উত্তর : ইমামের ভুল সংশোধনের জন্য আল্লাহু আকবার বলা সুন্নাত সম্মত পন্থা নয়। বরং ভুল সংশোধনের বাক্য হচ্ছে সুবহানাল্লাহ(আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়াহ ১১/২৮৮)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘ছালাতের মধ্যে যে ব্যক্তির কাছে কোন কিছু আপতিত হয় সে ব্যক্তি যেন সুবহা-নাল্লাহ পড়ে নেয়। আর হাতে হাত মারা কেবল মহিলাদের জন্য নির্দিষ্ট। অপর বর্ণনায় আছে, তিনি বলেছেন, ‘তাসবীহ পড়া পুরুষের জন্য, আর হাতে হাত মারা নারীদের জন্য’ (বুখারী হা/১২১৮; মিশকাত হা/৯৮৮)। উল্লেখ্য যে, লোকমার জন্য আল্লাহু আকবার বলার বিষয়ে কোন দলীল পাওয়া যায় না।

প্রশ্নকারী : আসাদ বিন হাফীয, নওদাপাড়া, রাজশাহী।








বিষয়সমূহ: ছালাত
প্রশ্ন (৭/৩২৭) ছিয়াম অবস্থায় ডায়াবেটিস রোগীদের ইনসুলিন গ্রহণের বিধান কি? বিশেষতঃ যাদের দিনে কয়েকবার গ্রহণের প্রয়োজন হয়।
প্রশ্ন (৫/১৬৫) : শুনেছি মানুষের রক্ত ভক্ষণ হারাম। কিন্তু আমার দাতে সমস্যা থাকায় মাঝে মাঝে রক্ত বের হয়ে খাবারের সাথে ভিতরে চলে যায়। এটা হারাম ভক্ষণের শামিল হবে কি? - -রাজীবুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা।
প্রশ্ন (২৮/৬৮): ছালাতের মধ্যে হাঁচি আসলে আলহামদু-লিল্লাহ বলা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৬/৩৪৬) : ইমাম যখন সালাম ফিরাবে তখন মুছল্লীরা কি তার জবাব দিবে?
প্রশ্ন (৩৪/১৯৪) : ওয়ায মাহফিল, ইসলামী ক্লাস ইত্যাদি চলা অবস্থায় আযানের জবাব দেওয়া বা আযানের দো‘আ পাঠ করার বিধান কি? - -আব্দুল কাদেরগোদাগাড়ী, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৩/১৯৩) : নামের শেষে হাসান, হোসাইন, আলী ইত্যাদি যুক্ত করে নাম রাখা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩২/১১২) : রাসূল (ছাঃ)-এর ছালাত কি বিভিন্ন রকমের ছিল? চার ইমাম কেন ছালাতের চার রকম নিয়ম তৈরি করলেন? আর যদি তারা না তৈরি করেন তবে কে করল?
প্রশ্ন (১৩/১৭৩) : স্ত্রীর ঋতুস্রাব নিয়মিত সময়ের এক সপ্তাহ আগে হওয়ায় ভুলবশত ঋতু অবস্থায় নির্জনবাস হয়। এজন্য কোন কাফফারা দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (৩৫/৭৫) : কোন ব্যক্তিকে জিনে ধরলে তাকে কবিরাজের মাধ্যমে গলায় তাবীয দিয়ে জিন ছাড়ানো হয়। তাবীযটি সর্বদা না বাঁধা থাকলে পুনরায় জিন আছর করে। এরূপ তাবীয ব্যবহার কি শরী‘আত সম্মত? যদি না হয়, তবে করণীয় কি?
প্রশ্ন (১৬/১৬) : গোসল ফরয হওয়া অবস্থায় হালাল পশু যবেহ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩২/৩৫২) : স্বামী ও স্ত্রী জামা‘আতে ছালাত পড়তে পারবে কি? - -আব্দুল হাকীম, মিরপুর, ঢাকা।
প্রশ্ন (১৩/৯৩) : আমি একজন সরকারী চাকুরীজীবী। আমাকে প্রতি মাসে বেতনের বাইরে একটি নির্দিষ্ট অংকের ভ্রমণ ভাতা প্রদান করা হয়। কিন্তু এই বিলটি পাওয়ার জন্য আমাকে যে ভ্রমণের কথা উল্লেখ করতে হয়, সেই ভ্রমণ আমি বাস্তবে করি না; এটি কেবল কাগজপত্রের মাধ্যমে দেখানো হয়। আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন এবং এতে তাদের কোন আপত্তি নেই। রাষ্ট্রীয় অর্থ এভাবে গ্রহণ করাকে আমি যুক্তিযুক্ত মনে না করায় বর্তমানে তা নেওয়া বন্ধ রেখেছি। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সম্মতি থাকলেও, বাস্তবে ভ্রমণ না করে এভাবে ভুয়া বিলের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করা জায়েয হবে কি?
আরও
আরও
.