উত্তর :  মানুষের ত্বক আল্লাহর সৃষ্টি এবং প্রকৃতিগত বিষয়, যা ফর্সা বা কালো করার ক্ষমতা মানুষের নেই। এ বিষয়ে যেসব প্রচারণা চালানো হয় সেগুলো পুঁজিবাদী ব্যবসায়ীদের অপপ্রচার মাত্র। এগুলো করতে গিয়ে অনেকে ত্বকের নানা রোগের শিকার হয়। এমনকি এর ফলে ত্বকের ক্যানসারও হ’তে পারে। তবে দেহকে সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আমাদের নির্দেশ দিয়ে বলেছেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ সুন্দর। তিনি সৌন্দর্যকে পসন্দ করেন’ (মুসলিম, মিশকাত হা/৫১০৮ ‘ক্রোধ ও গর্ব’ অনুচ্ছেদ)।

-আব্দুল্লাহ

ধূনট, বগুড়া।






প্রশ্ন (৩৩/৩৯৩) : রামাযানে নফল ইবাদত ফরয ইবাদতের সমান এবং ফরয ইবাদত ৭০টি ফরয ইবাদতের সমান। এ হাদীছটির কোন সত্যতা আছে কি? - -নাফীস, উত্তরা, ঢাকা।
প্রশ্ন (৩২/৩৯২) : মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্ত হয়ে পড়াশোনায় মনোযোগী হওয়ার কিছু উপায় জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩/৮৩) : জুম‘আর ছালাতে নিয়মিতভাবে কুনূতে নাযেলা পাঠ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৭/৪৬৭) : কন্যার সম্মতি ব্যতীত পিতা এককভাবে বিবাহ দিতে পারবেন কি?
প্রশ্ন (১৮/৩৭৮) : ছিয়াম অবস্থায় দাঁত তোলায় শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি? - মিছবাহুল হক, সীতাকুন্ডু, চট্টগ্রাম।
প্রশ্ন (২২/৬২) : কবরস্থানে ছালাত আদায় করা যায় না। কিন্তু হজ্জ করতে গিয়ে দেখলাম মসজিদে নববীতে রাসূল (ছাঃ)-এর কবর রয়েছে এবং তা পাকা করা আছে। এর ব্যাখ্যা কী?
প্রশ্ন (১৩/৯৩) : আমি একজন সরকারী চাকুরীজীবী। আমাকে প্রতি মাসে বেতনের বাইরে একটি নির্দিষ্ট অংকের ভ্রমণ ভাতা প্রদান করা হয়। কিন্তু এই বিলটি পাওয়ার জন্য আমাকে যে ভ্রমণের কথা উল্লেখ করতে হয়, সেই ভ্রমণ আমি বাস্তবে করি না; এটি কেবল কাগজপত্রের মাধ্যমে দেখানো হয়। আমার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত আছেন এবং এতে তাদের কোন আপত্তি নেই। রাষ্ট্রীয় অর্থ এভাবে গ্রহণ করাকে আমি যুক্তিযুক্ত মনে না করায় বর্তমানে তা নেওয়া বন্ধ রেখেছি। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সম্মতি থাকলেও, বাস্তবে ভ্রমণ না করে এভাবে ভুয়া বিলের মাধ্যমে অর্থ গ্রহণ করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (১৯/৫৯) : ব্যাংক থেকে সূদী ঋণ নিয়ে ব্যবসা করি। এখান থেকে তওবা করার জন্য এখন আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩৯/৪৩৯) : কুরবানীর পশু ক্রয়ের কয়েকদিন পর কোন ত্রুটি প্রকাশ পেলে তা দ্বারা কুরবানী করা যাবে কি? - - আওলাদ মিয়াঁ, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ।
প্রশ্ন (৩৫/৪৩৫) : কুরবানীর দিন কুরবানীর নিয়ত ছাড়া কয়েকজন মিলে গরু যবেহ করে খেতে পারবে কি?
প্রশ্ন (১৮/৫৮) : জনৈক আলেম বলেন, ওযূ শেষে সূরা ক্বদর একবার পড়লে ছিদ্দীকের অন্তর্ভুক্ত হওয়া যাবে, দু’বার পড়লে শহীদের তালিকায় নাম লেখা হবে, আর তিনবার পড়লে নবীদের সাথে হাশর হবে। শরী‘আতে উক্ত বক্তব্যের কোন ভিত্তি আছে কি?
প্রশ্ন (৩৮/২৭৮) : কোন মেয়ের পাঁচ কিংবা ছয়বার মাসিক হ’লে তাকে বিবাহ দেওয়া ফরয হয়ে যায়। এই বক্তব্য কি সঠিক?
আরও
আরও
.