উত্তর : এমতাবস্থায় আপনার স্বামীর জন্য দ্বিতীয় বিয়ে করা জায়েয। কিন্তু তা কেবল তখনই, যখন তিনি নিশ্চিত হবেন যে তিনি উভয় স্ত্রীর মধ্যে পরিপূর্ণ ন্যায়বিচার করতে পারবেন এবং উভয়ের ব্যয়ভার বহনে সক্ষম। যদি তিনি এই দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হন, তবে তিনি আল্লাহর কাছে কঠিনভাবে গুনাহগার হবেন। আল্লাহ বলেন, তোমরা মেয়েদের মধ্য থেকে যাদের ভাল মনে কর দুই, তিন বা চারটি পর্যন্ত বিয়ে করতে পার। কিন্তু যদি তোমরা তাদের মধ্যে ন্যায়বিচার করতে পারবে না বলে ভয় কর, তাহ’লে মাত্র একটি বিয়ে কর অথবা তোমাদের অধিকারভুক্ত দাসী। এটাই অবিচার না করার অধিক নিকটবর্তী (নিসা ৪/০৩)।
দ্বিতীয়ত আপনার স্বামীর জন্য পরামর্শ হ’ল, সন্তানের আকাঙ্খা স্বাভাবিক। তবে স্ত্রীর প্রতি স্বামীর দায়িত্ব অনেক। মনে রাখবেন, আপনার স্ত্রী আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি আমানত এবং সন্তান হওয়া বা না হওয়া সম্পূর্ণরূপে তাঁরই ইচ্ছা। আল্লাহ বলেন, ‘তিনি যাকে চান কন্যা সন্তান দান করেন ও যাকে চান পুত্র সন্তান দান করেন’। ‘অথবা যাকে চান পুত্র ও কন্যা যমজ সন্তান দান করেন এবং যাকে চান বন্ধ্যা করেন। নিশ্চয়ই তিনি সর্বজ্ঞ ও সর্বশক্তিমান’ (শূরা ৪২/৪৯-৫০)। অতএব হতাশ না হয়ে ধৈর্য ধারণ করুন, আল্লাহর কাছে বেশী বেশী দো‘আ করুন এবং আধুনিক চিকিৎসার সাহায্য নিন। ইনশাআল্লাহ রাববুল আলামীন আপনাকে সন্তান দান করবেন।
প্রশ্নকারী : হাফসা, ঢাকা।