উত্তর : কুরবানী উল্লেখিত নিযাম নামক ব্যক্তির পক্ষেই গণ্য হবে। কারণ তার জন্যই নিয়ত করা হয়েছিল। আর রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘প্রত্যেক ভালো কাজের ছওয়াব প্রাপ্তি নির্ভর করে নিয়তের উপর (বুখারী হা/১; মিশকাত হা/১)। অতএব ইমাম কুরবানী দাতার নাম উচ্চারণে ভুল করলেও নিয়তের কারণে উদ্দিষ্ট ব্যক্তির নামেই কুরবানী হবে (মারদাভী, আল-ইনছাফ ৪/৯৪; শরহু মুখতাছারে খলীল ৩/৪৩)

প্রশ্নকারী : নুরুল ইসলাম, পাবনা।








বিষয়সমূহ: কুরবানী
প্রশ্ন (৩১/১৯১) : ছহীফা কয়টি এবং কাদের উপর তা নাযিল হয়েছিল? - -মুহায়মিনুল হক লাবীব, শ্যামলী, ঢাকা।
প্রশ্ন (১৬/১৩৬) : জাপানে অনেক প্রবাসী ভাইকে দেখা যায় জাল কাবিননামা, শিক্ষা সনদ, সন্তান জন্মসনদ ইত্যাদি বানিয়ে সেদেশের নানা রকম সরকারী সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করছে। এটা কতটুকু হালাল হচ্ছে? এভাবে জালিয়াতির আশ্রয় কুফল সম্পর্কে জানতে চাই।
প্রশ্ন (১৩/১৭৩) : মানতকৃত পশুর গোশতের অংশ নিজে খাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৫/২০৫) :টয়লেটে থাকা অবস্থায় কুরআন শ্রবণ করা জায়েয কি?
প্রশ্ন (২৬/২৬) : কম্পিউটারের দোকানে মাঝে মাঝেই আমাদের জমি বন্ধকের চুক্তিপত্র লিখতে হয়। এটা কম্পোজ করে দিলে কি আমাকে গোনাহের ভাগিদার হ’তে হবে?
প্রশ্ন (১১/১৭১) : মুসলিম হা/১৪৮০-এর বর্ণনায় অনুযায়ী রাসূল (ছাঃ) ফাতেমা বিনতে ক্বায়েস (রাঃ)-কে মু‘আবিয়া (রাঃ)-এর সাথে তার দরিদ্রতার কারণে বিবাহ দেননি। অন্যদিকে তিরমিযী হা/১০৮৪-তে পরহেযগারিতা ও চরিত্র দেখে বিবাহের নির্দেশ দিয়েছেন। এক্ষণে উভয় হাদীছের মাঝে সা - -আব্দুল্লাহিল কাফী, ছোটবনগ্রাম, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৬/৪০৬) : একই মসজিদে একই ছালাতের একাধিক জামা‘আত করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৪/৪) : বিবাহ করা সুন্নাত না ফরয? অনেকে বিবাহ করা থেকে বিরত থাকে। শরী‘আতে এর অনুমোদন আছে কি?
প্রশ্ন (১৬/১৩৬) : বাম হাতে খাওয়া বা পান করতে হাদীছে নিষেধ রয়েছে। কিন্তু দুই হাতে খাওয়া বা পান করার কোন নযীর রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরাম বা পরবর্তী কোন সালাফে ছালেহীন থেকে পাওয়া যায় কি?
প্রশ্ন (৭/১৬৭) : ‘ফেরেশতারা শিশুদের সাথে খেলা করার কারণে তারা হাসে বা কাঁদে’- এ বিষয়টির কোন সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৬/৪৩৬) : মুসলিম ঘরের সন্তান হয়েও ১০ বছর পূর্বে ৪ বছর যাবৎ আমি মূর্তিপূজার মত জঘন্য শিরকের সাথে জড়িত ছিলাম। পরে আমি তা থেকে ফিরে আসি এবং তওবা করি। আমি জেনেছি শিরকের গুনাহ কখনো ক্ষমা হয় না। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (২/২৪২) : আমি তুরস্কের ইমাম হাতিব উচ্চ বিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত। আমি ও আমার সহপাঠীরা সুন্নাহর অনুসরণে দাড়ি রাখলেও বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমাদের দাড়ি নিয়ে প্রতিনিয়ত হেনস্থা করেন। এমনকি দাড়ি না কাটলে ক্লাসে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়। এমতাবস্থায়, পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার স্বার্থে এবং শিক্ষকের প্রবল চাপে বাধ্য হয়ে আমাদের দাড়ি কাটতে হচ্ছে। দাড়ি কাটার আদেশদাতা হিসাবে প্রধান শিক্ষক গুনাহগার হবেন, না-কি ছাত্র এবং শিক্ষক উভয়ই এই পাপে অংশীদার হিসাবে গণ্য হবে? এক্ষেত্রে ছাত্র হিসাবে আমাদের করণীয় কি?
আরও
আরও
.