উত্তর : উক্ত মর্মে কোন হাদীছ বর্ণিত হয়নি। তবে স্ত্রীর নিকট স্বামী অনেক মর্যাদাশীল। আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (ছাঃ) সর্বদা স্বামীর আনুগত্য করার নির্দেশ দিয়েছেন। জনৈক মহিলা রাসূল (ছাঃ)-এর সাথে কথা বলা সম্পন্ন করলে তিনি তাকে বললেন, ‘হে অমুক মহিলা! তোমার স্বামী আছে কি? সে বলল, হ্যাঁ আছে। তিনি বললেন, তুমি তার জন্য কেমন? সে বলল, আমি তার আনুগত্য ও খেদমতে কমতি করি না। তবে যেটা করতে অসমর্থ হই তা ব্যতীত। রাসূল (ছাঃ) তখন বললেন, তুমি খেয়াল রেখ যে, তুমি তার হৃদয়ের কোথায় অবস্থান করছ? কেননা সে তোমার জান্নাত ও জাহান্নাম (আহমাদ হা/১৯০২৫; ছহীহাহ হা/২৬১২)

অন্যত্র এসেছে, মু‘আয (রাঃ) সিরিয়া থেকে ফিরে এসে নবী করীম (ছাঃ)-কে সিজদা করেন। তখন নবী করীম (ছাঃ) বলেন, হে মু‘আয! এ কী? তিনি বলেন, আমি সিরিয়ায় গিয়ে দেখতে পাই যে, তথাকার লোকেরা তাদের ধর্মীয় নেতা ও শাসকদেরকে সিজদা করে। তাই আমি মনে মনে আশা পোষণ করলাম যে, আমি আপনার সামনে তাই করব। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, তোমরা তা করো না। কেননা আমি যদি কোন ব্যক্তিকে আল্লাহ ছাড়া অপর কাউকে সিজদা করার নির্দেশ দিতাম, তাহ’লে স্ত্রীকে নির্দেশ দিতাম তার স্বামীকে সিজদা করতে। সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মাদের প্রাণ! স্ত্রী তার স্বামীর হক আদায় না করা পর্যন্ত তার প্রভুর হক আদায় করতে সক্ষম হবে না (ইবনু মাজাহ হা/১৮৫৩; ছহীহুল জামে‘ হা/৫২৯৫)

প্রশ্নকারী : ইহসান ইলাহী যহীর, কোরপাই, কুমিল্লা।







প্রশ্ন (৩১/১৯১) : জামা‘আতবদ্ধ জীবন যাপন ইসলামে আবশ্যিক হ’লেও যথাযথ পরিবেশ না পেলে নারী হিসাবে আমার করণীয় কি? - - শারমীন নাহার, কলারোয়া, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (২/৪২) : আগে আক্বীক্বার ক্ষেত্রে গোশত প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজনের বাসায় বন্টন করে দেয়া হ’ত। কিন্তু বর্তমানে মানুষকে দাওয়াত করে অনুষ্ঠান করে খাওয়ানো হচ্ছে। এটা শরী‘আত সম্মত কি? যদি হয়ে থাকে তবে কোনটি উত্তম?
প্রশ্ন (২/৪২) : সন্তানের ঋণ পরিশোধ করা পিতার জন্য আবশ্যক কি? পরিশোধ না করলে তিনি গোনাহগার হবেন কি? সন্তান পিতার সংসারে থাকা বা না থাকায় বিধানের কোন পরিবর্তন হবে কি?
প্রশ্ন (১২/২১২) : জুম‘আর ছালাতে ইমামের তাশাহহুদে থাকাবস্থায় আমি জামা‘আতে শরীক হই। এখন কি আমি চার রাক‘আত যোহর আদায় করব? না-কি ২ রাক‘আত জুম‘আর ছালাত আদায় করব? - -আনাস, সৈয়দপুর, নীলফামারী।
প্রশ্ন (৫/২০৫) : খেলাফতের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় আবুবকর (রাঃ) কর্তৃক জনৈকা বৃদ্ধার পরিচর্যার ঘটনাটি কি সত্য? - -ওছমান প্রামাণিক, বগুড়া।
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : জনৈক আলেম বলেন, সাত প্রকারের ঘুম আছে। যেমন ১. নাওমুল গাফেলীন, ওয়ায মাহফিলে ঘুমানো। ২. নাওমুল আশক্বিয়া, ছালাতের সময় ঘুমানো। ৩. নাওমুল মালঊনীন, ফজরের ছালাতের সময় ঘুমানো। ৪. নাওমুল মু‘আয্যিবীন, ফজরের আযান থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ঘুমানো। ৫. নাওমুর রাহাহ অর্থ প্রশান্তির ঘুম। এসময়ের স্বপ্ন সত্য হয়। ৬. নাওমুল মারখূছ, মাগরিব ও এশার ছালাতদ্বয়ের পরে ঘুমানো। এসময় ঘুমানোয় কোন দোষ নেই। ৭. নাওমুল হাসরাহ অর্থ ক্ষতির ঘুম। এটি হ’ল জুম‘আর রাতের ঘুম। এমন ভাগাভাগির কোন শারঈ ভিত্তি আছে কি? - -আনছারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও।
প্রশ্ন (৫/৪০৫) : ওযূ করার সময় জুতার উপর মাসাহ করা যাবে কি? - -সাবিনা খাতুন, গোভীপুর, মেহেরপুর।
প্রশ্ন (৪/২৪৪) : একদল আলেম বলেন, কুরআন নাযিল হয়েছে শবেবরাতে। আরেক দল বলেন, শবে ক্বদরে। কোনটি ঠিক?
প্রশ্ন (৩২/৩৯২) : সমাজে প্রচলিত আছে যে, ‘একজন হাজী তার নিকটতম ৪০০ জনকে সুপারিশ করে জান্নাতে নিয়ে যাবেন’। বিষয়টির সত্যতা জানতে চাই। - -আব্দুল্লাহ, সিংড়া, নাটোর।
প্রশ্ন (৭/১২৭) : রাসূল (ছাঃ)-এর জানাযা কিভাবে হয়েছিল? কারা তাঁর জানাযায় অংশগ্রহণ করেছিলেন? - -রুবেল*, চিরির বন্দর, দিনাজপুর।*[ইসলামী নাম রাখুন! (স.স.)]
প্রশ্ন (৩৭/১৫৭) : মুসলিম নারীদের জন্য গঙ্গা নদীতে গোসল করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (২৫/৪৬৫) : বিতরের ছালাতে দো‘আ কুনূতের সঙ্গে কুরআন-হাদীছে বর্ণিত অন্য কোন দো‘আ পাঠ করা যাবে কি?
আরও
আরও
.