উত্তর : কাঁচা পেঁয়াজ বা রসুন খাওয়া ওযূ ভঙ্গের কারণ নয়। বরং এগুলো খেয়ে মসজিদে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। কারণ এর দুর্গন্ধে মুছল্লী এবং ফেরেশতা উভয়েই কষ্ট পায় (মুসলিম হা/৫৬৪)। তবে রান্না করে খেলে অথবা মুখ পরিষ্কার করে দুর্গন্ধ দূর করে মসজিদে গেলে কোন দোষ নেই (মুসলিম হা/৫৬১)।   






বিষয়সমূহ: তাহারাত-পবিত্রতা
প্রশ্ন (৮/২০৮) : আমাদের মসজিদের ইমাম ছাহেব রজব মাসের বিশেষ ছালাত-ছিয়ামসহ বিভিন্ন ইবাদতের গুরুত্ব সম্পর্কে বিস্তর আলোচনা পেশ করেছেন। এসব ইবাদত পালন করা যাবে কি? - -ফরীদ হাসান, মুর্শিদাবাদ, ভারত।
প্রশ্ন (১১/২৯১) : আমাদের মেডিকেল কলেজে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত ক্লাস থাকায় প্রতিদিন যোহরের ছালাত দেরী করে পড়তে হয়। এক্ষণে আমার করণীয় কি? - -নূরুল ইসলাম, উত্তরা, ঢাকা।
প্রশ্ন (৩৪/১৯৪) : ডাক্তারগণ ব্যবস্থাপত্র লেখার সময় আরএক্স (RX) দিয়ে শুরু করেন। সেটা গ্রীক দেবতাদের নির্দেশ করে কি? সব ডাক্তারকেই অন্তত মেডিকেলে পড়ার সময় এই চিহ্ন ব্যবহার করতে হয়। এটা শরী‘আত সম্মত কি?
প্রশ্ন (২৫/২৫) : শুটকি মাছ খাওয়া কি জায়েয? যদি জায়েয হয় তবে হিদলের শুটকি খাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৩২/১১২) : হাদীছে এসেছে, তোমরা অমুসলিমদের রাস্তার সংকীর্ণ স্থানের দিকে ঠেলে দাও। এক্ষণে অমুসলিমদের সাথে আমাদের আচরণ কিরূপ হওয়া উচিত? তাদের সম্মান করলে বা কোন হাদিয়া দিলে গোনাহ হবে কি?
প্রশ্ন (২২/৩৪২) : কোন অমুসলিম ব্যক্তির জন্য মুসলিম হওয়ার আগে কিছু করণীয় আছে কি? কী কাজ করলে সে মুসলিম হতে পারবে?
প্রশ্ন (১৮/১৮) : মা মারা যাওয়ার পর তার নেকীর জন্য তার পক্ষ থেকে ওমরাহ পালন করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩১/৩১১): অনেক মসজিদের মেহরাবের উপরে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’ লেখা দেখা যায়। এর কারণ কী?
প্রশ্ন (২/২): আমি একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক। আমার প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশ কর্মী তাবলীগ জামা‘আতের সাথে সম্পৃক্ত থাকায় দ্বীনী ব্যাপারে অত্যন্ত নিষ্ঠাবান। কিন্তু সমস্যা হ’ল তাদের অধিকাংশই অফিসের কাজ-কর্মে অবহেলা ও অলসতা করে। তারা রাত জেগে ইবাদত করে ও অফিসে বিশ্রাম নিতে চায় এবং সর্বদা ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করে। এক্ষণে এসব কর্মীদের বেতন গ্রহণ করা হালাল হবে কি? আর বেতন হারাম হ’লে তাদের ইবাদত কবুল হবে কি? উত্তর দানে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২৬/৩৮৬) : জিনিস-পত্র বিক্রয়ের ক্ষেত্রে লাভের কোন সীমা আছে কি?
প্রশ্ন (১৩/৪৫৩) : হানাফী মাযহাবের অনুসারী এক ব্যক্তি রাগের মাথায় প্রথমে এক তালাক দেন। অতঃপর তিনদিন পর আবার তালাক দেন। কয়েকমাস পর স্ত্রীর এক অপরাধের কারণে তিনি পুনরায় এক তালাক দেন। প্রতিবারই তিনি রুজূ‘ করেন এই ধারণায় যে, রুজূ‘ করলে পূর্বের তালাকের গণনা আর বহাল থাকে না। পরে জানতে পারেন, তিন তালাক সম্পন্ন হয়ে গেছে। এরপর উভয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদ করেন। বর্তমানে তাদের সন্তানদের কথা বিবেচনা করে তিনি প্রথম স্ত্রীকে পুনরায় গ্রহণ করতে চান। উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে তিনি দ্বিতীয় বিবাহ করেছেন এবং সেই সংসারেও সন্তান রয়েছে। এ অবস্থায় শরী‘আতের দৃষ্টিতে প্রথম স্ত্রীকে পুনরায় গ্রহণ করার কোন সুযোগ আছে কি?
প্রশ্ন (১৯/৪৫৯) : জীবনসঙ্গী নির্বাচনের ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের কি কি গুণাবলী থাকা আবশ্যক?
আরও
আরও
.