উত্তর : রামাযান মাসে যাকাত আদায়ের বিশেষ কোন ফযীলত বর্ণিত হয়নি। যাকাত যখন ফরয হবে তখনই আদায় করা ওয়াজিব। বরং আববাস (রাঃ) রাসূল (ছাঃ)-এর নিকটে বছর পূর্ণ হওয়ার আগেই যাকাত আদায়ের অনুমতি চাইলে তিনি তাকে অনুমতি দেন (তিরমিযী হা/৬৭৮)। তবে রামাযানের কাছাকাছি সময়ে যাকাত ফরয হ’লে ফযীলতের দিকে লক্ষ্য রেখে রামাযান মাসে আদায় করা যেতে পারে (ফাতাওয়া আরকানিল ইসলাম, মাসআলা-৩৮৮, পৃঃ ৪৪৪; নববী, আল-মাজমূ‘ ৫/৩০৮; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৯/৩৯৮)। অন্যদিকে জনকল্যাণে রামাযানে ফরয হওয়া যাকাতকে এমন সময় পর্যন্ত বিলম্ব করা যায় যে মাসে অভাবীরা বেশী প্রয়োজন বোধ করে (উছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ৬/১৮৯; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৯/৩৯২)।  

প্রশ্নকারী : আব্দুল ক্বাদের, কাকনহাট, রাজশাহী।







বিষয়সমূহ: ছিয়াম-রামাযান
প্রশ্ন (২৪/৬৪): মাযহাব কী? কখন থেকে মাযহাব চালু হয়েছে? পৃথিবীর সব দেশেই কি মাযহাব আছে?
প্রশ্ন (৫/৩৬৫) : বিবাহের পূর্বে বাগদানের আংটি পরানোর বিধান কি?
প্রশ্ন (১৫/১৭৫) : আমি প্রাপ্তবয়স্কা নারী। গ্রাজুয়েশন শেষ করেছি, কিন্তু চাকুরী না পাওয়া পর্যন্ত আববা-আম্মা বিবাহ দিবেন না। আমি হারাম সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার আশংকা করছি। এমতাবস্থায় আমি কী করতে পারি?
প্রশ্ন (৩৭/১৯৭) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, সর্বপ্রথম জান্নাতে যাবেন আলেমরা। আবার জাহান্নামে যাবেন সর্বপ্রথম আলেমরা। কথাটা কতটুকু সত্য?
প্রশ্ন (৩৪/১৯৪) : ফজর, মাগরিব এবং এশার ক্বাযা ছালাত অন্য সময় পড়লে সেখানে ক্বিরাআত সরবে না নিরবে পড়তে হবে। ক্বাযা ছালাতের এক্বামত দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (২২/৩৪২) : লাইভে প্রচারিত জামা‘আতের ইক্তিদা করা যাবে কি না?
প্রশ্ন (১৬/৩৩৬) দুই ঈদের রাতে নির্দিষ্ট কোন ইবাদত আছে কি? এছাড়া ঈদের রাতে ইবাদত করলে হৃদয় জীবিত থাকে কি?
প্রশ্ন (১৩/১৭৩) : মানতকৃত পশুর গোশতের অংশ নিজে খাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৪০/৪০০) : রাসূল (ছাঃ) তায়েফের সফরে নির্যাতিত হওয়ার পর একটি আঙ্গুর বাগানে বসে ‘মযলূমের দো‘আ’ হিসাবে পরিচিত যে দো‘আটি করেছিলেন, তা ছহীহ কি?
প্রশ্ন (৪০/১২০) : অনেক মানুষকে ইসলামের বিভিন্ন বিধান সম্পর্কে বললে তারা সেগুলিকে শাখাগত বিষয় বলে এড়িয়ে যান। যেমন দাড়ি রাখা প্রসঙ্গে। এক্ষণে দ্বীনের মধ্যে মৌলিক ও শাখাগত বিষয় বলে কোন পার্থক্য আছে কি?
প্রশ্ন (১১/৫১) : মসজিদের ডান দিকের পশ্চিমে পৃথক কোন বাড়িতে মহিলারা জুম‘আর ছালাত আদায় করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৭/৮৭) : রাসূল (ছাঃ)-এর যামানায় যব, খেজুর, পণির দ্বারা ফিৎরা দেয়া হ’ত। তাঁরা যব দিয়েছেন। আমরা ধান দিচ্ছি। কারণ যবেরও খোসা আছে ধানেরও খোসা আছে। এক্ষণে চাউল দেওয়ার দলীল জানিয়ে বাধিত করবেন।
আরও
আরও
.