উত্তর : না। যেদিন কুরবানী করবে সেদিনই নখ ও চুল কাটাবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমাদের মধ্যে যারা কুরবানী দেওয়ার এরাদা রাখে, তারা যেন যিলহাজ্জ মাসের চাঁদ ওঠার পর হ’তে কুরবানী করা পর্যন্ত স্ব স্ব চুল ও নখ কর্তন করা হ’তে বিরত থাকে’ (মুসলিম হা/১৯৭৭; মিশখাত হা/১৪৫৯)। অত্র হাদীছে কুরবানী করাকে শেষ সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে (উছায়মীন, শারহু রিয়াযিছ ছালেহীন হা/১৭০৬-এর ব্যাখ্যা দ্রষ্টব্য)







প্রশ্ন (২/৪৪২) : কুরবানীর নিয়তে পশু কিনে রাখার পর মাঝে মাঝে অসুস্থ হওয়ায় সেটা দিয়ে আক্বীক্বা দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৩/১২৩) : যেনা কত প্রকার ও কি কি? ব্যভিচারীর শাস্তি কি? ব্যভিচারীর তওবা কবুল হয় কি?
প্রশ্ন (২৫/৩৪৫) : অমুসলিমদের সালাম দেওয়া যাবে না। এক্ষণে কাউকে সালাম দেয়ার পর তিনি অমুসলিম জানতে পারলে করণীয় কি? উক্ত সালাম প্রত্যাহার করতে হবে কি?
প্রশ্ন (৫/৪০৫): টিউমারযুক্ত ছাগল টিউমার অপসারণ করে কুরবানী করা বৈধ হবে কি? না কি এটা খুঁৎ বলে গণ্য হবে?
প্রশ্ন (৩৩/৩৫৩) : অনেকে ছালাতের সালাম ফিরানোর পর মাথায় হাত রেখে দো‘আ পড়ে থাকেন। এর প্রমাণে ছহীহ দলীল জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৭/৩৭) : ইজতিহাদী মাসআলার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোন বিশুদ্ধ আক্বীদা ও আমল সম্পন্ন আলেমের সিদ্ধান্তকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় শারঈ কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (১৩/৪৫৩) : দ্বিতীয় বিবাহ করার কারণে আমার মা আমার পিতাকে তালাক দেন। বর্তমানে আমি মায়ের সাথে থাকি এবং তাকে দেখাশোনা করি। এক্ষণে আমি সামর্থ্যবান হই বা না হই, পিতাকে দেখাশোনা করার কোন দায়িত্ব আমার আছে কি?
প্রশ্ন (৩৯/১৫৯) : যদি কোন ব্যক্তি শেষ বৈঠকে দরূদ পাঠ না করে সালাম ফিরিয়ে দেয় তাহ’লে তাকে কি সহো সিজদা দিতে হবে?
প্রশ্ন (৩৭/২৩৭) : আমাদের মসজিদের মুতাওয়াল্লী ছাহেব নিজেকে ‘আমেলীন দাবী করে যাকাতের ৮ ভাগের ১ ভাগ গ্রহণ করেন। অথচ তাকে কেউ নিয়োগ দেয়নি। এক্ষণে আমেলীন কাকে বলে, তাকে নিয়োগ দিবে কে এবং তার কাজ কি?
প্রশ্ন (৩৯/২৩৯) : ‘তাওহীদ’ নামে আমাদের এখানে একটি দল কুরআন পড়িয়ে, ইমামতি করে, সরকারী চাকুরী করে বেতন নেওয়া হারাম বলে। একথার কোন সত্যতা আছে কি? - মশীউর রহমান, মান্দা, নওগাঁ।
প্রশ্ন (২১/২১) : আমার আপন বড় ভাই জালিয়াতি করে আমার সব জমি দখল করে নিয়েছে। পিতা-মাতাও মারা গেছেন। এক্ষণে আমি তার বিরুদ্ধে যেকোন পদক্ষেপ নিতে পারি কি?
প্রশ্ন (৩৩/৩৯৩) : জনৈক ইসলামবিদ্বেষী লেখক লিখেছেন, রাসূল (ছাঃ) মানুষের কথায় সন্দেহ করে তার সবচেয়ে প্রিয়তমা স্ত্রী ও খলীফা আবুবকরের মত মানুষের সন্তান আয়েশার প্রতি যে আচরণ করেছেন তা কি নবীসুলভ বা অনুকরণীয়? অহী যদি না আসতো তবে কি আয়েশা বঞ্চনার শিকার হ’তেন না? বর্তমানে তো অহী আসবে না। তাহ’লে একজন সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত জীবনে যদি উক্ত ঘটনার অবতারণা হয়, তবে সে কি করবে? তার জন্য নবী (ছাঃ) কী আদর্শ রেখে গেছেন? একজন মানুষ হিসাবে কী রাস্তা দেখিয়ে গেলেন? নবীর পদাঙ্ক অনুসরণ করে সে কি তার স্ত্রীকে তালাক দেবে না? এভাবেই কি তালাকের অভিশাপ সমাজকে কলুষিত করছে না? উক্ত প্রশ্নের জবাব কি?
আরও
আরও
.