উত্তর : তিনি স্বহস্তে গাছ লাগিয়েছেন একথা ঠিক। রাসূল (ছাঃ) সালমান ফারেসী (রাঃ)-এর দাসত্বমুক্তির জন্য চুক্তিকৃত জমিতে বরকতের উদ্দেশ্যে নিজ হাতে খেজুর গাছের চারা রোপণ করেছিলেন (আহমাদ হা/২৩৭৮৮; সিলসিলা ছহীহাহ হা/৮৯৪)। এটি কোন বাধ্যগত বিষয় নয়। বরং তিনি গাছ লাগানোর প্রতি উৎসাহিত করেছেন। যেমন তিনি বলেন, ‘কোন মুসলিম ব্যক্তি যদি গাছ লাগায় অথবা শস্য উৎপাদন করে, অতঃপর সে শস্য বা গাছ মানুষ, পশু-পক্ষী বা চতুষ্পদ জন্তু ভক্ষণ করে, তবে তা ঐ ব্যক্তির জন্য ছাদাক্বা হবে’ (বুখারী হা/৬০১২, মুসলিম হা/১৫৫২)। তিনি এটাকে ছাদাক্বায়ে জারিয়ার অন্যতম উৎস হিসাবে বর্ণনা করেছেন। যেমন তিনি বলেন, মৃত্যুর পর ক্বিয়ামত পর্যন্ত বান্দার সাতটি আমল প্রবহমাণ থাকে। (১) দ্বীনী ইলম শিক্ষাদান (২) নদী-নালা প্রবাহিত করণ (৩) কূপ খনন (৪) খেজুর বৃক্ষ রোপণ (৫) মসজিদ নির্মাণ (৬) কুরআন বিতরণ (৭) এমন সন্তান রেখে যাওয়া, যে পিতার মৃত্যুর পর তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করে’ (মুসনাদে বাযযার হা/৭২৮৯, বায়হাক্বী শু‘আব, সিলসিলা ছহীহাহ হা/৫৯১৫)






প্রশ্ন (৭/৪০৭) : কারু সুস্থতা কামনা বা বিপদমুক্তির জন্য ছিয়াম রাখা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৯/১৯) : মসজিদে ছাগল, মুরগী, ডাব ইত্যাদি দান বা এসব বিক্রি করে মসজিদের উন্নয়নকাজে লাগানো যাবে কি? - -মাহবূবুর রহমান, গাংনী, মেহেরপুর।
প্রশ্ন (৩/৩২৩) : চিকিৎসা হিসাবে তাবীয ব্যবহার করা যাবে কি? যদি এটা শিরক হয়, তবে অন্যান্য চিকিৎসা গ্রহণ করাও কি শিরক হবে?
প্রশ্ন (৯/৪৪৯) : আমার ব্যাংকে জমানো টাকা থেকে যে সূদ আসে তা আমি গরীব মানুষের মধ্যে বিতরণ করি। এক্ষণে নতুন বাড়ি করার সময় হিজড়া এবং চাঁদাবাজরা যে টাকা দাবী করে, তাদেরকে সূদের টাকা প্রদান করা যাবে কি?
প্রশ্নঃ (৯/১৬৯): সুন্নাত ছালাতের পর তাসবীহ গণনা সহ আয়াতুল কুরসী পড়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৫/৩৫৫) : মানুষ কি কখনো জিন বা শয়তানকে দেখতে পারে? - -আজমল ফুয়াদ, বদলগাছি, নওগাঁ।
প্রশ্ন (৩৯/২৭৯) : মসজিদে প্রথম জামা‘আত হয়ে গেলে পরের মুছল্লীরা জামা‘আত করে ছালাত আদায় করতে পারবে কি? এই জামা‘আতের সময় এক্বামত দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১৬/৪৫৬) : জারজ সন্তান যদি কুরআন ও ছহীহ হাদীছ অনুযায়ী ছালাত আদায় করে তাহলে তার সাথে চলাফেরা করা এবং তার মৃত্যুর পর জানাযায় শরীক হওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১১/৪৫১) : মাগরিবের ছালাতের পূর্বে যে দুই রাক‘আত নফল ছালাত আদায় করা হয় তার গুরুত্ব কতটুকু?
প্রশ্ন (২১/৩৪১) : আমি একজন উচ্চ শিক্ষিতা মেয়ে। আমি পিতা-মাতাকে না জানিয়ে বিয়ে করেছি। বিয়েতে কোন ওয়ালী ছিল না। ১ জন ছেলে ও ১ জন মেয়ে সাক্ষী হিসাবে ছিল। দেনমোহর ১ লক্ষ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। আমার পরিবার আমার বিয়ে মেনে নেয়নি। ‘তারা আমাকে ডিভোর্স লেটারে সাইন করিয়েছে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে। আমার স্বামী ধার্মিক এবং গোপনে বিয়ের জন্য আমরা খুবই লজ্জিত ও আল্লাহর কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। ইতিমধ্যে ২টা ডিভোর্স লেটার পাঠানো হয়েছে। জুন মাসে শেষ পত্রটি যাবে। এক্ষণে স্বামীর কাছে প্রত্যাবর্তনের জন্য আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (২৮/১৮৮) : আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘ওয়া খালাক্বনা -কুম আযওয়া-জা’। এর দ্বারা কি শুধু মানুষের কথা বলা হয়েছে? যদি তাই হয় তাহলে এক ব্যক্তি দু’টি বা তিনটি বিয়ে করে কেন? উক্ত আয়াতের ব্যখ্যা সম্পর্কে জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৬/১৯৬) : অনেকেই মসজিদে বিভিন্ন পণ্য কিংবা ফলমূল দান করেন। সেগুলো সবাইকে ডেকে নিলামে তুলে বিক্রয় করা জায়েয হবে কি?
আরও
আরও
.