উত্তর : প্রথমত শারঈ পর্দার বিধান মেনে সুন্দর ও মার্জিত কালারের বোরক্বা ও নেক্বাব পরিধান করে প্রয়োজনে বাইরে যেতে পারে। তবে অবশ্যই তা ঢিলেঢালা হ’তে হবে (আহযাব ২৪/৫৯)। এছাড়াও আল্লাহ বলেন, ‘আর তোমরা (নারীরা) নিজেদের গৃহে অবস্থান করো এবং পূর্ব জাহিলিয়াতের মতো প্রকাশ্যে সৌন্দর্য প্রদর্শন করো না (আহযাব ২৪/৩৩)। উছায়মীন (রহঃ) বলেন, ‘যদি কোন দেশে নারীদের মধ্যে সাদা কাপড় পরা প্রচলিত থাকে, তাহ’লে নারীর জন্য সাদা কাপড় পরায় কোন দোষ নেই। তবে শর্ত হ’ল, সেটা যেন পুরুষদের কাপড়ের মতো না হয়। রঙ নিজে গুরুত্বপূর্ণ নয়; বরং শর্ত হ’ল নারীর কাপড় যেন পুরুষের কাপড় থেকে পৃথক হয়। কিন্তু যদি কোন দেশের প্রথায় নারীরা সাধারণত কালো, সবুজ বা লাল কাপড় পরে এবং সাদা পরা তাদের মধ্যে বিরল হয় বা চোখে পড়ার মতো কিছু হয়, তাহ’লে তাদের উচিত নিজেদের দেশের প্রচলিত পোষাকই পরিধান করা এবং নিজেকে সম্পূর্ণরূপে আবৃত রাখা (আল-লিক্বাউশ শাহরী ৬৬/২৬)। অন্যত্র তিনি বলেন, নারীর জন্য যেকোন কাপড় পরা জায়েয, যতক্ষণ না সেটা ‘তাবাররুজ’ বা সৌন্দর্য-প্রদর্শনের পর্যায়ে পড়ে। সর্বোপরি এক্ষেত্রে মূলনীতি হচ্ছে- কাপড়ের রঙ নয়, বরং যা ফিতনার কারণ হয় বা মানুষ যেটাকে সৌন্দর্যরূপে দেখে, তা এড়িয়ে চলতে হবে। আর সামাজিক মাধ্যমে নারীদের কোন প্রকারের ছবি প্রকাশ করা জায়েয নয়। কারণ এটি ফিৎনার কারণ।

প্রশ্নকারী : মুরাদ, টাঙ্গাইল।








বিষয়সমূহ: মহিলা বিষয়ক
প্রশ্ন (২৭/৪২৭) : বন্ধক গ্রহীতা বন্ধকী জমি ও তার ফসল ভোগ করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৩৬/৪৭৬) : রামাযান মাসে সাহারী খাওয়ার পূর্বে স্বপ্নদোষ হ’লে সাহারীর পূর্বেই পবিত্র হওয়া আবশ্যক কি?
প্রশ্ন (৩১/৪৩১) : আমরা ৩ বান্ধবী একসাথে একটা বাসা ভাড়া নিয়ে পড়ার জন্য থাকি। সম্প্রতি আমি জানতে পারি যে, বাসায় থাকা অবস্থায় তোলা আমার পর্দাহীন কিছু ছবি আমার বান্ধবীর মাধ্যমে কিছু ছেলে দেখেছে। এজন্য আমি গুনাহগার হব কি?
প্রশ্ন (৩৭/১৯৭) : কোন প্রতিষ্ঠান থেকে অগ্রিম রড ক্রয়ের জন্য টাকা দেয়া হ’ল এ মর্মে যে রডের দাম কমে গেলে দাম কম ধরতে হবে কিন্তু বেশী হয়ে গেলে বেশী ধরা যাবে না। এরূপ চুক্তি জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩/২৪৩) : আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থায় ক্যাশব্যাক অফার বা পয়েন্ট সিস্টেম ব্যবহার করে কেনাকাটা করা কি সূদের আওতায় পড়বে?
প্রশ্ন (২৯/১৮৯) : সম্প্রতি ‘মিলাদ ও কিয়ামের অকাট্য প্রমাণ’ নামে জনৈক মুফতী একটি বই বের করেছেন। সেখানে আপনাদের প্রকাশিত ‘মীলাদ প্রসঙ্গ’ বইয়ের ও তার বিজ্ঞ লেখকের বিরুদ্ধে অশ্রাব্য ভাষায় গালি-গালাজ করা হয়েছে। উক্ত বইয়ে কুরআন-হাদীছের মাধ্যমে মীলাদ-কিয়াম প্রমাণ করা হয়েছে। তাতে মানুষ বিভ্রান্তিতে পড়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে আপনাদের বক্তব্য কি?
প্রশ্ন (৩৭/৩৫৭) :ধর্ষণের শিকার হয়ে কোন নারী গর্ভবতী হ’লে তার জন্য সন্তান জন্ম দেয়া এবং এ্যাবোরশন করে সন্তান ফেলে দেয়া বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (৩২/৩৯২) : তিন ব্যক্তির দো‘আ কবুল করা হয় না। (১) যে ব্যক্তির দুশ্চরিত্রা স্ত্রী আছে, কিন্তু সে তাকে তালাক দেয় না। (২) যে ব্যক্তির অন্য লোকের কাছে পাওনা আছে, কিন্তু সে তার স্বাক্ষী রাখেনি। (৩) যে ব্যক্তি নির্বোধ ব্যক্তিকে সম্পদ দিয়ে দেয় অথচ আল্লাহ বলেন, তোমরা নির্বোধদেরকে তোমাদের সম্পদ দিয়ো না’ হাদীছটির বিশুদ্ধতা এবং ব্যাখ্যা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৬/৪০৬) : আকীকার সময় নবজাতকের ২টি নাম রাখা যায় কি?
প্রশ্ন (১৪/১৭৪) : হাদীছে বর্ণিত ‘নারদাশীর’ খেলা দ্বারা নববী যুগে এবং বর্তমান যুগে কোন খেলাকে বুঝানো হয়েছে? - -আব্দুল মান্নান, মোহনপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৭/৪৩৭) : শরী‘আত নির্ধারিত দন্ড যেমন যেনার শাস্তি, বেত্রাঘাত, হস্তকর্তন ইত্যাদি শাস্তি দুনিয়াতে হয়ে গেলে পরকালে আল্লাহ তা‘আলা কি পুনরায় শাস্তি দিবেন?
প্রশ্ন (২৭/৩৮৭) : ছালাতের শেষ তাশাহহুদে যোগদান করলে যেহেতু তা রাক‘আত হিসাবে গণ্য হয় না, সেহেতু তাশাহহুদে পঠিতব্য দো‘আগুলি পাঠ করতে হবে কি? - -রাকীবুল ইসলাম, তানোর, রাজশাহী।
আরও
আরও
.