উত্তর : জাতীয় রাজস্ব আয়ের মাধ্যম হিসাবে সরকারীভাবে সীমান্তে যে ট্যাক্স ধার্য করা হয়, তা ফাঁকি দেওয়ার উদ্দেশ্যে অবৈধ পথে মালামাল পাচার করে ব্যবসা করা হারাম। কেননা রাষ্ট্রীয় স্বার্থ মানেই জনস্বার্থ। আর জনস্বার্থের ক্ষতি করা ইসলাম অনুমোদন করে না। ইসলামী রাষ্ট্রে এ ধরনের অপরাধকে চুরির অপরাধ হিসাবে গণ্য করা হবে (মুসলিম হা/৩২৫)। আর সাধারণভাবে একজন ঈমানদার ব্যক্তি কখনো অন্যের ক্ষতিসাধন করে আপন স্বার্থ হাছিল করতে পারে না।






বিষয়সমূহ: হালাল-হারাম
প্রশ্নঃ (১০/২১০) : মানুষকে আল্লাহ তা‘আলা কী দ্বারা সৃষ্টি করেছেন? কোন আয়াতে এসেছে পানি দ্বারা (ফুরক্বান ৫৪)। আবার কোন আয়াতে এসেছে, মাটি দ্বারা (ত্বোয়াহা ৫৫; রহমান ১৪)। সঠিক সমাধান দানে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৪/২৯৪) :আমি এমন সময় মসজিদে গেলাম যখন ইমাম তারাবীহর ছালাতে ইমামতি করছেন বলে মনে হ’ল। এক্ষণে আমি কি আগে এশার ছালাত আদায় করব, নাকি জামা‘আতে অংশগ্রহণ করে পরে এশার ছালাত আদায় করব?
প্রশ্ন (১৮/১৩৮) : ছালাতের উদ্দেশ্যে বের হওয়া থেকে শুরু করে ছালাত শেষে বেরিয়ে আসা পর্যন্ত কি কি আদব রক্ষা করা মুছল্লীদের জন্য আবশ্যক?
প্রশ্ন (২২/১০২) : উট, গরু, মহিষ বা ভেড়া দিয়ে আক্বীক্বা করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৮/১৭৮) : ছালাতের কাতারসমূহের মাঝে কতটুকু ফাঁক রাখা শরী‘আতসম্মত? - -আব্দুল লতীফ, সিঙ্গাপুর।
প্রশ্ন (২/৩২২) : হাত থেকে কুরআন পড়ে গেলে করণীয় কি?
প্রশ্ন (১২/১৩২) : ছাহাবী আলক্বামাহ (রাঃ) সম্পর্কে বর্ণিত ঘটনা যেখানে বলা হয়েছে, তিনি মায়ের চেয়ে স্ত্রীকে বেশী ভালোবাসার কারণে মৃত্যুর সময় তার খুব কষ্ট হচ্ছিল এবং কালেমা আসছিল না। এই ঘটনাটি কি সত্য?
প্রশ্ন (৩৭/২৭৭) : দাস প্রথা কি শরী‘আত সম্মত? এর হুকুম কি মানসূখ হয়ে গেছে?
প্রশ্ন (৩১/৪৭১) : আমাদের এলাকার অধিকাংশ আলেম ই‘তেকাফে বসা অবস্থায় গোসল করা যাবে না বলে ফৎওয়া দেন। এ ব্যাপারে সঠিক সিদ্ধান্ত জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২৮/১০৮) : যমযমের পানি পানের আদব জানতে চাই।
প্রশ্ন (১/৪০১) : বর্তমানে বাংলাদেশে ‘রেডিয়াম ইন্টারন্যাশনাল’ নামক একটি কোম্পানী ‘ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিয়োগে’র আহবান জানাচ্ছে। তাদের নিয়ম অনুযায়ী ১০ ইউএস ডলার দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। এর বিনিময়ে তারা ‘রিপটন কয়েন’ নামে দুইশ’ কয়েন দিচ্ছে। যেটা একদিনে দেওয়া হয় না। বরং ন্যূনতম ছয় মাসে মাইনিং হিসাবে প্রতিদিন ১/২টা করে ছয় মাসের মধ্যে প্রদান করা হয়। তাদের দাবী অনুযায়ী আগামী ৬ মাসের মধ্যে এর রেট একটা উচ্চ পর্যায়ে যেতে পারে। আনুমানিক প্রতি কয়েন ১০ ডলার থেকে ১০০ ডলার হ’তে পারে। দ্বিতীয়তঃ তাদের সাথে কাজ করলে অর্থাৎ একাধিক ব্যক্তিকে রেফার করলে কোম্পানির পক্ষ থেকে ঐ ব্যক্তির বিনিয়োগের ৫% হারে মুনাফা প্রদান করবে। কিন্তু বিনিয়োগকারীর বিনিয়োগের কোন কমতি হবে না। এইভাবে বিভিন্ন পর্যায়ে কাজের বিনিময়ে তারা আরো পারসেন্টেজ লাভের ব্যবস্থা রাখছে। আবার এই কারেন্সির বিনিময় মূল্য রয়েছে এবং তারা বলছে অদূর ভবিষ্যতে বিশ্ববাজারে ভার্চুয়াল কারেন্সির ব্যাপক ব্যবহার শুরু হবে। ইতিপূর্বে ‘বিটকয়েন’ নামে এই ক্রিপ্টোকারেন্সি বাযারে এসেছিল ২০০৯ সালে। তখন তার মূল্য ছিল ৮/৯ টাকা। বর্তমানে ২০২০ সালে সেই কয়েনের মূল্য ৮ লক্ষ টাকা (১৩১১৯ সিঙ্গাপুরী ডলার)। ঠিক তেমনি ‘রিপটন কয়েন’ থেকে আয় আসবে বলে দাবী করা হচ্ছে। এখন প্রশ্ন হ’ল অধিক মুনাফা লাভের আশায় এ ধরনের কোম্পানিতে বিনিয়োগ করা যাবে কি? বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব।
প্রশ্ন (২৪/২২৪) : নাপিতের পেশা শরী‘আতসম্মত কি?
আরও
আরও
.