উত্তর : শরী‘আতের কোন বিধানের কারণ তালাশ করা অন্যায়। বরং নির্বিবাদে মেনে নেওয়ার মধ্যেই বান্দার কল্যাণ নিহিত রয়েছে। এক্ষণে ফরয গোসলের তাৎপর্য এটাই হ’তে পারে যে, বীর্য পুরো দেহ শোষণ করে বের হয় এবং তাতে শরীর ও মন উভয়টিই দুর্বল হয়ে পড়ে। প্রতিটি লোমকুপ দিয়ে ঘাম বের হওয়ার কারণে দেহে নিস্তেজভাব সৃষ্টি হয়। আর এগুলোর উত্তম সমাধান হ’ল গোসল। কারণ গোসল দেহ-মন ও আত্মাকে সতেজ করে। প্রতিটি শিরা-উপশিরাকে শক্তিশালী করে। চিকিৎসকগণ বলেন, মিলনোত্তর গোসল শরীরে শক্তি ফিরিয়ে দেয়। যা বের হয় তার পুনরাগমন ঘটে এবং এটি দেহ ও মন দু’টির জন্যই উপকারী। অপরদিকে গোসল পরিহার করা ক্ষতিকর। ফরয গোসল কল্যাণকর হওয়ার ব্যাপারে জ্ঞান ও ফিৎরাতের সাক্ষ্যই যথেষ্ট’ (ইবনুল ক্বাইয়িম, ই‘লামুল মুওয়াক্কি‘ঈন ২/৪৫)।

উল্লেখ্য যে, বীর্য অপবিত্র নয়। রাসূল (ছাঃ)-এর কাপড়ে তা লেগে শুঁকিয়ে গেলে আয়েশা (রাঃ) নখ দিয়ে খুঁটে ফেলতেন। অতঃপর তিনি ঐ কাপড়েই ছালাত আদায় করতেন (মুসলিম হা/২৮৮; মিশকাত হা/৪৯৫)। এছাড়া অধিকাংশ ছাহাবী ও সালাফে ছালেহীন বীর্যকে পবিত্র বলেছেন (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২১/৬০৫; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ৫/৩৮০)।






প্রশ্ন (২২/১০২) : আমাদের এখানে চোর ধরা পড়লে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের নিকটে হস্তান্তর করা হয়। কারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পুলিশের নিকট থেকে কিছু ঘুষ দিয়ে এরূপ অপরাধী ছাড়া পেয়ে যায়। এভাবে প্রহারের পর পুলিশে সোপর্দ করা সঠিক কি?
প্রশ্ন (৬/২৮৬) : যে ব্যক্তি রামাযান মাসে একটি নফল ইবাদত করে, সে অন্য মাসে একটি ফরয আদায় করার সমান নেকী লাভ করবে। আর যে ব্যক্তি একটি ফরয ইবাদত করে, সে অন্য মাসে ৭০টি ফরয ইবাদত আদায়ের ছওয়াব পাবে। হাদীছটি ছহীহ কি?
প্রশ্ন (৩৬/৭৬): অমুসলিমদের বানানো মিষ্টি, মুড়ি ইত্যাদি খাওয়া বা তা দিয়ে ইফতার করা যাবে কি? এছাড়া তাদের রান্না খেতে শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (১৪/১৭৪) : রাসূল (ছাঃ) মি‘রাজে কতকাল ছিলেন? কেউ কেউ বলেন, তিনি ২৭ বছর ছিলেন। এ সময় দুনিয়ার সবকিছু স্থির করে দেয়া হয়েছিল। এ বিষয়ে দলীলসহ জবাব দিলে উপকৃত হব। - -মুহাম্মাদ যিল্লুর রহমান, যশোর।
প্রশ্ন (১৪/২৯৪) : কুরআন-হাদীছ থেকে দো‘আ পড়ে পানিতে ফুঁক দিয়ে সেই পানি খাওয়া বা তা দিয়ে গোসল করায় শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৪/২৭৪) : মুসলিম হা/২৬০৪ থেকে বুঝা যায়, রাসূল (ছাঃ) মু‘আবিয়া (রাঃ)-এর প্রতি বিরক্ত হয়ে বদদো‘আ করেছেন। এছাড়া ত্বাবারী সংকলিত ইবনু ওমর থেকে আরেকটি হাদীছে বর্ণিত হয়েছে যে, রাসূল (ছাঃ) বলেন, মু‘আবিয়ার মৃত্যু ইসলামের উপর হবে না। উপরোক্ত হাদীছদ্বয়ের সত্যতা ও সঠিক ব্যাখ্যা জানতে চাই। - -শেখ সাদী, চট্টগ্রাম।
প্রশ্ন (৮/২৮৮) : কোন প্রয়োজন পূরণার্থে জালালী খতম আমাদের এলাকায় ব্যাপকভাবে প্রচলিত। ইমামগণকে এজন্য যথেষ্ট পরিমাণ অর্থও প্রদান করা হয়। শরী‘আতে এর কোন ভিত্তি আছে কি?
প্রশ্ন (১৬/৫৬) : আমি যে অফিসে চাকরি করি সেখানে একটি ফান্ড ছিল। দুই বছর হওয়ার পর মালিক পক্ষ থেকে ফান্ডের টাকা চার শতাংশ সূদসহ সবাইকে ফেরৎ দেওয়া হয়েছে। উক্ত সূদী অর্থের ক্ষেত্রে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩৮/২৭৮) : আমার মায়ের দ্বিতীয় স্বামী মারা যাওয়ার পর তার বিপুল সম্পদ আমরা অনেকদিন যাবৎ ভোগ করে আসছি। পরবর্তীতে আত্মীয়দের মাধ্যমে জানতে পারি যে তিনি সরকারী প্রতিষ্ঠানের জিএম থাকায় অবৈধভাবে অনেক সম্পদ হাতিয়ে নিয়েছিলেন। কিন্তু বর্তমান সম্পদের উৎস সম্পর্কে আমরা অজ্ঞাত। এক্ষণে এসব ভোগ করা আমার মা বা আমাদের জন্য জায়েয হবে কি? - -নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, ঠাকুরগাঁও।
প্রশ্ন (৩৮/১৯৮) : সকাল ও বিকালে যে ১০০ বার ‘সুবহানাল্লহিল ‘আযীম ওয়া বিহামদিহী’ পাঠ করবে, তাকে আল্লাহর সৃষ্টিকুলের মধ্যে সবচেয়ে বেশী মর্যাদা দেওয়া হবে, এই হাদীছটি কী ছহীহ?
প্রশ্ন (২৭/৬৭) : প্রচলিত স্বাধীনতা দিবস বা কোন জাতীয় দিবস পালন করা বা এ উপলক্ষ্যে বৈধ কোন আয়োজন করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (১/৪০১) : সন্তানরা বিভিন্ন শহরে থাকে এবং ঈদের সময় পিতা-মাতার বাড়িতে বেড়াতে আসে। এমতবস্থায় ঈদুল আযহার সময় পিতা যদি সবার পক্ষ থেকে কুরবানী দেন, সেটাই কি যথেষ্ট হবে, নাকি প্রত্যেক সন্তানকে আলাদাভাবে কুরবানী দিতে হবে?
আরও
আরও
.