উত্তর : খালেছ তওবা দ্বারা কবীরা গুনাহ মাফ হবে ইনশাআল্লাহ। কেননা আল্লাহ শিরক ব্যতীত বান্দার সকল গুনাহ ক্ষমা করতে পারেন (নিসা ৪/৪৮, ১১৬)। আল্লাহ বলেন, অন্যত্র আল্লাহ বলেন, হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহর নিকট খালেছ অন্তরে তওবা কর। অবশ্যই তোমাদের প্রতিপালক তোমাদের গোনাহসমূহ মার্জনা করে দিবেন এবং তোমাদেরকে এমন জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, যার তলদেশে নদীসমূহ প্রবাহিত (তাহরীম ৬৬/৮)। হদের বিধান জারি রয়েছে এরূপ দেশে হদের শাস্তি গ্রহণ করলে সেটাই তার পাপের কাফফারা হবে। যদি হদ জারি না হয়ে থাকে এবং আল্লাহ তার পাপ গোপন রাখেন, তাহ’লে তিনি তাকে ক্ষমাও করতে পারেন, শাস্তিও দিতে পারেন’ (বুখারী, মুসলিম; মিশকাত হা/১৮)।






প্রশ্ন (২৬/২৬) : কোন কোন আলেম জিহাদের গুরুত্ব তুলে ধরে এটাকে ইসলামের ৬ষ্ঠ রুকন হিসাবে আখ্যায়িত করেছেন। এটা সঠিক কি? - -আব্দুর রহীম, গন্ধর্বপুর, সিরাজগঞ্জ।
প্রশ্ন (২৮/৬৮) : প্রভিডেন্ট ফান্ডে সরকারী নীতি অনুযায়ী প্রদত্ত সূদের টাকা গ্রহণ করে কোন ভাল কাজে দান করে দেওয়ায় কোন বাধা আছে কি? - -শাহ আলম, পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম।
প্রশ্ন (৩৯/৩১৯) : অসুস্থতা আল্লাহর পক্ষ থেকে নে‘মত না পাপের ফল? এটা বুঝার উপায় কি?
প্রশ্ন (১০/২১০) : আমরা বিশুদ্ধ আক্বীদা ও মানহাজের উপর আমল করায় এবং দলবদ্ধ মুনাজাত না করায় আমাদেরকে নতুন মসজিদ তৈরী করে ছালাত আদায় করতে বলা হয়। ফলে নতুন মসজিদ তৈরী করা হয়েছে। এভাবে মসজিদ পৃথক করা কি ঠিক হয়েছে?
প্রশ্ন (৩৬/১১৬): পোষাক থাকা সত্ত্বেও ছেলেরা খালি গায়ে থাকতে পারে কি এবং খালি গায়ে ওযূ করতে পারে কি?
প্রশ্ন (১১/১৩১) : ছেলেদের বুক, হাত, পিঠ বা উরুর উপরের চুল বড় হয়ে গেলে কেটে ফেলা যাবে কি?
প্রশ্ন (৪/৩৬৪) : ছালাতে দাঁড়ানোর সময় মুছল্লীর দুই পায়ের মাঝে কতটুকু ফাঁকা থাকবে? প্রচলিত আছে যে, চার আঙ্গুল পরিমাণ ফাঁকা থাকবে’- একথার ভিত্তি আছে কি? - -মশীউর রহমান, সাহাপুর, নওগাঁ।
প্রশ্ন (৩১/১১১) : অনেক আলেম বলেন. ফিৎরা খেজুর বা যব দিয়ে দিতে হবে। এছাড়া অন্য কিছু দিয়ে দেওয়া যাবে না। ফলে অনেক মানুষ টাকা দিয়ে এগুলি কিনে ফিৎরা দেয়। এটা শরী‘আতসম্মত হবে কি? - .
প্রশ্ন (১৭/২৯৭) : ছালাতে মহিলাদের পায়ের পাতা ঢেকে রাখা আবশ্যক কি? আবুদাঊদের হা/৬৪০-এর ব্যাখ্যা জানতে চাই।
প্রশ্ন (১২/২৯২) : ফজরের আযানে ‘আছ-ছালাতু খায়রুম মিনান নাউম’ বলতে ভুলে গিয়েছিলাম, পরে স্মরণ হ’লে বলেছি। আমার আযান শুদ্ধ হয়েছে কি?
প্রশ্ন (৩৬/২৭৬) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর ব্যক্তিগত রুচি বা অভ্যাসগত সুন্নাত যেমন প্রিয় খাবার হিসাবে লাউ খাওয়া, পোষাক হিসাবে সাদা রঙের কাপড় পরিধান করা, চোখের যত্নে সুরমা দেওয়া কিংবা ত্বকের পরিচর্যায় যয়তুনের তেল ব্যবহার করা এসব কাজ যদি কেউ শরী‘আতে কোন বাধ্যবাধকতা ছাড়াই শুধুমাত্র তাঁর প্রতি নিবিড় ভালবাসার জায়গা থেকে অনুসরণ করে, তবে কি সে ছওয়াব লাভ করবে? নাকি ইবাদতের সংজ্ঞার বাইরে এসব অভ্যাসগত বিষয়কে দ্বীনী অনুসরণের অন্তর্ভুক্ত করা বিদ‘আত হিসাবে গণ্য হ’তে পারে?
প্রশ্ন (২২/৩৮২) : বাংলাদেশ খেলায় জিততে পারবে না অথবা তুমি পরীক্ষায় পাশ করতে পারবে না। এ ধরনের কথা কি শিরকের আওতায় পড়ে?
আরও
আরও
.