উত্তর : নাছেবী তারা যারা আলী (রাঃ) ও আহলে বায়তের প্রতি শত্রুতা পোষণ করে এবং তাদেরকে নিন্দা করে ও গালাগালি করে। এরা আক্বীদার ক্ষেত্রে রাফেযীদের বিপরীত। তারা আহলে বায়তের প্রতি শত্রুতা করে বিশেষ করে আলী (রাঃ)-এর প্রতি। তাদের কেউ তাকে গালি দেয়, কেউ পাপাচারী বলে এবং কেউ কাফির বলে ফৎওয়া প্রদান করে। এরা চরমপন্থী খারেজীদেরই একটি অংশ। কাফির না হ’লেও তারা ইসলামের জন্য বড়ই ক্ষতিকর। তাদের থেকে দূরে থাকা আবশ্যক (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমুঊল ফাতাওয়া ৩/১৫৪, ২৮/৫০০-১৮; মিনহাজুস সুন্নাহ ৭/৩৩৯; উছায়মীন, শারহুল আক্বীদাহ আল-ওয়াসেত্বিয়াহ ২/২৮৩)। বর্তমান যুগে এই দলের কোন অস্তিত্ব পাওয়া না গেলেও শী‘আরা প্রথম যুগ থেকে ‘আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘আত’কেই এই নামে অভিহিত করে। কেননা তারা মনে করে যারা শী‘আদের বিরোধী, তারা প্রত্যেকেই আলী (রাঃ) এবং আহলে বায়েতের প্রতি বিদ্বেষী। অর্থাৎ শী‘আবিরোধী সকলকেই তারা নাছেবী অভিহিত করে। সেই সূত্রে প্রথম তিন খলীফাসহ প্রায় সকল ছাহাবী, উমাইয়া ও আববাসীয় খলীফাগণ, ইমাম আবু হানীফা, ইমাম বুখারী, ইবনু হাযম, ইবনু তায়মিয়া, ইবনু কাছীর, যাহাবীসহ মুসলিম বিদ্বানগণকে তারা নাছেবী আখ্যায়িত করে (দ্র. বদর আল-আউয়াদ, আন-নাছবু ওয়ান নাওয়াছেব, পৃ. ২৬২-৫২২)।  






প্রশ্ন (৬/২৮৬) : বর্তমান ফিৎনা-সংকুল সময়ে নারীরা পর্দা ও নিরাপত্তা বজায় রেখে কিভাবে দ্বীনী শিক্ষা অর্জন করবে এবং ফিৎনার আশঙ্কা থাকলে গায়ের মাহরাম পুরুষ শিক্ষকের কাছে সরাসরি বা অনলাইনে শিক্ষা গ্রহণ করা জায়েয হবে কি-না?
প্রশ্ন (২৯/২২৯) : আল্লাহ যালিম সম্প্রদায়কে হেদায়াত করেন না (বাক্বারাহ ২৫৮)। তাহ’লে ওমর, খালিদ, আবু সুফিয়ান (রাঃ)-কে আল্লাহ হেদায়াত করলেন কেন?
প্রশ্ন (২৯/৩০৯) : ক্যান্সার, ডায়বেটিস ইত্যাদি দুরারোগ্য ব্যাধির ক্ষেত্রে অর্থের অভাবে চিকিৎসা করতে না পেরে কোন রোগী মারা গেলে তিনি শহীদের মর্যাদা পাবেন কি?
প্রশ্ন (২২/৪৬২) : সাপের বিষ ঔষধসহ নানা উপকারী কাজে ব্যবহৃত হয়। আবার মানুষের মৃত্যুরও কারণ হিসাবে গণ্য হয়। এক্ষণে বিষাক্ত সাপ লালন-পালন করে তার বিষ বিক্রি করে উপার্জন করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১২/৪১২) : বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়া এবং বিভিন্ন মাধ্যমে একে অপরকে লিখিতভাবে দো‘আ করা হয় এবং তার জবাব দেওয়া হয়। এভাবে পরস্পরের জন্য দো‘আ করলে নেকী হবে কি?
প্রশ্ন (৩০/৩৯০) : আমি স্বর্ণের ব্যবসা করি। এক্ষণে আমার দোকানে রক্ষিত সমস্ত স্বর্ণের উপর কি যাকাত প্রদান করতে হবে? - -আব্দুল কাহ্হার, সাতমাথা, বগুড়া।
প্রশ্ন (২০/৩০০) : আমি অতিসম্প্রতি রেলওয়ের চাকুরী থেকে অবসর গ্রহণ করব। অবসরকালীন অর্থ আমি না তুললে প্রতি মাসে পেনশন হিসাবে পাব। আর তুলে ডাকবিভাগে জমা রাখলে লভ্যাংশ পাব। কোনটি আমার জন্য সূদমুক্ত হবে? - -মুহাম্মাদ আলীমুদ্দীন, রেলওয়ে কারখানা, সৈয়দপুর।
প্রশ্ন (২৬/১৪৬) : পরবর্তীতে মূল্য বৃদ্ধির আশায় আলু-পেঁয়াজ ইত্যাদি নিত্য প্রয়োজনীয় খাদ্য স্টক রাখার ব্যাপারে শরী‘আতের বিধান কি? - -মাহফূযুর রহমানমোহনপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৮/১৯৮) : মাথা মাসাহ করার পর ঘাড় মাসাহ করতে হবে কি? এ বিষয়ে দলীল সহ জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৪/২৩৪) : আমরা দুই ভাই বিদেশে আছি। এখানে কাজের অভাব। আমার ভাই একটি নাইট ক্লাব ভবনে কাজ করে। যেহেতু নির্মাণের পর ঘরগুলো হারাম কাজে ব্যবহার হবে, তাই এর নির্মাণ কাজ করা আমার কাছে হারাম মনে হয়। অন্যদিকে অন্য কাজ না পাওয়ায় বসে থেকে ভাইয়ের হারাম ইনকামে চলতে হচ্ছে। আবার বাড়িতেও দরিদ্র পরিবারে সহযোগিতা করতে পারছি না। আবার অনেক অর্থ ব্যয় করে বিদেশে এসে দেশেও ফিরতে পারছি না। এক্ষণে আমার করণীয় কি? উক্ত কাজটি হারাম হবে কি?
প্রশ্ন (১৯/৪৫৯) : জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের কি কি গুণাবলী থাকা আবশ্যক?
প্রশ্ন (৭/৮৭) : জালালুদ্দীন রূমীর আক্বীদা সম্পর্কে জানতে চাই।
আরও
আরও
.