উত্তর : ওমরাহ করার নিয়ত না থাকলে হজ্জ পালনকালে মীক্বাতের বাইরে গেলে মীক্বাত থেকে পুনরায় ইহরাম বাঁধার প্রয়োজন নেই। কেননা রাসূল (ছাঃ) মীক্বাত সমূহ নির্ধারণ করে বলেছেন, এগুলি ঐসব অঞ্চলের অধিবাসীদের জন্য এবং তা অতিক্রমকারী অন্য অঞ্চলের লোকদের জন্য যারা হজ্জ ও ওমরাহ পালনের সংকল্প করে’ (বুখারী হা/১৫২৪; মুসলিম হা/১১৮১; মিশকাত হা/২৫১৬)। ওমরার নিয়তে ইহরাম বিহীন অবস্থায় মক্কায় প্রবেশ করলে তাকে দম দিতে হবে।

উল্লেখ্য যে, উক্ত মীক্বাত হ’তে হবে মূল মীক্বাত; ‘তান‘ঈম’ বা ‘জি‘ইর্রানাহ’ নয়। কেননা এগুলি শুধুমাত্র মক্কাবাসীদের ওমরার ইহরাম বাঁধার স্থান। অন্যদের জন্য নয় (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/২৫৫৬, ২৬৬৭; ফাৎহুলবারী হা/১৫২৪-এর আলোচনা; দ্রঃ আত-তাহরীক মে’১৪ ফৎওয়া নং ১/২৪১)






প্রশ্ন (৩২/২৩২) : পিতার পাপ ছেলের উপর বর্তাবে কি?
প্রশ্ন (২৩/৪৬৩) : ‘তোমরা ভূ-সম্পত্তির প্রতি আকৃষ্ট হয়ো না, তা তোমাদেরকে দুনিয়ামুখী করে তুলবে’ এ কথাটি সঠিক কি? এর ব্যাখ্যা কি?
প্রশ্ন (১৫/৯৫) : ‘মিল্লাতা আবীকুম ইরবাহীমা, হুয়া সাম্মাকুমুল মুসলেমীন’ আয়াতটির অর্থ কি? জনৈক টিভি আলোচক বলেন, ইব্রাহীম (আঃ) আরবদের পিতা, সকল মুসলিমের পিতা নন। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (২৩/৬৩) : পবিত্র কুরআনে বর্ণিত শো‘আয়েব (আঃ) কি নবী ছিলেন, না একজন সৎ ব্যক্তি ছিলেন?
প্রশ্ন (১১/২১১) : যে ব্যক্তি তেলাওয়াত জানা সত্ত্বেও কুরআন তেলাওয়াত পরিত্যাগ করবে তার কি গুনাহ হবে?
প্রশ্ন (২২/২২) : জনৈক আলেম বলেন, সব হাদীছই তো রাসূলের। তা আবার ছহীহ বা যঈফ হয় কিভাবে?
প্রশ্ন (৪/২৪৪) : চলমান জামে মসজিদের নামে গ্রামের অপর প্রান্তে ওয়াকফকৃত জমিতে মুছল্লীদের ছালাতের সুবিধার্থে ওয়াক্তিয়া মসজিদ নির্মাণ করা যাবে কি? উল্লেখ্য যে, জামে মসজিদটি অনেক দূরে হওয়ার কারণে জামা‘আতে অংশগ্রহণ করা অনেক মুছল্লীর জন্য কষ্টদায়ক হয়। - -সেকান্দার, নিয়ামতপুর, নওগাঁ।
প্রশ্ন (৮/৮৮) : রাসূল (ছাঃ) কি তার সকল বক্তব্যের ক্ষেত্রেই দাঁড়িয়ে এবং হাতে লাঠি নিয়ে বক্তব্য দিতেন? এখন যারা মাহফিল, তা‘লিমী বৈঠকে বক্তব্য রাখেন, তাদের কি দাঁড়িয়ে এবং হাতে লাঠি নিয়ে বক্তব্য রাখা উচিত?
প্রশ্ন (১/১৬১) : ছহীহ হাদীছ কুরআনের বিরোধী হ’লে তা গ্রহণযোগ্য হবে কি? - -ইদরীস আলী, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ।
প্রশ্ন (৩৮/৩৫৮) : ছালাতরত অবস্থায় মোবাইলে রিং বেজে উঠলে করণীয় কি?
প্রশ্ন (১০/৯০) : বিদ্যুৎ বিল নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দিতে না পারলে গ্রাহকের কাছ থেকে সূদ হিসাবে কিছু টাকা নেওয়া হয়। এজন্য গ্রহীতা বা দাতা উভয়েই কি গুনাহগার হবে?
প্রশ্ন (১৩/২৯৩) : আমি জীবনে বহু মানুষের গীবত করেছি, তোহমতও দিয়েছি। আমার জানামতে এ গোনাহ আল্লাহ ক্ষমা করবেন না। যাদের গীবত করেছি তাদের অনেকের সাথে আমার যোগাযোগও নেই। আবার ক্ষমা চাওয়াও লজ্জার ব্যাপার। এক্ষণে এ পাপ থেকে বাঁচার জন্য আমার করণীয় কি?
আরও
আরও
.