উত্তর : বাচ্চাকে থামানোর নিয়তে এসব বলায় কোন দোষ নেই। যেমন অনর্থক বা সংকল্পহীন কসমের কোন কাফফারা নেই (বাক্বারাহ ২/২২৫; আবুদাঊদ হা/৩২৫৪, মিশকাত হা/৩৪১৭, ঐ মিরক্বাত)। তবে যদি মনের সংকল্প অনুযায়ী হয় এবং সত্যিকারের ধোঁকা দেওয়ার উদ্দেশ্যে হয়, তবে তা মিথ্যা ও পাপ হিসাবে গণ্য হবে। আব্দুল্লাহ বিন আমের (রাঃ) বলেন, ‘একদা আমার মা আমাকে ডাকলেন। নবী করীম (ছাঃ) সে  সময়ে আমাদের বাড়ীতে ছিলেন। তিনি ডাকার সময় বললেন, ‘বাবা! এদিকে এসো, তোমাকে একটি জিনিস দিব’। তখন রাসূল (ছাঃ) তাকে (ইবনে আমেরের মা) বললেন, ‘তুমি কিছু দেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে ডাকনি’? উত্তরে তিনি বললেন, ‘আমি ওকে খেজুর দিব’। অতঃপর রাসূল (ছাঃ) বললেন, ‘সাবধান! যদি তুমি তাকে কিছু না দিতে তাহ’লে এ কারণে তোমার আমলনামায় একটি মিথ্যার পাপ লিপিবদ্ধ হ’ত’ (আবুদাঊদ হা/৪৯৯১; মিশকাত হা/৪৮৮২; ছহীহাহ হা/৭৪৮)। অন্য বর্ণনায় এসেছে রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘কেউ যদি কোন শিশুকে বলে, ‘এসো এটা নাও’। অতঃপর তা না দেয়, তাহ’লে তা মিথ্যাচার হিসাবে গণ্য হবে’ (আহমাদ হা/৯৮৩৫; ছহীহুত তারগীব হা/২৯৪২)






প্রশ্ন (৮/৮৮) : ঢাকা বেতার কেন্দ্র থেকে বলা হয়েছে যে, আল্লাহ তা‘আলা যার হজ্জ কবুল করেছেন, তিনি তার বংশের ৪০০ জন লোককে সুফারিশ করে জান্নাতে নিয়ে যেতে পারবেন। উক্ত কথার সত্যতা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২৬/৬৬) : রাতে বিতর ছালাত পড়তে না পারলে দিনের বেলা তা জোড় সংখ্যায় ক্বাযা আদায় করতে হবে কি?
প্রশ্ন (২৩/২২৩) : ইয়াতীম ক্রন্দন করলে আরশ কেঁপে ওঠে এবং ইয়াতীমকে যে সন্তুষ্ট করে আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে যান। একথা ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত কি? - -আহমাদ, গাবতলী, বগুড়া।
প্রশ্ন (২৯/৪২৯) : আমি যেখানে কাজ করি তার আশেপাশে কোন মসজিদ নেই। মসজিদের দূরত্ব প্রায় দেড় থেকে দুই ঘন্টার পথ। এক্ষণে আমি অফিস থেকে জুম‘আ মসজিদের খুৎবা লাইভে শুনে জামা‘আতের সাথে জুম‘আ আদায় করতে পারব কি?
প্রশ্ন (১১/৩৩১) জুম‘আর ফরয ছালাতের আগে ও পরে সুন্নাত পড়ার বিশেষ কোন গুরুত্ব আছে কি?
প্রশ্ন (৩৩/৩৩) : সূরা মুদাছছিরের ৬ আয়াতে বলা হয়েছে, ‘অধিক পাওয়ার আশায় দান করো না’। এর ব্যাখ্যা কি? - -আখতারুল ইসলামগাংনী, মেহেরপুর।
প্রশ্ন (২৬/১৮৬) : ফজরের পর ঘুমানোর ব্যাপারে শরী‘আতে কোন নিষেধাজ্ঞা আছে কি? এসময় মানুষের রিযিক বণ্টন করা হয় মর্মে কোন দলীল আছে কি? - -আল-আমীনমধ্য নওদাপাড়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৫/৪০৫) : আমরা কয়েকজন মিলে অনলাইন থেকে পড়াশুনা সংশ্লিষ্ট কয়েকটি কোর্স কিনতে চাচ্ছি। প্রতিটি কোর্সের মূল্য কয়েক হাজার টাকা। তাই সবাই সম্মিলিতভাবে কিনলে প্রত্যেকের উপকার হয়। কিন্তু কোর্স-এর পাঠদানকারী বলছেন, প্রত্যেককে আলাদাভাবে কিনতে হবে, না হ’লে পরকালে তিনি ক্ষমা করবেন না। এক্ষেত্রে আমাদের করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩৭/২৭৭) : আমাদের জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ পুরাতন মসজিদের পরিবর্তে তার পাশেই নতুন একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়েছে। বর্তমানে অব্যবহৃত সেই পুরাতন মসজিদ ভবনটির অবকাঠামো যদি সংস্কার করা হয়, তবে সেখানে কি কোন পরিবার নিয়ে বসবাস করা কিংবা আবাসন বা বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে ভাড়া দেওয়া শরী‘আসম্মত হবে?
প্রশ্ন (৩৫/৪৩৫) : আমরা সিঙ্গাপুরে কাজ করি। সেখানে জুম‘আর দিনে ছুটি নেই। খুব অল্প সময়ের জন্য ছুটি দেওয়া হয়। মসজিদে গেলে সময় থাকে না। আমরা যেখানে কাজ করি সেখানে সবাই মিলে আযান দিয়ে জুম‘আ আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৭/১৭৭) : আমার একটি মূল্যবান জমি রয়েছে যাতে বাড়ি করার মত সামর্থ্য আমার নেই। এক্ষণে কেউ যদি দশ বছর ভোগের শর্তে সেখানে বাড়ি নির্মাণ এবং তারপর মালিকানা হস্তান্তরের চুক্তি করে, তাহ’লে তা জায়েয হবে কি? - -মুহাম্মাদ আব্দুল্লাহগাবতলী, বগুড়া।
প্রশ্ন (১৮/১৭৮) : মসজিদে দানকৃত টাকা দিয়ে মক্তব বা মাদ্রাসা পরিচালনা করা যাবে কি?
আরও
আরও
.