উত্তর : যমযমের পানিসহ যেকোন পানি পুরোপুরি নিজ মালিকানায় চলে আসলে এবং তা বহনে খরচ এবং কষ্ট হ’লে বিক্রয় করা যাবে। ইবনু কুদামাহ (রহঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি তার পাত্রে পানি সংগ্রহ করে এবং সে তা (সংগ্রহ করার মাধ্যমে) মালিকানা লাভ করে। ঐ পানি বিক্রি করা তার জন্য বৈধ। এব্যাপারে বিদ্বানগণের মধ্যে কোন মতভেদ নেই এবং এভাবেই বিশ্বের বিভিন্ন নগরে দীর্ঘদিন ধরে পানিভর্তি মশক বা পাত্র বিক্রি করে আসার রীতি চলমান রয়েছে, যা কেউ অস্বীকারও করেনি’ (আল-মুগনী ৪/২১৫)। শায়খ বিন বায (রহঃ) বলেন, ‘যমযমের পানি বিক্রি করায় কোন দোষ নেই এবং এটিকে মক্কা থেকে বাইরে নিয়ে যাওয়ার মধ্যেও কোন গুনাহ বা আপত্তির কিছু নেই’ (মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৬/১৩৮)। তবে মালিকানাহীন পানি বিক্রয় করা যাবে না। কারণ তাতে সবার অধিকার রয়েছে’ (আবুদাউদ হা/৩৪৭৭; ছহীহুত তারগীব হা/৯৬৬)

প্রশ্নকারী : শফীকুল ইসলাম, রাজশাহী।








বিষয়সমূহ: হজ্জ ও ওমরাহ
প্রশ্ন (২০/২৬০) : জনৈক ব্যক্তি সমাজে অনেক শিরক ও বিদ‘আতের প্রচলন ঘটিয়েছে এবং মানুষ তা আমল করে চলেছে। পরবর্তীতে ঐ ব্যক্তি বিশুদ্ধ দ্বীনের পথে ফিরে এসেছে। এক্ষণে ঐ ব্যক্তি কি সমাজের লোকদের পাপের অংশ পেতে থাকবে? এক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তির পরিত্রাণের উপায় কি?
প্রশ্ন (১৩/১৭৩) : স্ত্রীর ঋতুস্রাব নিয়মিত সময়ের এক সপ্তাহ আগে হওয়ায় ভুলবশত ঋতু অবস্থায় নির্জনবাস হয়। এজন্য কোন কাফফারা দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (৬/২০৬) : আমাদের সমাজে ব্যাপকভাবে মানুষের নাম বিকৃত করে ডাকা হয়। এ ব্যাপারে শরী‘আতের বিধান জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৮/৩৬৮) : মসজিদের সামনে বা মেহরাবের সামনে কালেমায়ে ত্বাইয়েবা বা কালেমায়ে শাহাদাত লেখা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩২/১৯২) : সিজদা থেকে উঠে দাঁড়ানোর সময় স্বল্প সময়ের জন্য বসতে হবে না সরাসরি দাঁড়িয়ে যেতে হবে?
প্রশ্ন (১২/১২): জনৈক বক্তা বলেন, ওমর (রাঃ) যে রাস্তা দিয়ে হাঁটে ঐ রাস্তা দিয়ে শয়তান হাঁটে না। উক্ত হাদীছ কি ঠিক? যদি সঠিক হয় তাহ’লে হাদীছ সহ জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৭/৩২৭) ছিয়াম অবস্থায় ডায়াবেটিস রোগীদের ইনসুলিন গ্রহণের বিধান কি? বিশেষতঃ যাদের দিনে কয়েকবার গ্রহণের প্রয়োজন হয়।
প্রশ্ন (৭/৩২৭) : আমাদের গ্রামে কারো কোন জিনিস হারিয়ে গেলে বা চুরি হ’লে হারানো বস্ত্ত খুঁজে পাওয়ার জন্যে অথবা চোর ধরার জন্য কয়েকজন ওযূ করে একটি পিতলের বদনা নিয়ে বসে তাতে পানি দিয়ে কাঁঠালের পাতায় বিভিন্ন জনের নাম লিখে বদনাতে দিয়ে দেয়। আর পাশে বসে একজন সূরা ইয়াসীন পড়তে থাকে। আর বদনা দু’জনের দুই আঙ্গুলের উপর ধরে রাখে। এভাবে সূরা ইয়াসীন পড়তে পড়তে যখন বদনাতে চোরের নাম আসে তখন বদনা এমনিতেই ঘুরতে শুরু করে দেয়। তাদের ভাষ্যমতে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নাকি আসল চোরের নাম উঠে আসে। প্রশ্ন হ’ল এভাবে সূরা ইয়াসীন পড়ে পিতলের বদনা নিয়ে চোর ধরার পদ্ধতি অথবা এগুলোর উপর বিশ্বাস করা কিসের মধ্যে পড়ে? - -সামিয়া আখতার, আম্বরখানা, সিলেট।
প্রশ্ন (১২/১৩২) : সূদী ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, সকল ব্যাংকই যদি সূদযুক্ত হয়, তাহলে টাকা রাখার ব্যাপারে আমাদের জন্য করণীয় কি?
প্রশ্ন (২৮/৩৪৮) : বিভিন্ন ইতিহাস গ্রন্থে দেখা যায়, আবুবকর (রাঃ) ফাতিমা (রাঃ)-কে মারার জন্য কুনফুয নামক এক ব্যক্তিকে পাঠিয়েছিলেন। তার ছড়ির আঘাতে ফাতেমার গর্ভপাত হয়ে যায় এবং এর প্রভাবেই তিনি মারা যান। এই ঘটনার কোন সত্যতা আছে কি? - -আলতাফ হোসাইন, তেরখাদিয়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১৫/৩৩৫) : নারীরা পর্দা ঘেরা স্থানের মধ্যে থেকে জানাযায় ইমামের সাথে সরাসরি অংশগ্রহণ করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৩/২০৩) : জনৈক খত্বীব বলেছেন, ফরয ছালাতের জন্য ‘আল্লাহুম্মা বা‘ইদ বায়নী’ এবং নফল ছালাতের জন্য ‘সুবহা-নাকা আল্লাহুম্মা...’ ছানা পড়তে হবে। তিনি আরো বলেন, ফরয ছালাতের ছানা নফল ছালাতে এবং নফলের ছানা ফরয ছালাতে পড়া যাবে না। উক্ত বক্তব্যের সত্যতা জানিয়ে বাধিত করবেন।
আরও
আরও
.