উত্তর : যাবে। কেননা শ্রোতার অবস্থা বুঝে বক্তা খুৎবা দিবেন। যেমন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বক্তব্যের সময় কখনো এত বেশী রেগে যেতেন যে, তার মুখমন্ডল লাল হয়ে যেত (মুসলিম হা/৮৬৭; মিশকাত হা/১৪০৭)। আবার কখনো এত কোমল ও হৃদয়গ্রাহী ভাষায় বক্তব্য দিতেন যে ছাহাবায়ে কেরাম কাঁদতে কাঁদতে নির্বাক হয়ে যেতেন (তিরমিযী হা/২৬৭৬; মিশকাত হা/১৬৫, নদ ছহীহ)। সুতরাং বক্তব্যকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা উচিত। যেমন রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘তোমাদের (সুমিষ্ট) শব্দ দ্বারা কুরআনকে সৌন্দর্যমন্ডিত কর (আহমাদ, আবুদাঊদ, মিশকাত হা/২১৯৯)। নিঃসন্দেহে বক্তব্য হবে স্পষ্ট এবং শ্রোতার জন্য বোধগম্য ভাষায় ও সহজবোধ্য। সেটা কখনও সুরের মাধ্যমে, কখনও সুর ছাড়াই হ’তে পারে।

প্রশ্নকারী : মা‘ছূম, মান্দা, নওগাঁ।








বিষয়সমূহ: বিবিধ
প্রশ্ন (২৬/৬৬) : যাকাতের অর্থ দিয়ে ইয়াতীমদের জন্য কারিগরি শিক্ষাকেন্দ্র, হাসপাতাল বা বৃদ্ধাশ্রম নির্মাণ করে দেওয়ায় কোন বাধা আছে কি? - -আব্দুল বারী, নরসিংদী।
প্রশ্ন (২২/২২) : সূরা বাক্বারার ৬২ ও মায়েদার ৬৯ আয়াত অনুযায়ী বুঝা যায় যে, ইহূদী, নাছারা ও অগ্নিপূজকেরাও কেবল আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করলে এবং সৎকর্ম করলে জান্নাতে চলে যাবে। হাদীছ অস্বীকারকারীরা এর দ্বারা বলতে চায় যে, তারাও জান্নাতে যাবে। এর সঠিক ব্যাখ্যা জানতে চাই।
প্রশ্ন (২৯/৩০৯) : রুকূ‘ ও সিজদায় কত বার তাসবীহ পাঠ করতে হবে?
প্রশ্ন (৯/১২৯) : ক্বিয়ামতের দিন সূর্য ও চন্দ্রকে কী জাহান্নামে নিক্ষেপ করা হবে? করা হ’লে তাদের অপরাধ কী?
প্রশ্ন (২৩/৩৪৩) : কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বার বার একই শিক্ষক দ্বারা কমিটি গঠন করা হয়। যেখানে আর্থিক সম্মানীর ব্যবস্থা রয়েছে। এতে অন্য শিক্ষকগণ অসন্তুষ্ট থাকেন। এভাবে বান্দার হক বিনষ্টের কারণে প্রতিষ্ঠান প্রধানকে আল্লাহ্র কাছে জবাবদিহি করতে হবে কি-না জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৪/২৩৪) : জনৈক আলেম বলেন, তাফসীর পড়া যাবে না। এতে মানুষ বিভ্রান্ত হয়ে যাবে। বরং কুরআন ও হাদীছ পাঠ করতে হবে। উক্ত বক্তব্য সঠিক কি?
প্রশ্ন (৯/২০৯) : চার রাক‘আত বিশিষ্ট সুন্নাত ছালাতের প্রতি রাক‘আতেই কি অন্য সূরা মিলাতে হবে? না প্রথম দু’রাক‘আতে মিলালেই যথেষ্ট হবে?
প্রশ্ন (১২/১৭২) : সঊদী আরবে ইমাম-মুক্তাদী সকলেই জানাযার ছালাতে একদিকে সালাম ফিরান। এটা কতটুকু সঠিক?
প্রশ্ন (৪০/১০০) : যাদের নেকী ও গুনাহ সমান হবে তারা জান্নাতে যাবে না জাহান্নামে যাবে?
প্রশ্ন (৩০/৩১০) : তিনি সর্বদা কোন না কোন কাজে রত আছেন (রহমান ২৯)। হে মানুষ ও জিন! আমি শীঘ্রই তোমাদের জন্য কর্ম মুক্ত হব (রহমান ৩১)। উক্ত আয়াতদ্বয়ের ব্যাখ্যা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩২/৩৫২) : এশা ও ফজরের ছালাত জামা‘আতের সাথে আদায় করলে তার মাধ্যমে সারারাত্রি ছালাত আদায়ের নেকী অর্জিত হয় মর্মে কোন ছহীহ আছে কি?
প্রশ্ন (১৮/৩৩৮) : জনৈক আলেম বলেন, ঈদের ছালাতের পর কোলাকুলি করা বিদ‘আত। এক্ষণে কেউ যদি এটাকে সুন্নাত মনে না করে সামাজিক প্রথা হিসাবে করে তবে বিদ‘আত হবে কি?
আরও
আরও
.