উত্তর : এ মর্মে হাদীছে বিশেষ কোন দো‘আ বর্ণিত হয়নি। তবে এজন্য আল্লাহর কাছে সাহায্য চেয়ে দো‘আ কবুলের শ্রেষ্ঠ সময়গুলিতে যেমন রাতের শেষাংশ, সিজদার সময় বা আযান ও ইক্বামতের মধ্যবর্তী সময়ে বিভিন্ন দো‘আ পাঠ করা যায়। যেমন কুরআনে বর্ণিত দো‘আ ربنا هب لنا من أزواجنا وذرياتنا قرة أعين ‘হে আমাদের প্রতিপালক, আমাদের জন্য এমন স্ত্রী ও সন্তান দান করুন যারা আমাদের জন্য চক্ষুশীতলকারী হবে’ (ফুরকান ৭৪; কাশ্শাফ, রাযী, শাওকানী)। اللهم ربنا آتنا في الدنيا حسنة وفي الآخرة حسنة وقنا عذاب النار ‘হে আমাদের প্রতিপালক, আমাদেরকে দুনিয়াতে ও আখেরাতে মঙ্গল দান করুন এবং জাহান্নামের শাস্তি থেকে রক্ষা করুন’ (আবু দাউদ ১৫১৯) ইত্যাদি।






প্রশ্ন (২০/২২০) : হজ্জ করার নিয়তে টাকা জমা ছিল। কিন্তু পরিবারের কোন সদস্য অসুস্থ হওয়ায় চিকিৎসা বাবদ সেই টাকাগুলো ব্যয় হয়ে গেছে। নিয়ত করার পর ব্যয় করা ঠিক হয়েছে কি? এক্ষণে ঐ ব্যক্তি করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩/৪০৩) : মালয়েশিয়া ভিত্তিক ডিএক্সএন কোম্পানী যে ব্যবসা করছে তার বৈধতা সম্পর্কে জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩১/৪৩১) : মহিলাদের গার্মেন্টসে চাকুরী করা শরী‘আতসম্মত হবে কি?
প্রশ্ন (৭/২৪৭) : চেয়ারে বসে ছালাত আদায় করার বিধান কী?
প্রশ্ন (২৬/৩০৬) : কুরআনের বাইরে যেসব দো‘আ রয়েছে, সেগুলো পড়ার ক্ষেত্রে তাজবীদ ঠিক রাখা আবশ্যক কি?
প্রশ্ন (৩০/১৯০) : পিতা খালাতো ভাইয়ের সাথে আমার বোনকে বিবাহ দেয়। পরে ৮ বছরের সন্তান থাকা সত্ত্বেও তাদের মধ্যে নানাবিধ পারিবারিক সমস্যা সৃষ্টি হওয়ায় তালাক নেওয়া হয়। কিন্তু ১ বছর আমাদের বাসায় থাকার পর আমাদের সবার অবাধ্য হয়ে নতুন বিয়ের মাধ্যমে বোন তার সাবেক স্বামীর কাছে ফিরে যায়। এখন আমি তার সাথে আর সম্পর্ক রাখি না। এটা শরী‘আত সম্মত হবে কি?
প্রশ্ন (২৭/৩০৭) : আমি মাথায় পৃথক স্কার্ফ বেঁধে তার উপর বোরকা পরিধান করি। এক্ষণে ওযূর সময় কিভাবে মাথা মাসাহ করব? আমাকে উক্ত স্কার্ফটি খুলতে হবে নাকি স্কার্ফের ওপরই মাথা মাসাহ জায়েয হবে? - -মাহফূযা খাতুন, সাবগ্রাম, বগুড়া।
প্রশ্ন (১৭/৪১৭) : আমি বড় ভাইয়ের টাইলসের ব্যবসায় বেশ কিছু অর্থ বিনিয়োগ করেছি এই শর্তে যে, ব্যবসায় তার লাভ যাই হৌক না কেন প্রতি লাখে প্রতি মাসে তিনি আমাকে দুই হাযার টাকা লাভ দিবেন। এরূপ চুক্তি শরী‘আত সম্মত কি?
প্রশ্ন (৩/১২৩) : মৃত্যু বা জন্ম দিবস উপলক্ষে সভা, সমিতি, সম্মেলন করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৩/৯৩) : আমি একজন সরকারী চাকুরীজীবী। আমাকে প্রতি মাসে বেতনের বাইরে একটি নির্দিষ্ট অংকের ভ্রমণ ভাতা প্রদান করা হয়। কিন্তু এই বিলটি পাওয়ার জন্য আমাকে যে ভ্রমণের কথা উল্লেখ করতে হয়, সেই ভ্রমণ আমি বাস্তবে করি না; এটি কেবল কাগজপত্রের মাধ্যমে দেখানো হয়। আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন এবং এতে তাদের কোন আপত্তি নেই। রাষ্ট্রীয় অর্থ এভাবে গ্রহণ করাকে আমি যুক্তিযুক্ত মনে না করায় বর্তমানে তা নেওয়া বন্ধ রেখেছি। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সম্মতি থাকলেও, বাস্তবে ভ্রমণ না করে এভাবে ভুয়া বিলের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (১৮/৯৮) : ছালাতের মধ্যে দো‘আ মাছুরার সাথে রাসূল (ছাঃ) আর কি কি দো‘আ পড়তেন?
প্রশ্ন (৭/৪৪৭) : জনৈক ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক দিতে চায়। তাদের দু’টি সন্তান রয়েছে। এখন সন্তান দু’টি কার নিকটে থাকবে।
আরও
আরও
.