উত্তর : আবু হুরায়রা (রাঃ) বলেন, নবী করীম (ছাঃ) বলেছেন, ‘মাক্বামে মাহমূদ হচ্ছে সুফারিশ’ (আহমাদ, সিলসিলা ছাহীহাহ হা/২৩৬৯; আলোচনা দ্রঃ ইবনু খুযায়মাহ, সিলসিলা ছহীহাহ হা/২৪৬০; তিরমিযী হা/৩১৩৭)। কা‘ব ইবনে মালিক (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘ক্বিয়ামতের মাঠে মানুষকে উঠানো হবে। ‘আমি এবং আমার উম্মত একটি উপত্যকার উপর থাকব। আমার প্রতিপালক আমাকে সবুজ হুল্লা পরাবেন। তারপর আমাকে কথা বলার অনুমতি দেয়া হবে। তখন আমি আল্লাহ্র ইচ্ছায় যা বলার বলব। এটাই হচ্ছে মাক্বামে মাহমূদ’ (সিলসিলা ছাহীহাহ হা/২৩৭০, ইবনে হিববান হা/৬৪৪৫)। উক্ত স্থান থেকে সুফারিশের জন্য আল্লাহ মুহাম্মাদ (ছাঃ)-কে পাঠাবেন। আর তাকেই মাক্বামে মাহমূদ বলা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, যে সমস্ত হাদীছে এর অর্থ কুরসী ও আরশ করা হয়েছে এবং আল্লাহ্র পাশে তাকে বসানো হবে মর্মে উল্লিখিত হয়েছে সে সমস্ত হাদীছ জাল ও মুনকার (সিলসিলা যঈফাহ হা/৬৪৬৫, ৬৩৩৩, ৫১৬৬, ৫০০৮, ২৬৪০)।





প্রশ্ন (৩/৪৩) : পিতার অবর্তমানে বড় ভাই পিতার সমতুল্য। এ মর্মে কোন হাদীছ বর্ণিত হয়েছে কি? - -আবু আমাতুল্লাহমঠবাড়িয়া, পিরোজপুর।
প্রশ্ন (৩৬/৩৯৬) : জেনে বা না জেনে চুরি করা বস্ত্ত ক্রয় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩/১২৩) : জনৈক আলেম বলেন, কাউকে সাপে দংশন করলে সূরা ফাতিহা সাতবার পড়ে তার উপর দম করবে। অতঃপর অর্থহীন মন্ত্র পড়তে হবে। যেমন- সিজ্জাতুন তারানি য়্যাতুন মিলহাতু বাহরিন কাফাত্বা। প্রশ্ন হল, উক্ত পদ্ধতিতে ঝাড়ফুঁক করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৪/৩১৪) : আমাদের এলাকায় একদল ভাই নির্দিষ্টভাবে জুম‘আর দিন তাহাজ্জুদের জন্য যুবকদের একত্রিত করে। এভাবে তাহাজ্জুদ তথা রাত্রি জাগরণ করা জায়েয হবে কি? - আব্দুল কুদ্দূস, নাটোর।
প্রশ্ন (১৫/১৩৫) : সমাজে ইউসুফ-যুলায়খার বিবাহ নিয়ে যেসব কাহিনী প্রচলিত আছে সেসবের সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (৮/৩২৮) আমাদের এলাকায় কোন ব্যক্তি মারা গেলে তার গোসল দেওয়া স্থানটি পরবর্তী কয়েদিন যাবৎ ঘিরে রাখা হয় এবং সন্ধ্যার পর আগরবাতি জ্বালানো হয়। এগুলি কি শরী‘আতসম্মত?
প্রশ্ন (৪০/৪০) : জুম‘আর দিন পিতা-মাতার কবর যিয়ারত করা উত্তম। এ কথা সঠিক কি?
প্রশ্ন (৮/২৮৮) : ওমর (রাঃ)-এর চিঠির মাধ্যমে নীলনদের পানি প্রবাহিত হওয়ার ঘটনাটির সত্যতা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২৬/১৮৬) : ওশরের ধান ওয়ায মাহফিলে দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৩২/৩১২) : ঈদুল ফিৎর ও ঈদুল আযহার দিনে ঈদগাহ সজ্জিত করার হুকুম কি? - -শহীদুল্লাহ, বংশাল, ঢাকা।
প্রশ্ন (২২/২২২) : মি‘রাজে গিয়ে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ৫০ ওয়াক্ত ছালাত নিয়ে মূসা (আঃ)-এর সাথে সাক্ষাৎ করতে আসলে তাঁর পরামর্শে আল্লাহর নিকট থেকে কমিয়ে ৫ ওয়াক্ত করা হয়। এ বিষয়টি ছহীহ হাদীছের আলোকে বিস্তারিত জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৪/৪৩৪) : মুসলিমদের মধ্যে বিভিন্ন মাসআলায় বা মতাদর্শে মতপার্থক্য দেখা যায়। এক্ষেত্রে উম্মাহর ঐক্য বজায় রাখতে এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধা প্রদর্শনে ইসলামের নির্দেশনা কী?
আরও
আরও
.