উত্তর : যরূরী অবস্থায় অমুসলিমের রক্ত কোন মুসলমানের দেহে প্রবেশ করানোতে শরী‘আতে কোন বাধা নেই। মুশরিকগণ আক্বীদাগত তথা বিশ্বাসগত দিক দিয়ে অপবিত্র (তওবা ৯/২৮), কিন্তু শারীরিক দিক দিয়ে নয়। এছাড়া অমুসলিমদের রক্ত দান করতেও কোন বাধা নেই। বরং মানুষ হিসাবে মুসলিম-অমুসলিম তথা সকল মানুষের প্রতি উদার সহযোগিতাই ইসলামের শিক্ষা।






প্রশ্ন (১০/৫০) : কোন মানুষের নাম রববানী রাখা যাবে কি? এছাড়া কাউকে নাম হিসাবে রাববী বলে ডাকা যাবে কি? - -ফযলে রাববী, বঙ্গবন্ধু কলেজ, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩০/৭০) : আইনের ছাত্র হিসাবে আমার ইচ্ছা বিচারক হিসাবে ক্যারিয়ার গড়া এবং সততার সাথে বিচারকার্য পরিচালনা করা। কিন্তু অধিকাংশ আলেম এ ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করেন অথবা হারাম বলেন। অথচ এভাবে এড়িয়ে গেলে তো একসময় কেবল দেশের অমুসলিম নাগরিকরাই বিচারক হবে। যেটা আমাদের জন্য আরো ক্ষতির কারণ হবে। এক্ষণে পেশাটি কেন হারাম সে বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চাই।
প্রশ্ন (৬/২৮৬) : নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করতে হয়। আর বাংলাদেশের আদালত ইসলামী আদালত নয়। সেক্ষেত্রে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এর চাকরি করা হালাল হবে কি?
প্রশ্ন (১৫/৩৭৫) : অনেকদিন যাবৎ বিবাহের চেষ্টা চলছে কিন্তু হচ্ছে না। এক্ষণে কখন কোথায় বিবাহ হবে এটা কি ভাগ্যের লিখন? না সঠিক চেষ্টার অভাবে বা অন্য কোন কারণে বিবাহ হচ্ছে না। এজন্য কি কি আমল করা যায়?
প্রশ্নঃ (৯/৪৯) : কোন ব্যক্তি যদি ভুলক্রমে ছালাতের প্রথম বৈঠকে আত্তাহিইয়াতুর সাথে দরূদ ও দো‘আ মাছূরাহ পড়ে নেয়, তাহ’লে ছালাত শেষে তাকে সহো সিজদা দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (১৮/২৯৮) : মসজিদে নববীতে একাধারে ৪০ ওয়াক্ত ছালাত আদায়কারী জাহান্নামের আগুন ও মুনাফিকের আলামত থেকে মুক্তি পাবে মর্মে কোন বিধান আছে কি?
প্রশ্ন (১৩/৯৩) : আমি এমন কাজের সাথে জড়িত যে, আমি অধিকাংশ ছালাত জামা‘আতের সাথে আদায় করতে পারি না। একাকী পড়তে হয়। আমার ছালাত গ্রহণযোগ্য হবে কি?
প্রশ্ন (৩৮/১৯৮) : আমি নিরাপত্তা বাহিনীতে চাকুরীরত। বড় অফিসারকে দেখলে দাঁড়িয়ে সম্মান করতে হয়। শাস্তির ভয়ে বাধ্য হয়ে আমাকেও দাঁড়াতে হয়। এক্ষণে আমার করণীয় কি? - -নাম প্রকাশে অনিচ্ছুকমাঝিড়া ক্যান্টনমেন্ট, বগুড়া।
প্রশ্ন (১৯/৩৩৯) : অবিবাহিত মেয়ের স্বর্ণের যাকাত কে দিবে, যেটা এখনো মেয়েকে বুঝিয়ে দেয়া হয়নি?
প্রশ্ন (১৮/১৮) : ‘আদম সন্তানের পেট মাটি ব্যতীত পূর্ণ হবে না’ মর্মে হাদীছটির ব্যাখ্যা কি?
প্রশ্ন (২১/৪৬১) : নিয়মিত লেখা-পড়া না করার কারণে শৈশবে আমার পিতা আমাকে রাগের মাথায় বলেছিলেন যে, পড়াশুনা না করলে রাখালের সাথে বিয়ে দিয়ে দিব। কিন্তু সেখানে উপস্থিত রাখাল কিছু বলেনি। বরং আমি আমার পিতার কথার প্রতিবাদ করেছিলাম। বর্তমানে শৈশবের ঐ কথাটি মনে করে আমি অত্যন্ত দুশ্চিন্তাগ্রস্ত হয়ে পড়েছি। এমনকি মানসিক রোগী হয়ে গেছি? উক্ত কথার কারণে বিবাহ কি সম্পন্ন হয়েছিল? যেহেতু হাদীছে বিবাহ, তালাক ও রাজা‘আত নিয়ে হাসি-তামাশা করতে নিষেধ করা হয়েছে। আর হাসি-তামাশা করে বললেও উক্ত তিনটি বিষয় সম্পন্ন হয়ে যায় বলে হাদীছে উল্লেখিত হয়েছে। ঐ বিবাহ সম্পন্ন হয়ে থাকলে এক্ষণে আমার করণীয় কি? - -নাম প্রকাশে অনিচ্ছুকবিশ্বনাথপুর, শিবগঞ্জ, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (১/৪১) : ওযূর সময় কথা বলা যাবে কি? ওযূ করার সময় কথা বললে মাথার উপরে রহমতের চাদর নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ফেরেশতারা চলে যায়। একথার কোন ভিত্তি আছে কি? - -সোহেল খান, মুরাদনগর, কুমিল্লা।
আরও
আরও
.