উত্তর : বিবাহিতা মেয়ে স্বামীর নির্দেশনা মেনে চলবে। স্বামী তার স্ত্রীকে যেখানে রাখতে চায় স্ত্রী সেখানেই থাকবে। যদি পিতা-মাতা এবং স্বামীর আদেশ-নিষেধের মাঝে বৈপরীত্য দেখা দেয়, সেক্ষেত্রে বৈষয়িক বিষয় সমূহে স্বামীর আদেশকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। কেননা বিবাহের পূর্ব পর্যন্ত নারীরা পিতা-মাতার নিয়ন্ত্রণাধীনে থাকে। কিন্তু বিবাহের পর তারা স্বামীর নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। সুতরাং সেসময় স্বামীর আদেশ-নিষেধ মান্য করাই তার জন্য যরূরী হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, আমি যদি কাউকে কোন মানুষের জন্য সিজদা করার আদেশ দিতাম, তাহ’লে স্ত্রীকে তার স্বামীর জন্য সিজদা করতে বলতাম (আবূদাঊদ হা/২১৪০; মিশকাত হা/৩২৫৫, সনদ ছহীহ)। ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, বিবাহিত নারীর স্বামীই আনুগত্যের ক্ষেত্রে পিতা-মাতার উপর অগ্রগণ্য। তার জন্য স্বামীর আনুগত্য করা ফরয (মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ৩২/২৬১)। অন্যত্র তিনি বলেন, পিতা-মাতা বা অন্য কেউ আদেশ দিলেও স্ত্রী তার স্বামীর অনুমতি ব্যতীত বাইরে বের হ’তে পারবে না। এই ব্যাপারে চার ইমামের ঐক্যমত রয়েছে (মাজমূঊল ফাতাওয়া ৩২/২৬৩)। অতএব পিতা-মাতা এবং স্বামীর আদেশ পরস্পর বিরোধী হ’লে স্ত্রী স্বামীর আদেশ মান্য করবে এবং স্বামীর বাড়িতে তার সাথেই বসবাস করবে।

প্রশ্নকারী : ফাতেমা, সাহেব বাজার, রাজশাহী।








প্রশ্ন (২৫/৩৮৫) : কিছু হাদীছ প্রমাণ করে যে, ইমামের পিছনে কিছু পড়া যাবে না। অনেকে বলেন, ইমামের পিছনে সূরা ফাতিহা না পড়লে ছালাত হবে না। সঠিক সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৭/৯৭) : আরশ সম্পর্কে উমাইয়া বিন আবী সালতের যে কবিতা রাসূল (ছাঃ) সত্যায়ন করেছেন (رجل وثور ....إلا معذبة وإلا تجلد) বলে হাদীছে বর্ণিত হয়েছে (আহমাদ হা/২৩১৪, আবু ইয়া‘লা হা/২৪৮২)। হাদীছটির বিশুদ্ধতা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৮/১৫৮) : সমুদ্রে বিভিন্ন ধরনের হিংস্র দাঁত বিশিষ্ট হাঙর বা অন্য মাছ থাকে সেগুলি খাওয়া জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (১৭/৯৭) : সূদ কি? এটি কেন ইসলামে গ্রহণযোগ্য নয়? যদিও আপাত দৃষ্টিতে কল্যাণকর।
প্রশ্ন (৩৩/৩১৩) : আমি আমার স্ত্রীকে পড়াশুনা করাতে চাই না এবং চাকরিও করাতে চাই না। কিন্তু আমার শ্বশুর-শাশুড়ি পড়াতে চায়। আমি প্রতিষ্ঠিত না হওয়ায় জোর করে কিছু বলতেও পারি না সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ভয়ে। এক্ষণে আমার অনুমতি ছাড়াই যদি স্ত্রী পর্দার মধ্যে থেকে পড়াশুনা করে এবং চাকুরী করে, সেক্ষেত্রে আমি দাইউছ হিসাবে গোনাহগার হব কি?
প্রশ্ন (২৫/১৮৫) : শিশুদেরকে নিয়ন্ত্রণে আনতে অনেক সময় মিথ্যা কথা বলা হয়। যেমন ‘ঘুমাও, নইলে বাঘে খাবে’ অথবা খাও তাহ’লে বেড়াতে নিয়ে যাব প্রভৃতি। এরূপ মিথ্যা বলা যাবে কি? - -ফাতেমা, পুঠিয়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৪/২০৪) : কবীরা ও ছগীরা গোনাহের মধ্যে পার্থক্য কি? কিছু কবীরা ও ছগীরা গোনাহের উদাহরণ জানতে চাই।
প্রশ্ন (২/৮২) : মসজিদে ওয়াকফকৃত কুরআন বাড়ীতে নিয়ে গিয়ে পাঠ করা এবং পরে ফেরত দেওয়া জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩৮/৩৮) : নারীরা পিতা, ভাই, সন্তান তথা মাহরাম পুরুষদের সামনে কতটুকু পরিমাণ সৌন্দর্য প্রকাশ করতে পারবে? জনৈক আলিম বলেন, মুখ ও হস্তদ্বয় ব্যতীত অন্য কিছু তাদের সামনে প্রকাশ করা যাবে না। একথা সঠিক কি? - -বিলকীস আরা, নরেন্দ্রপুর, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (২/৩৬২) : কোন অমুসলিম ইসলাম গ্রহণ কালে প্রচলিত চারটি কালেমা পাঠ করবে কি?
প্রশ্ন (৫/৩২৫) : আমাদের মসজিদে ইমাম ছাহেব সালাম ফিরানোর পর নিয়মিতভাবে ১ মিনিটও অপেক্ষা না করে নানা বক্তব্য শুরু করেন। ফলে ছালাত পরবর্তী তাসবীহ পাঠ এবং মাসবূকদের বাকী ছালাত আদায় কষ্টকর হয়। এভাবে বক্তব্য দেয়া জায়েয কি?
প্রশ্ন (২৩/৩০৩) : ওয়াকফকৃত জমিতে মসজিদ তৈরী করা হয়েছে। এখন ওয়াফকারী অন্য জমিতে মসজিদ করে দিতে চায় এবং পূর্বের মসজিদ নিজ কাজে ব্যবহার করতে চায়। এভাবে পরিবর্তন করা যাবে কি?
আরও
আরও
.