উত্তর : আক্বীক্বার সুন্নাতী নিয়ম হ’ল ছেলের পক্ষ থেকে দু’টি ও মেয়ের পক্ষ থেকে একটি ছাগল বা দুম্বা আক্বীক্বা দেওয়া (আবূদাঊদ হা/২৮৩৪; মিশকাত হা/৪১৫২; ছহীহাহ হা/১৬৫৫)। গরু ও উট দিয়ে আক্বীক্বা করার প্রমাণে বর্ণিত হাদীছটি জাল। আয়েশা (রাঃ)-এর ভাতিজা জন্মগ্রহণ করলে তাকে উট দ্বারা আক্বীক্বা করতে বলা হ’ল। তখন তিনি বললেন, আমি আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই। রাসূল (ছাঃ) দু’টি সমপর্যায়ের ছাগল দ্বারা আক্বীক্বা করতে বলেছেন (বায়হাক্বী হা/১৯০৬৩; ইরওয়া হা/১১৬৬-এর আলোচনা ৪/৩৯০ পৃ.)। জনৈক মহিলা আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট বলল, অমুকের স্ত্রী সন্তান প্রসব করলে তার পক্ষ থেকে একটি উট আক্বীক্বা করব। তখন আয়েশা (রাঃ) প্রতিবাদ করে বলেন, না, বরং সুন্নাত হ’ল ছেলের পক্ষ থেকে দু’টি ছাগল ও মেয়ের পক্ষ থেকে একটি ছাগল আক্বীক্বা করা (মুসনাদে ইবনু রাহওয়াইহ হা/১০৩৩; ছহীহাহ হা/২৭২০)। অতএব সুন্নাতের অনুসরণ করাই কর্তব্য।






প্রশ্ন (৩১/৪৩১) : আমরা ৩ বান্ধবী একসাথে একটা বাসা ভাড়া নিয়ে পড়ার জন্য থাকি। সম্প্রতি আমি জানতে পারি যে, বাসায় থাকা অবস্থায় তোলা আমার পর্দাহীন কিছু ছবি আমার বান্ধবীর মাধ্যমে কিছু ছেলে দেখেছে। এজন্য আমি গুনাহগার হব কি?
সংশোধনী
প্রশ্ন (৮/১৬৮) : অন্তিম শয্যায় ‘রাসূল (ছাঃ) আয়েশা-কে জান্নাতে দেখতে পেয়েছিলেন। তাতে তিনি তাকে দুনিয়ায় ছেড়ে যাওয়ার বেদনা ভুলে যান’ মর্মে বর্ণিত ঘটনাটির সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৩/৩১৩) : ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) রামাযানে ৬১ বার কুরআন খতম করতেন। উক্ত ঘটনার সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (১৪/২৫৪) : ছালাতুত তাসবীহ পড়া যাবে কি? - -রাসেল মিয়াঁ, পালবাড়ী, নরসিংদী।
প্রশ্ন (১১/২৯১) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, হাদীছে রয়েছে, কোন খাবারের পাত্রে কুকুর মুখ দিয়ে খেলে সেখান থেকে খাবার ফেলে দিয়ে পাত্রের বাকি খাবার খাওয়া যাবে। কিন্তু ঐ পাত্রে যদি কোন বেনামাযী হাত দেয়, তাহ’লে ঐ পাত্রের খাবার খাওয়া যাবে না। উক্ত হাদীছ উদ্ধৃতিসহ সত্যতা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৪/১৫৪) : জনৈক ছাহাবীর মাত্র দু’টি দাড়ি ছিল, যা দেখে রাসূল (ছাঃ) মুচকি হাসতেন। পরে তিনি তা কেটে ফেললে রাসূল (ছাঃ) তাকে বলেন, লোকটির প্রতিটি দাড়িতে রক্ষী ফেরেশতা থাকত, যা দেখে তিনি হাসতেন। এ ঘটনাটির সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (২৬/৪৬৬) : আমার স্ত্রী ৭ মাসের গর্ভবতী। সম্প্রতি আল্ট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, আমাদের অনাগত শিশুটি এনেন্সেফালি নামক একটি মারাত্মক জন্মগত বিকলাঙ্গতায় আক্রান্ত। রিপোর্ট অনুযায়ী শিশুটির মাথার খুলির উপরের অংশ অনুপস্থিত। চিকিৎসকদের মতে, শিশুটি জন্মের কিছুদিনের মধ্যে মৃত্যুবরণ করবে। এই রোগের কোন চিকিৎসা নেই। এমতাবস্থায় আমাদের জন্য গর্ভপাত করানো জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩০/৩৯০) : আমার ফুফা মৃত্যুর পূর্বে তার সঞ্চিত অর্থ আমার ফুফুর নিকটে রেখে যান। ফুফাতো ভাই-বোনদের মধ্যে বড় ছেলের আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। তাই আমার ফুফু উক্ত অর্থ ফিক্সড ডিপোজিট করে তিন মাস পরপর যা সূদ আসে তা বড় ছেলেকে দেন। এজন্য আমার ফুফু বা তা বড় ছেলে গুনাহগার হবেন কি? - -রুবেল, ঢাকা।
প্রশ্ন (২২/২৬২) : আমি জানি একজন ব্যক্তি সকল ধরনের শিরক-বিদ‘আতের সাথে জড়িত এবং ইসলামের প্রকাশ্য শত্রু। তাকে রক্ত দিয়ে জীবন বাঁচানো যাবে কি? আর যদি রক্ত দেয়ার পরে আবার শিরক করে এতে কি আমার পাপ হবে? - -রাজীবুল ইসলাম, বদরগঞ্জ, চুয়াডাঙ্গা।
প্রশ্ন (৩৬/১৫৬) : স্কুল-কলেজে বোর্ড পরীক্ষার বিদায় অনুষ্ঠান উপলক্ষে নাচ-গান, ছাত্র-ছাত্রীদের মাল্যদান ও ছবি তোলা ইত্যাদি বিভিন্ন প্রকার শরী‘আতবিরোধী কার্যকলাপ হয়ে থাকে। এসব অনুষ্ঠানে যোগদান করা যাবে কি? - -ডা. মুহসিন, বাগমারা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১১/৩৩১) : অনেক সময় প্রসবকালীন জটিলতা বা সিজারিয়ান অপারেশনকালে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়, যখন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানান যে, মা ও সন্তানের মধ্যে কেবল একজনকে বাঁচানো সম্ভব। এ ধরনের সংকটময় অবস্থায় পরিবার এবং মা- কার কী ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত?
আরও
আরও
.