উত্তর : ঋণের টাকা হিসাব করে যাকাত দিতে হবে। কারণ সে তা দ্বারা লাভবান হচ্ছে। অতএব মোট সম্পদ হিসাব করেই যাকাত দিতে হবে (বিন বায, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৪/৫১; উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৮/২৪; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৯/১৮৯)। এক্ষণে যাদের ঋণ আছে তাদের কর্তব্য হ’ল প্রথমে ঋণ পরিশোধ করবে, এরপর হিসাব করে যাকাত দিবে। ওছমান (রাঃ) জুম‘আর খুৎবায় বলেন, ‘এটি (রামাযান) যাকাতের মাস। অতএব যদি কারো উপর ঋণ থাকে তাহ’লে সে যেন প্রথমে ঋণ পরিশোধ করে। এরপর অবশিষ্ট সম্পদ নিছাব পরিমাণ হ’লে সে তার যাকাত আদায় করবে’ (মুওয়াত্ত্বা মালেক হা/৮৭৩; আলবানী, সনদ ছহীহ; ইরওয়াউল গালীল হা/৭৮৯)

প্রশ্নকারী : আব্দুল লতীফ, কুমিল্লা।







প্রশ্ন (১৮/২৯৮) : আমাদের মসজিদে ছালাত শেষে দলবদ্ধ মুনাজাত করিয়ে নেওয়ার জন্য মূর্খ ইমাম দ্বারা ছালাত আদায় করানো হয়। এক্ষণে আমরা তাদের পরে আলাদা জামা‘আত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এটি কি সঠিক হবে? - -আসমাউল আলমতেরখাদিয়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১০/৯০) : ব্যবসা-বাণিজ্যে কত শতাংশ পর্যন্ত লাভ করা যায় সে ব্যাপারে শারঈ কোন নির্দেশনা আছে কি?
প্রশ্ন (১৭/১৩৭) : হাদীছ অস্বীকারকারীরা কি কাফের? বিদ্বানদের মতামত সহ জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৪/৪৩৪) : কোন নারীকে জোর করে ধর্ষণ করা হ’লে তাকে শাস্তি দেওয়া যাবে কী? আর ধর্ষণের কারণে পেটে বাচ্চা চলে আসলে উক্ত বাচ্চা নষ্ট করা যাবে কী?
প্রশ্ন (১৫/১৩৫) : এনটিভির প্রশ্নোত্তরে বলা হয়েছে মাসিক অবস্থায় মেয়েরা মুখস্থ কুরআন তেলাওয়াত করতে পারবে না। তবে দো‘আ-দরূদ পড়তে পারবে। উক্ত ফায়ছালা কি সঠিক হয়েছে?
প্রশ্ন (৩৭/৭৭) : জীবিত বা মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে বায়তুল্লাহ তাওয়াফ করার ব্যাপারে শরী‘আতে কোন অনুমোদন আছে কি? - -মুহাম্মাদ ফরহাদ, টঙ্গী, গাযীপুর।
প্রশ্ন (২৬/১৮৬) : ওশরের ধান ওয়ায মাহফিলে দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১৮/১৮) : রাসূল (ছাঃ) পড়া-লেখা না শিখে মারা যাননি মর্মে বর্ণিত হাদীছটির বিশুদ্ধতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৮/১২৮) : বিবাহ করার পর স্ত্রীকে পসন্দ হচ্ছে না। তার কোন দোষ নেই। আচার-ব্যবহার ভালো। কিন্তু কোনভাবেই মেনে নিতে পারছি না। এক্ষণে আমি তালাক দিলে গোনাহগার হব কি?
প্রশ্ন (৩৯/২৭৯) : মসজিদে প্রথম জামা‘আত হয়ে গেলে পরের মুছল্লীরা জামা‘আত করে ছালাত আদায় করতে পারবে কি? এই জামা‘আতের সময় এক্বামত দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (২৪/৪৬৪) : প্রথম আলো ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৯ ইং সংখ্যায় দারুল এহসান বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা-এর অধ্যাপক আবুল মনিম খান এক নিবন্ধে বলেন, যে ব্যক্তির কাছে ঈদের দিন সুবহে সাদিকের সময় জীবিকা নির্বাহের অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ ব্যতীত সাড়ে সাত তোলা সোনা অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রূপা অথবা সমমূল্যের অন্য কোন সম্পদ থাকে তার উপর ছাদকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। এই পরিমাণ সম্পদকে শরীয়তের পরিভাষায় নিছাব বলা হয়। প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের উপর ছাদাকাতুল ফিৎর আদায় করা ওয়াজিব। উক্ত দাবী কি সঠিক?
প্রশ্ন (২০/৩০০) : ঋণদানের ফযীলত কি? আমার বন্ধুকে কিছু টাকা ঋণ দিয়েছিলাম। এক্ষণে তা পরিশোধের পূর্বে আমি কি তার নিকট থেকে কিছু খেতে পারব?
আরও
আরও
.