উত্তর : রাসূল (ছাঃ) বলেন, ইহূদী হৌক, নাছারা হৌক যে ব্যক্তি ইসলাম কবুল না করে মৃত্যুবরণ করে, সে ব্যক্তি জাহান্নামবাসী হবে’ (মুসলিম হা/১৫৩; মিশকাত হা/১০)। অতঃপর রাসূল (ছাঃ) সম্পর্কে কটূক্তিকারী ব্যক্তি তওবা না করলে সে অবশ্যই ধর্মত্যাগী ও কাফের (তাওবাহ ৬৫-৬৬)। ছাহাবীগণসহ সর্বযুগের বিদ্বানগণ এ বিষয়ে একমত যে ঐ ব্যক্তি কাফের ও মুরতাদ এবং তাকে হত্যা করা ওয়াজিব (ইবনু তায়মিয়াহ, আছ-ছারেমুল মাসলূল ২/১৩-১৬)। তবে তা আদালতের মাধ্যমে প্রমাণ সাপেক্ষে বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব সরকারের। যেমন ইহূদী নেতা কা‘ব বিন আশরাফ রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরামকে কটূক্তি করে ব্যঙ্গ কবিতা লিখলেও রাসূল (ছাঃ)-এর নির্দেশ পাওয়ার আগ পর্যন্ত ছাহাবীগণ তাকে হত্যা করেননি (বুখারী হা/৪০৩৭)। এছাড়া মু‘আয বিন জাবাল (রাঃ) ইয়ামনে জনৈক মুরতাদকে সেখানকার গভর্ণরের অনুমতি ক্রমেই হত্যা করেছিলেন (আবুদাঊদ হা/৪৩৫৪)। প্রত্যেকেই যদি দন্ড বাস্তবায়ন শুরু করে, তাহ’লে সমাজে চরম বিশৃংখলা সৃষ্টি হবে। সেকারণ দন্ড বাস্তবায়নের সাথে সংশ্লিষ্ট আদালত ও সরকার এ দায়িত্ব পালন করবেন। না করলে তারা কবীরা গোনাহগার হবেন এবং আল্লাহর নিকট কৈফিয়তের সম্মুখীন হবেন (উছায়মীন, শারহুল মুমতে‘ ১৪/৪৪১-৪২)






প্রশ্ন (২৯/২৯) : রাসূল (ছাঃ)-এর কবর খনন, লাশ চুরির অপচেষ্টা ইত্যাদি সম্পর্কে অনেক ঘটনা শোনা যায়। এর কোন সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (৩১/৩১১) : ছাদাক্বাতুল ফিৎর অমুসলিম তথা হিন্দুদের মাঝে বিতরণ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১/২০১) : ‘হায়াতুন্নবী’ সম্পর্কিত বিশুদ্ধ আক্বীদা ও শিরকী আক্বীদা কি কি? - ফেরদৌস মাহমূদ সপুরা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৯/৩৯) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, শাহাদাতের আকাঙ্ক্ষা না থাকলে ইবাদত কবূল হবে না। এটা কি ঠিক?
প্রশ্ন (৭/১২৭) : আক্বীদা ও ঈমানের মধ্যে পার্থক্য কি?
প্রশ্ন (৩৬/১৯৬) : মসজিদে জানাযার খাটলি রাখা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৫/৪৫৫) : তাওহীদকে কে প্রথম তিন ভাগে বিভক্ত করেন? এই প্রকরণের দলীল কি?
প্রশ্ন (১৬/৪৫৬) : তামাক আবাদ করা জায়েয হবে কি? যারা হারাম জিনিস বেচা-কেনা করে তাদের ইবাদত কবুল হবে কি?
প্রশ্ন (৩২/৪৩২) : বজ্রপাতে মৃত ব্যক্তির লাশ চুরি হয়ে যাওয়ার ভয়ে সম্পূর্ণ কবর পাকা করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৫/১৮৫) : সাদা কাপড় দিয়ে কাফন পরানোর ব্যাপারে শরী‘আতের কোন নির্দেশনা আছে কি? অন্য কোন রং বা প্রিন্টযুক্ত কাপড় দ্বারা কাফন পরানো যাবে কি? - -মাহদী হাসান, ছাতিয়ানতলা, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (১৩/২১৩) : ফরয ছালাতে প্রতিদিন নির্দিষ্ট একটি সূরা পড়া যাবে কি? যেমন ফজরের প্রথম রাক‘আতে সূরা ক্বদর ও দ্বিতীয় রাক‘আতে সূরা কাফিরূণ পড়া। অনুরূপ এশার ছালাতের প্রথম রাক‘আতে সূরা তীন ও ২য় রাক‘আতে সূরা তাকাছুর পড়া।
প্রশ্ন (১৮/৩৭৮) : ক্বিয়ামত পর্যন্ত একটি দল হকের উপর অটল থাকবে। কেউ তাদের কোন ক্ষতি করতে পারবে না- এ হাদীছের ব্যাখ্যায় ছহীহ বুখারীতে এসেছে যে, এ দলটি কি সিরিয়ায় অবস্থান করবে? এক্ষণে নাজাতপ্রাপ্ত দলটি কেবল সিরিয়ার অধিবাসী হবে?
আরও
আরও
.