উত্তর : সন্তান যতদিন উপার্জনক্ষম না হয়, ততদিন পিতার অর্থ গ্রহণ করবে। কারণ সাধ্যের বাইরে আল্লাহ মানুষের উপর কোন কাজ চাপিয়ে দেন না (বাক্বারাহ ২/১৮৬)। তবে কর্মক্ষম হলে তাকে নিজে হালাল রূযীর চেষ্টা করতে হবে। আল্লাহ বলেন, হে মানুষ পৃথিবীর মধ্যে যা হালাল ও পবিত্র, তা থেকে ভক্ষণ কর এবং শয়তানের পদাংক অনুসরণ করো না। নিশ্চয় শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু’ (বাক্বারাহ ১৬৮)






প্রশ্ন (৪০/১৬০): আল্লাহ তা‘আলা কুরআনে বলেছেন, আমি ছয় দিনে আসমান, যমীন ও এর মাঝে যা কিছু আছে সবই সৃষ্টি করেছি। প্রশ্ন হল, দিন বলতে ২৪ ঘণ্টার দিন না ছয়টি যুগ?
প্রশ্ন (১৭/২৫৭) : জন্মের পর থেকে কোন পিতা যদি সন্তানের প্রতি কোন দায়িত্ব পালন না করে সেই পিতার প্রতি সন্তানের কোন দায়িত্ব আছে কি?
প্রশ্ন (৭/৪৪৭) : ছিয়াম ভঙ্গের কারণ সমূহ কী কী? ছিয়াম অবস্থায় কী কী কাজ করা মাকরূহ।
প্রশ্ন (২৮/২২৮) : দাড়ি কেটে-ছোট রাখা যাবে কি এবং নিচের ঠোটের নিচে যে দাড়ির মত লোম গজায়, সেগুলো কাচি দ্বারা ছোট করা অথবা চেছে ফেলা যাবে কি? জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২৪/২২৪) : আমাদের দিকে নির্দিষ্ট টাকার বিনিময়ে কয়েক বছরের জন্য জমি বন্ধক রাখা হয়। এটা করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৯/৪৯) : মসজিদে জুম‘আর ছালাতের আগে বা পরে মুছল্লীদের জানার স্বার্থে ইমামের নেতৃত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বের আয়োজন করায় শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি? - -মাহবূবুর রহমানক্ষেতলাল, জয়পুরহাট।
প্রশ্ন (৩৪/৩৯৪) : বাস-ট্রাক, মোটর সাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের সামনে আল্লাহু আকবার, বিভিন্ন আয়াত ইত্যাদি লেখা হয়। এটা শরী‘আতসম্মত কি?
প্রশ্ন (২৮/৪৬৮) : আত্মীয়ের বাসায় বেড়াতে গিয়ে ছালাত ক্বছর করতে চাচ্ছি। কিন্তু কোন ব্যস্ততা না থাকায় এবং পাশেই মসজিদ থাকায় প্রতি ওয়াক্ত ছালাত জামা‘আতে পড়েছি এবং সাথে সুন্নাত ছালাতগুলোও পড়েছি। এক্ষণে ক্বছর করা এবং জামা‘আতে ছালাত আদায় কোনটি যরূরী? আর সুন্নাত আদায় করলে গুনাহ হবে কি?
প্রশ্ন (৩৪/১৯৪) : ফজর, মাগরিব এবং এশার ক্বাযা ছালাত অন্য সময় পড়লে সেখানে ক্বিরাআত সরবে না নিরবে পড়তে হবে। ক্বাযা ছালাতের এক্বামত দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (১০/২৫০) : কাউকে স্বামী বা স্ত্রী হিসাবে কামনা করে আল্লাহর নিকটে দো‘আ করা যাবে কি? - -রায়হান, যশোর।
প্রশ্ন (৩২/৩২) : ঋণদাতা ও গ্রহীতা উভয়েই মৃত। তাদের ওয়ারিছ পাওয়া যায় না। এক্ষণে ঋণগ্রহীতার ওয়ারিছগণ ঋণদাতার উক্ত ঋণ কিভাবে পরিশোধ করবে?
প্রশ্ন (২৫/১০৫) : গভীর সমুদ্রে ইউনুস (আঃ) মাছের পেটে চল্লিশ দিন অবস্থান করেন। অতঃপর এক দ্বীপে প্রখর রৌদ্রের মধ্যে ক্ষুধার্ত ও অচেতন অবস্থায় মাছ উগরে ফেলে দেয়। আল্লাহ সেখানে একটি লাউ গাছ সৃষ্টি করেন এবং সুস্বাদু লাউ ফলান। এক পর্যায়ে একটি বকরী এসে তাঁর পাশে দাঁড়ালে তিনি প্রাণ ভরে দুধ পান করলেন। উক্ত বক্তব্যের সত্যতা জানতে চাই।
আরও
আরও
.