উত্তর : উক্ত বক্তব্য ভুল। কোন মুসলিম মহিলাই স্বামীর মঙ্গলের জন্য নাকফুল পরে না। বরং এটি নারীদের অলংকার বিশেষ। যা তারা তাদের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তোলার জন্য পরিধান করে থাকে। অতএব নাকফুল ব্যবহারে শরী‘আতে কোন বাধা নেই (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ২৪/৩৬)। আবু মূসা আশ‘আরী (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘স্বর্ণ ও রেশমী কাপড় আমার উম্মতের নারীদের জন্য হালাল করা হয়েছে এবং পুরুষদের জন্য হারাম করা হয়েছে’ (ইবনু মাজাহ হা/৩৫৯৫, আবুদাঊদ হা/৪০৫৭, মিশকাত হা/৪৩৯৪)। উল্লেখ্য, মেয়েদের কান ফুটানোর বিষয়টিও জায়েয আছে। জাহেলী যুগে এটা করা হ’ত। কিন্তু ইসলামী যুগে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এটাতে কোন আপত্তি করেননি (ফিক্বহুস সুন্নাহ পৃঃ ২/৩৪)






প্রশ্ন (৩৮/৩১৮) : হযরত আলী (রাঃ)-এ হত্যাকান্ডের প্রকৃত ঘটনা জানতে চাই। - শহীদুযযামান, গুলশান, ঢাকা।
প্রশ্ন (২৪/১৮৪) : মসজিদে প্রবেশ এবং বের হওয়ার সময় মুছল্লীদের উদ্দেশ্যে সালাম দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১৫/১৩৫) : জনৈক ব্যক্তি তার দুই বন্ধুকে সাক্ষী রেখে জনৈক নারীকে তার অভিভাবকের অনুমতি ছাড়াই বিবাহের প্রস্তাব দিয়েছে এবং উক্ত নারী তাতে সম্মতি দিয়ে স্বাক্ষর করেছে। কিন্তু তাদের মাঝে পরবর্তীতে কোন সহবাস হয়নি। এছাড়া বিবাহের কোন রেজিস্ট্রি হয়নি। এক্ষণে এ বিবাহ গ্রহণযোগ্য হয়েছে কি? - -রবীউল আউয়াল, দেবিদ্বার, কুমিল্লা।
প্রশ্ন (২৭/৩০৭) : আমি যেখানে কাজ করি সেখানে ব্রেলভী মসজিদ রয়েছে। সেখানে জামা‘আতে ছালাত আদায় করা যাবে, না কি একাকী বাসায় আদায় করতে হবে?
প্রশ্ন (৩৫/৭৫) : জনৈক ইমাম জুম‘আর খুৎবায় বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) একদা রাতে পেশাব করে হাড়িতে রেখে সকালে একজন ছাহাবী আসলে তাকে প্রস্রাবগুলি ফেলে দিতে বললেন। ছাহাবী পেশাবের হাড়িটাকে বাহিরে নিয়ে গিয়ে রাসূলের প্রতি মহববতের কারণে তা খেয়ে নেন। এরপর রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর কাছে আসলে তিনি বলেন, কি ফেলে দিয়েছ? তখন ছাহাবী চুপ থাকেন। বারবার জিজ্ঞেস করার পর লোকটি বলেন আমি তা খেয়ে ফেলেছি। ফলে উক্ত ছাহাবী মারা গেলে তার শরীর থেকে সুগন্ধি বের হয়। উক্ত বক্তব্যের সত্যতা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২৮/২৬৮) : আমি একজন মহিলা গাইনী বিশেষজ্ঞ ডাক্তার। কোন কোম্পানী যদি তাদের কোন প্রোডাক্ট লেখার জন্য সম্মানী দেয়। আর তা আমি না নিয়ে যদি মসজিদ/মাদ্রাসায় দান করি তাহ’লে কি আমার ছওয়াব হবে?
প্রশ্ন (৩/৩৬৩) : মানুষ মারা গেলে তার রূহের মাগফেরাত কামনা করা হয়। আসলে মৃতব্যক্তির দেহে শাস্তি হবে, না রূহে?
প্রশ্ন (২/২): আমি একটি ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক। আমার প্রতিষ্ঠানের অধিকাংশ কর্মী তাবলীগ জামা‘আতের সাথে সম্পৃক্ত থাকায় দ্বীনী ব্যাপারে অত্যন্ত নিষ্ঠাবান। কিন্তু সমস্যা হ’ল তাদের অধিকাংশই অফিসের কাজ-কর্মে অবহেলা ও অলসতা করে। তারা রাত জেগে ইবাদত করে ও অফিসে বিশ্রাম নিতে চায় এবং সর্বদা ফাঁকি দেওয়ার চেষ্টা করে। এক্ষণে এসব কর্মীদের বেতন গ্রহণ করা হালাল হবে কি? আর বেতন হারাম হ’লে তাদের ইবাদত কবুল হবে কি? উত্তর দানে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২৪/২৪) : দরিদ্রতার কারণে ফিৎরা আদায় করতে না পারলে গোনাহগার হবে কি?
প্রশ্ন (১৯/২৫৯) : আমাদের এখানে কসাইয়ের পেশায় যুক্ত অধিকাংশ মুসলমান ছালাত আদায় করে না। আবার পৌরসভা থেকে নিযুক্ত বিদ‘আতী ইমাম তা যবেহ করে। এই গোশত খাওয়া যাবে কি? - -ইসমাঈল হোসাইন, মাগুরা।
প্রশ্ন (৩৮/১১৮) : আল্লাহ কুরআনকে ‘শিফা’ বা আরোগ্য বলেছেন। এক্ষণে দ্রুত কল্যাণ লাভের জন্য কুরআনের বিভিন্ন আয়াত যেমন ‘রবিব ইন্নী বিমা আনঝালতা ইলাইয়া মিন খাইরিন ফাক্বীর’ ৪০ বার, পাগলামী থেকে আরোগ্যের জন্য ‘ইন্নাকা লামিনাল মুরসালীন’ ১৩১ বার ইত্যাদি পাঠ করা যাবে কি? - -আবু তালেব, সেতাবগঞ্জ, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (৯/৯) : সহো সিজদা দেওয়ার নিয়ম কি? সহো সিজদার পর একদিকে সালাম ফিরাতে হবে না দু’দিকে? - -মীযান, মোল্লাহাট, বাগেরহাট।
আরও
আরও
.