উত্তর : একাধিক ওয়াজিব ছুটে গেলে একাধিক দম দিতে হবে। সুতরাং একটি দম দেওয়া যথেষ্ট হয়নি। বরং যে কয়টি ওয়াজিব ছুটে গেছে সেটি হিসাব করে দম দিতে হবে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১১/৩৪২; ওছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২৩/৪০০)। আর যদি ওয়াজিবগুলো ভুলক্রমে তরক করা হয় এবং কাফফারা দিতে অক্ষম হয়, তাহ’লে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইবে (ওছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ক্রমিক ১৪৬১, ২৩/৪০১)

প্রশ্নকারী : আবুল কালাম আজাদ, জামালপুর।








বিষয়সমূহ: হজ্জ ও ওমরাহ
প্রশ্ন (৩/৩২৩) : জনৈক ব্যক্তি অবৈধ সম্পর্কের মাধ্যমে কোন মেয়েকে গর্ভবতী করার পর গর্ভাবস্থায় তাকে বিয়ে করে। উক্ত বিবাহ কি সঠিক হয়েছে?
প্রশ্ন (১৩/২৫৩) : কৃত্রিম পদ্ধতিতে গাভীর প্রজনন করা যাবে কি? - -শহীদুল ইসলামনওদাপাড়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১১/৩৩১) : জনৈক আলেম বলেন, মহিলাদের জন্য গলায় হার, হাতে আংটি, নাকে নাকফুল দেওয়া জায়েয নয়। কারণ নাকে নাকফুল দিলে নাকে পানি প্রবেশ করে না। তাই তাদের ওযূ হয় না এবং ছালাতও হয় না। উক্ত দাবী কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৯/২৫৯) : যমযম কূপের পানি পানের যে দো‘আ প্রচলিত আছে, তা কি ছহীহ? اللهم إني أسألك علما نافعا ورزقا واسعا وشفاء من كل داء
প্রশ্ন (১৩/২৯৩) : শোনা যায় ইমাম আহমাদ বিন হাম্বল (রহঃ)-কে আববাসীয় শাসনামলে ব্যাপক নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল। এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৯/১১৯) : ঠোটের নীচের লোম কাটা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৮/৩৫৮) : চাকুরী শেষে ছাত্র-ছাত্রী কর্তৃক শিক্ষককে যে উপঢৌকন প্রদান করা হয়, তা নেওয়া জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (১৩/৫৩) : এক ব্যক্তি বলেছেন, শনিবারে মাছ ধরা যাবে না। এই দিন মাছ ধরলে চেহারা বিকৃত হয়ে মৃত্যু ঘটবে। এটা কি ঠিক? - -আশরাফুল ইসলাম, ভেড়ামারা, কুষ্টিয়া।
প্রশ্ন (৩০/১১০) : জাতীয় পতাকার সম্মানে দাঁড়ানো, জাতীয় সংগীত গাওয়ার সময় স্থিরভাবে দাঁড়িয়ে থাকা ইত্যাদি কার্যক্রমের ব্যাপারে শরী‘আতের বিধান কি? - -রায়হান চৌধুরী, রানীরবন্দর, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (৩৩/৪৭৩) : বড় ফোঁড়া হয়ে একটানা পুঁজ-রক্ত বের হচ্ছে।এমতাবস্থায় ছালাত আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৭/৩২৭) : আমাদের গ্রামে কারো কোন জিনিস হারিয়ে গেলে বা চুরি হ’লে হারানো বস্ত্ত খুঁজে পাওয়ার জন্যে অথবা চোর ধরার জন্য কয়েকজন ওযূ করে একটি পিতলের বদনা নিয়ে বসে তাতে পানি দিয়ে কাঁঠালের পাতায় বিভিন্ন জনের নাম লিখে বদনাতে দিয়ে দেয়। আর পাশে বসে একজন সূরা ইয়াসীন পড়তে থাকে। আর বদনা দু’জনের দুই আঙ্গুলের উপর ধরে রাখে। এভাবে সূরা ইয়াসীন পড়তে পড়তে যখন বদনাতে চোরের নাম আসে তখন বদনা এমনিতেই ঘুরতে শুরু করে দেয়। তাদের ভাষ্যমতে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নাকি আসল চোরের নাম উঠে আসে। প্রশ্ন হ’ল এভাবে সূরা ইয়াসীন পড়ে পিতলের বদনা নিয়ে চোর ধরার পদ্ধতি অথবা এগুলোর উপর বিশ্বাস করা কিসের মধ্যে পড়ে? - -সামিয়া আখতার, আম্বরখানা, সিলেট।
প্রশ্ন (৮/২৮৮) : মসজিদের ভিতরে বিশেষ করে ছালাতরত অবস্থায় আঙ্গুল ফুটানো যাবে কি?
আরও
আরও
.