উত্তর : বিবাহের পূর্বে যতই শর্ত করে থাক না কেন, কোন তালাক হবে না। কারণ তালাকের পূর্ব শর্ত হচ্ছে স্ত্রী স্বামীর বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ থাকা (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৭/৩৪৬)। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, বিয়ের পূর্বে তালাক নেই (ইবনু মাজাহ হা/২০৪৮; মিশকাত হা/৩২৮১, সনদ ছহীহ)। তিনি আরো বলেন, নারীকে স্পর্শ করা যার জন্য বৈধ, তালাকের অধিকার তার (ইবনু মাজাহ হা/২০৮১; ছহীহুল জামে‘ হা/৭৮৮৭)। অতএব বিবাহের পূর্বে তালাক সম্পর্কিত যে শর্তারোপই করা হোক কেন, তা কার্যকর হবে না।

প্রশ্নকারী  : মুহাম্মাদ ফাহাদ, গাযীপুর।








বিষয়সমূহ: বিবাহ ও তালাক
প্রশ্ন (৩৩/৪৭৩) : ‘রাসূল (ছাঃ) রোদের মধ্যে পথ চললে তাঁর শরীরে রোদ লাগত না, এক খন্ড মেঘ তাঁকে ছায়া করে থাকত’ এ কথা কি সঠিক? - -আরীফ, খালিশপুর, খুলনা।
প্রশ্ন (১০/২৫০) : ঈদের ছালাত আদায়ের পর একাধিক ব্যক্তি খুৎবা দিতে পারবেন কি?
প্রশ্ন (২০/৩৪০) : আমার বাড়িতে দীর্ঘ তিন মাস যাবত একটি মোরগ আসছে। যার মালিক খুঁজে পাচ্ছি না। আঁটকিয়ে রাখছি না তবে খাবার খাওয়াচ্ছি। রাতে হেফাযত করার জন্য ঘরের ভিতর রাখি। বেওয়ারিশ এই মোরগ কি আমি বিক্রি করতে বা খেতে পারব? - -সাইফুল ইসলাম, শ্রীপুর, গাযীপুর।
প্রশ্ন (৭/৪৪৭) : জামা‘আতে থাকা অবস্থায় কোন মুছল্লী বাধ্য হয়ে ছালাত ত্যাগ করলে পার্শ্ববর্তী মুছল্লীকে সরে এসে উক্ত খালি স্থান পুরণ করতে হবে কি?
প্রশ্ন (২১/১০১) : রাসূল (ছাঃ) কি নূরের না মাটির তৈরী? তিনি যে নূরের তৈরী সূরা মায়েদার ১৫নং আয়াত কি তার প্রমাণ নয়? বিস্তারিত জানতে চাই।
প্রশ্ন (২৬/২৬৬) : আমি রসায়নে অনার্স করে এ বিষয়ে দক্ষ শিক্ষক ও গবেষক হ’তে চাই। কিন্তু আমার মনে হচ্ছে যে আমি এই পড়াশুনা করে ধর্মীয় দিক দিয়ে পিছিয়ে যাব। এক্ষণে জেনারেল পড়াশুনা করেও দ্বীনের উপর টিকে থাকার জন্য আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (১৮/২৯৮) : কনে দ্বীনদার, কিন্তু তার পরিবার মাযহাবী এবং দ্বীনের প্রতি গাফেল। এরূপ নারী বিবাহ করা যাবে কি? - -তাওহীদুর রহমান, সাহেববাজার, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩১/৩৫১) : মসজিদ নির্মাণে অর্থ আদায়ের সময় তা হালাল না হারাম জেনে নেওয়া আবশ্যক কি? হারাম টাকা হ’লে ফেরৎ দেওয়া আবশ্যক কি?
প্রশ্ন (৭/৪৭) : ঈদের মাঠ পাকা করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৭/২৮৭) : ঈদের ছালাতে কুনূতে নাযেলা পাঠ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৭/৮৭) : মারিয়া ক্বিবত্বিয়া কি রাসূল (ছাঃ)-এর স্ত্রী ছিলেন? এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে চাই। - -হাসান, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (১/২৮১) : জনৈক লেখক বলেন যে, বাঁশির শব্দে ইবনু ওমর (রাঃ) কানে আঙ্গুল দেয়াতে গান হারাম হয়েছে তা বলা যায় না (সৌভাগ্যের পরশমণি)। আবার রাসূল (ছাঃ) নিজে কানে আঙ্গুল দিয়েছিলেন কিন্তু ইবনু ওমর (রাঃ)-কে তা করতে বলেননি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও খলীফাদের যুগে বাদ্যযন্ত্র ও গান নিষেধ ছিল না; বরং তা উপভোগ করা হত (তাবারী)। তিনি আরো বলেন, কুরআনে এমন কোন আয়াত নেই যা গানকে হারাম করে। তাই ইবনে হাজার, ইবনু খাল্লিকান, জালালুদ্দীন সুয়ূত্বী, গাযালী প্রমুখ বিদ্বানদের মতে বাদ্যযন্ত্রসহ গান শোনা বৈধ। যদি তা সৎ উদ্দেশ্যে এবং কল্যাণকর কথা হয়। উক্ত দাবীগুলো কি সত্য? সৌভাগ্যের পরশমণি’ এবং ‘এহইয়াউ উলূমিদ্দীন’ বইগুলো কি গ্রহণযোগ্য?
আরও
আরও
.