উত্তর : প্রশ্ন অনুযায়ী ওয়াদাকারী আল্লাহর নামে ওয়াদা করেছেন, যা কসমের শামিল। অতএব এক্ষেত্রে কসম ভঙ্গের কাফফারা দিতে হবে। আর কসম ভঙ্গের কাফফারা হ’ল দশজন মিসকীনকে মধ্যম মানের খাদ্য খাওয়ানো অথবা বস্ত্র দান করা অথবা একটি দাস মুক্ত করা। এতে অসমর্থ হ’লে তিন দিন ছিয়াম পালন করা (মায়েদাহ ৫/৮৯)

মাথায় কুরআন রেখে বা কুরআনে হাত রেখে কসম করা জায়েয নয়। এটি রাসূল (ছাঃ) বা তাঁর ছাহাবীগণ করেননি। বরং ইমাম শাফেঈ (১৫০-২০৪ হি.) বলেন, ইয়ামনের রাজধানী ছান‘আর বিচারপতি মুত্বার্রিফ বিন মাযেন (মৃ. ১৯১ হি.)-কে শপথের গুরুত্ব বুঝানোর জন্য আমি এটি করতে দেখেছি’ (ইবনু কুদামা, আল-মুগনী, মাসআলা নং ৮৪৩৩, ১০/২০৭)। বরং যে কোন কসম আল্লাহর নামেই করতে হবে। কেননা রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো নামে কসম করল, সে শিরক করল’ (তিরমিযী হা/১৫৩৫; মিশকাত হা/১৪১৯; ছহীহাহ হা/২০৪২)






প্রশ্ন (১৭/৩৩৭) : পিতা-মাতা ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর আমি পিতার কাছে থাকি। মায়ের অন্যত্র বিবাহ হয়েছে এবং সাবালক সন্তান আছে। এক্ষণে পিতা-মাতার প্রতি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে আমি কাকে প্রাধান্য দিব?
প্রশ্ন (২৩/৩৮৩) : ছালাতে কোন রাক‘আতে সিজদার সংখ্যা ১টি না ২টি হ’ল এমন সন্দেহ হ’লে করণীয় কি?
প্রশ্ন (৮/১৬৮) : আযল-এর বিধান সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই।
প্রশ্নঃ (১৫/১৫) : কাদিয়ানী মতবাদ সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন?
প্রশ্ন (২১/২১) : শিক্ষক শ্রেণীকক্ষে প্রবেশ করলে শিক্ষার্থীদের জন্য দাঁড়িয়ে সালাম দেওয়া শরী‘আত সম্মত হবে কি? - -আব্দুল্লাহ ছাকিব, গাযীপুর।
প্রশ্ন (১০/৩৭০) : সাড়ে বারো ভরি স্বর্ণ থেকে একই পরিবারভূক্ত অবিবাহিত ছেলে-মেয়েকে কিছু অংশ দান করে নিজের কাছে সাড়ে সাত ভরির কম জমা রাখলে উক্ত সোনার যাকাত দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (১/১৬১) : কবরস্থানের উপর ঘর-বাড়ি, টয়লেট ইত্যাদি নির্মাণ করে বসবাস করা যাবে কি? কেউ এরূপ করলে তার কী ধরনের শাস্তি হবে? দলীল ভিত্তিক জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৭/২৭৭) : অসুস্থ ব্যক্তির দো‘আ ফেরেশতাদের দো‘আর ন্যায়- কথাটির কোন সত্যতা আছে কি? - -আবু তালেব, সেতাবগঞ্জ, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (১৬/১৭৬) : রোগী দেখতে গেলে ৭০ হাযার ফেরেশতা তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। কিন্তু যারা ডাক্তার তারা তো সর্বদা রোগীর পাশে থাকেন তাদের জন্যও কি একই হুকুম?
প্রশ্ন (১০/২১০) : বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিভিন্ন শায়েখের ভক্তরা অন্য শায়েখদের দোষ-ত্রুটি তুলে ধরে, বিদ‘আতী ও কাফের বলে ফৎওয়া দেয় এবং নানা গালিগালাজ ও তুচ্ছতাচ্ছিল্যে লিপ্ত হয়। এসব করা কতটুকু জায়েয? এসবের পরিণতি কি?
প্রশ্ন (৩৬/১১৬) : কোন কোন ক্ষেত্রে ছালাত তরক করা ওয়াজিব? বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৬/৩৬) : হিজামা করিয়ে পারিশ্রমিক নেওয়া যাবে কি? অনেকে বলছে পারিশ্রমিক নেওয়া হারাম। অথচ হিজামার জন্য বিভিন্ন সরঞ্জাম যেমন, ক্যাপ, মাস্ক, হ্যান্ড গ্লোভস, ভায়োডিন ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়, যা ব্যয়বহুল। এসব আগে ব্যবহার হ’ত না, কেবল মুখ দিয়ে রক্ত টেনে বের করা হ’ত। এছাড়া বাসা ভাড়াসহ তার নিজের শ্রম রয়েছে। তাহ’লে থেরাপিষ্ট কেমন করে তার ব্যয় মেটাবেন?
আরও
আরও
.