয়, তাদের ধর্মীয় আচারে উপস্থিত থাকা বৈধ নয় এবং তাদের উৎসবে অংশগ্রহণ করাও বৈধ নয়। কারণ এগুলো কাফেরদের ধর্মীয় কাজের অন্তর্ভুক্ত। আর তাদের সাথে এতে সাদৃশ্য করা হারাম। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি যে জাতির সাথে সাদৃশ্য করবে, সে তাদেরই অন্তর্ভুক্ত হবে (আবুদাউদ হা/৪০৩১; ছহীহুল জামে‘ হা/৬১৪৯)। আর মন্দিরে গেলে তাদের উপাসনালয়ের মর্যাদা বৃদ্ধি পায়, তাদের ইবাদতে সম্মতি প্রকাশ করা হয় এবং তাদের সংখ্যা বৃদ্ধিতে সহায়তা করা হয়। আর এসব কিছু নিষিদ্ধ; বরং এগুলো মানুষকে নানা বিপদ ও আল্লাহর গযবের সম্মুখীন করে। ওমর (রাঃ) বলেন, আল্লাহর শত্রু ইহূদী ও খ্রিস্টানদের উৎসবের দিনে এবং সমবেত হওয়ার সময় তাতে গমন থেকে বেঁচে থাকো। নিশ্চয়ই তাদের উপর আল্লাহর গযব নাযিল হয়, আর আমি আশঙ্কা করি তা তোমাদেরকেও পাকড়াও করবে (বায়হাক্বী, হা/১৮৮৬২; শু‘আবুল ঈমান হা/৮৯৪০)। হযরত আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আছ (রাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি অনারবদের দেশে (অমুসলিম ভূমিতে) বসবাস করবে, তাদের নওরোয ও মেহেরজান (ধর্মীয়) উৎসব পালন করবে এবং তাদের সাদৃশ্য অবলম্বন করবে। আর এ অবস্থায় যদি তাদের মৃত্যু হয় তাহ’লে ক্বিয়ামতের দিন তাকে তাদের সাথেই পুনরুত্থান করা হবে (বায়হাক্বী, হা/১৮৮৬৪; দাওলাবী, আল কুনা ওয়াল আসমা হা/১৮৪৩)। অবশ্য রাষ্ট্রীয় কোন দায়িত্বে থাকলে এবং সে দায়িত্ব পালনে নির্দেশনা থাকলে তা পালন করা যাবে। তবে দাওয়াতের উদ্দেশ্য হৃদয়ে রেখে সেখানে দায়িত্ব পালন করবে। তাদেরকে শিরক থেকে মুক্তির দাওয়াত দিতে হবে।

প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহ রাতিব, মান্দা, নওগাঁ।








বিষয়সমূহ: বিবিধ
প্রশ্ন (১৫/১৫): রাসূল (ছাঃ)-এর বাণী আদম সন্তানের সৌভাগ্য তিনটি আর দুর্ভাগ্যও তিনটি। সৌভাগ্য তিনটি হ’ল, দ্বীনদার স্ত্রী, প্রশস্ত বাসস্থান, আরামদায়ক যানবাহন। আর দুর্ভাগ্য তিনটি অবাধ্য স্ত্রী, সংকীর্ণ বাসস্থান ও সংকীর্ণ যানবাহন। হাদীছটি ছহীহ কি?
প্রশ্ন (৩২/৩৫২) : জনৈক ব্যক্তি ইমামকে কুরবানীর পশু যবহ করার জন্য অনুরোধ জানায়। তাকে বলা হয় এটি নিযামের পক্ষ থেকে কুরবানী হবে। ইমাম ভুলে তার নাম না বলে তার ছোট ভাই ফরীদের নামে দো‘আ পাঠ করে কুরবানী যবহ করে। এক্ষণে কুরবানী কার পক্ষ থেকে হ’ল?
প্রশ্ন (১/২০১) : সর্দিজনিত রোগ থেকে বাঁচার জন্য ফেন্সিডিল বা কোন মাদক গ্রহণ করা যাবে?
প্রশ্ন (১৮/৯৮) : সাংগঠনিক নিয়মে আমাকে ইহতিসাব রাখতে হয় এবং উর্ধ্বতন দায়িত্বশীলকে দেখাতে হয়। এটি কি রিয়া তথা লোক দেখানো আমলের অন্তর্ভুক্ত হবে? - -মুজাহিদুল ইসলাম, সারিয়াকান্দি, বগুড়া।
প্রশ্ন (৬/৩২৬) : ইমাম মাগরিবের ছালাতে তৃতীয় রাক‘আতে সন্দেহের বশবর্তী হয়ে সালাম ফিরানোর পূর্বে দাঁড়ানোর উদ্দেশ্যে তাকবীর বলায় মুক্তাদীগণ লোকমা প্রদান করেন। তখন ইমাম শেষ বৈঠকে বসে বাকী দো‘আ পড়ে সহো সিজদা না দিয়ে সালাম ফিরিয়ে দেন। পরে মুছল্লীদের দাবীতে ইমাম দু’টি সহো সিজদা দিয়ে সালাম ফিরান। উক্ত পদ্ধতি কি সঠিক হয়েছে?
প্রশ্ন (১৫/৪১৫) : আমাদের মসজিদে মাঝে-মধ্যে কোন মুছল্লী অসুস্থ হ’লে তার সুস্থতার জন্য মসজিদে খাবার খাওয়ানোর মাধ্যমে দো‘আ চাওয়া হয়। এরূপ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৩/৪৬৩) : ‘একটি মাছির কারণে এক ব্যক্তি জান্নাতে গেল এবং আরেক ব্যক্তি জাহান্নামে গেল’ মর্মে বর্ণিত হাদীছটির সত্যতা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১১/২৫১) : রাসূল (ছাঃ) নিজে কখনো দরূদে ইবরাহীমী পাঠ করেছেন কি? - -আব্দুল আলীম, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত।
প্রশ্ন (৭/২৮৭) : হজ্জ করার ক্ষমতা থাকা সত্বেও কারো যদি এমন ঋণ থাকে যে তা পরিশোধ করতে তার আজীবন লেগে যাতে। এই ব্যক্তির উপর হজ্জ ফরয কি?
প্রশ্ন (১৪/৫৪) : আমি মূলত ঢাকায় বসবাস করি। মাঝে মাঝে গ্রামের বাড়িতে ২-৩ দিনের জন্য বেড়াতে যাই। সেখানে আমি ছালাত জমা‘ ও ক্বছর করতে পারব কি?
প্রশ্ন (১৬/৪১৬) : নারীদের জন্য হাতে ও পায়ে মোযা পরিধান করা কি ওয়াজিব?
প্রশ্ন (২৬/২৬) : কম্পিউটারের দোকানে মাঝে মাঝেই আমাদের জমি বন্ধকের চুক্তিপত্র লিখতে হয়। এটা কম্পোজ করে দিলে কি আমাকে গোনাহের ভাগিদার হ’তে হবে?
আরও
আরও
.